বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

যাদু বাস্তবতার লেখক মার্কেজের প্রয়াণে বাংলাদেশীদের শোক প্রকাশ

Gabriel García Márquez. Image by Wikimedia/Festival Internacional de Cine en Guadalajara. CC BY 2.0

গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ। ছবি নেয়া হয়েছে উইকিমিডিয়া থেকে। সিসি বাই ২.০

গত ১৭ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে নোবেল বিজয়ী কলম্বিয়ান লেখক গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। তিনি শুধু লাতিন আমেরিকাতেই জনপ্রিয় ছিলেন না, দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশেও তার সাহিত্যের অনুবাদের মধ্যে দিয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। সবার কাছে পরিচিতি পেয়েছিলেন ‘জাদু বাস্তবতার’ লেখক হিসেবে।

বাংলাদেশের বেশিরভাগ পত্রিকা তার মৃত্যুর খবর বেশ গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশের অনেকেই ‌'শতবর্ষের নির্জনতা’, ‌কলেরার দিনগুলোতে প্রেম’-এর মতো বিখ্যাত বইয়ের জনককে ফেসবুকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

ব্লগার, লেখক মাহবুব মোর্শেদ লিখেছেন:

মার্কেজ আমাদের জীবনকালের সবচেয়ে বড় সাহিত্যিক।

তানভীর হায়দার চৌধুরী মার্কেজের প্রভাব নিয়ে লিখেছেন:

নস্টালজিয়া, বিষাদ, নির্জনতা, প্রণয় এই শব্দগুলো যখন পড়ি তখন আমার গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের কথা মনে পড়ে যায়। তিনি আমাকে আমাদের প্রতিদিনের যাপনের জীবনের আড়ালে লুকিয়ে থাকা জাদুর সন্ধান দিয়েছেন। তার গদ্যের গীতিময়তা আমাকে মুগ্ধ করতো। তার লেখায় মানুষের বিভিন্ন পরিস্থিতির কবিতা, কটুতা, উচ্ছ্বাস প্রকাশ পেত।

প্রথম যৌবনে আমি যখন ‘শতবর্ষের নির্জনতা’, ‌'কলেরার দিনগুলোতে প্রেম’ গ্রোগাসে পড়েছি, তিনি আমার সেই স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন। […]

ফেসবুকে বইপড়ুয়া বলে একটি গ্রুপ আছে। সেখানে বিভিন্ন বই নিয়ে আলোচনা হয়। সেই গ্রুপে বাংলা সাহিত্যে মার্কেজের প্রভাব নিয়ে এক আলোচনায় লেখক আহমাদ মোস্তফা কামাল লিখেছেন:

মার্কেজের প্রভাব খুব বেশি পড়েনি বাঙালি সাহিত্যিকদের ওপর। তাঁর নির্মাণ-কৌশলে অনুপ্রাণিত হয়ে লেখা কঠিন ছিল। কিছু কিছু কৌশল ইউনিকই থেকে যায়, মার্কেজেরটিও তাই।

মার্কেজের উপন্যাস নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ব্লগার মেঘলা সচলায়তন ব্লগে লিখেছেন:

একে একে (তার) অনেক বই পড়া হয়েছে। জেনেছি একটা মানুষ কত অসাধারণ কল্পনা শক্তির অধিকারী হতে পারে, কত অসাধারণ ভাবে অতীত বর্তমান আর ভবিষ্যতকে এক লাইনে লেখার ক্ষমতা রাখে! জেনেছি সত্যিকার অর্থে কথার জাদুকর কাকে বলে!

লেখক, শিক্ষক কাবেরী গায়েন মার্কেজের প্রতি সম্মান জানিয়ে লিখেছেন:

কেনো যেনো কাঁদতে ইচ্ছে করছে না মোটেই। যিনি তুমুল স-শব্দ ভালোবাসায় আরো কয়েকশো বছর বাঁচবেন বলে বিশ্বাস করি, তাঁর ‘মৃত্যু'তে কীভাবে কাঁদি? তাঁর স্বপ্ন এবং ভালোবাসা আমাদের ভেতরেও একটু একটু করে জায়গা করে নিক।

অনেক ভালোবাসা মার্কেজ।

ব্লগার, গ্লোবাল ভয়েসেস-এর লেখক পান্থ রহমান রেজা মার্কেজকে বিদায় জানিয়ে লিখেছেন:

বিদায় মার্কেজ!
আপনি বেঁচে থাকবেন আমাদের অক্ষরযাপনে!

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .