বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

নির্যাতনের কথা প্রকাশ করল কারাদন্ড প্রাপ্ত ইরানি ব্লগারের চিঠি

Jailed since

ইরানি ব্লগার সিয়ামাক মেহের ২০১০ সালে গ্রেপ্তার এবং ৪ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন।  

মোহাম্মদ রেজা পোরশাজারি একজন কারাদণ্ড প্রাপ্ত ইরানি ব্লগার, যিনি সিয়ামাক মেহের ছদ্মনামে পরিচিত। তিনি কারাগার থেকেই সবার উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন। সেই চিঠিতে তিনি নির্যাতন সহ কারাগেরর অভ্যন্তরে তার কঠিন পরিস্থিতির কথা বর্ণনা করেছেন। ৬ মার্চ, ২০১৪ তারিখ সম্বলিত তাঁর সেই চিঠিটি গত মার্চ মাসের শেষ দিকে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে পুনরায় প্রকাশিত হয়েছে।

৫২ বছর বয়সী ব্লগার রেজা তেহরানের উত্তর-পশ্চিম দিকে কারাজে অবস্থিত গেজেল হেসার কারাগারে চার বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। তাঁর ব্লগ পোস্টে নবীজিকে অপমান এবং আল্লাহর প্রতি ঘৃণার মনোভাব ব্যক্ত করার অপরাধে ২০১০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর তারিখে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

চিঠিতে পোরশাজারি লিখেছেনঃ 

… আমার এপার্টমেন্টে নিরাপত্তা বাহিনী আমাকে গ্রেফতার করার পরপরই নির্যাতন ও মারধর করে এবং মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার হুমকি দেয় … আমি ইসলামী শাসনব্যবস্থার দমননীতির একজন ভুক্তভোগী। অবিচার এবং নাগরিকদের [ইরানী] অধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে লেখার জন্য আমাকে চার বছরের কারাদণ্ডে দন্ডিত করা হয় … আমি এই চিঠিটি ২১ বর্গ মিটারের একটি ক্ষুদ্র প্রকোষ্ঠে বসে লিখছি। এখানে আমার সাথে আছে ৪০ জন দণ্ডিত ব্যক্তি, যারা সবাই অপরাধী, ধর্ষক, মাদকাসক্ত … ইসলামী প্রজাতন্ত্র পদ্ধতিগতভাবে মৌলিক নাগরিক অধিকার ও মানুষকে স্বাধীনতা বঞ্চিত করে রেখেছে।

চিঠির শেষে, ইরানের জনগণকে তাদের অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষায় সহায়তার জন্য মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং ​​সরকারকে তিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

এছাড়াও ব্লগার রেজার মেয়ে মিত্র পোরশাজারি তার পিতার জীবন বিপদের মধ্যে আছে ব্যাখ্যা করে ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে একটি চিঠি লিখেছেন। তিনি বলেন: 

কর্তৃপক্ষ চিকিৎসা সুবিধা দিতে জনাব পোরশাজারিকে স্থানান্তর করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে এবং সব ধরণের ওষুধ পাওয়া থেকে তাকে বঞ্চিত করেছে। তাঁরা এটি করছে যাতে তিনি শীঘ্রই মারা যান। তাঁদের কাছে [কারাগার কর্তৃপক্ষের] ডাক্তারের মতামতের কোন গুরুত্ব নেই; তাদের সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে…. শাসনতন্ত্রকে খুশি রাখতে সমস্ত ইরানীদের আনুগত্য স্বীকার এবং যে কোন ধরণের কাজ করাতে বাধ্য করা হচ্ছে। 

কারাদণ্ড প্রাপ্ত ব্লগারকে সমর্থন করে একটি ফেসবুক পাতা চালু করা হয়েছে। সেখানে তাঁর চিঠির একটি অনুলিপি রয়েছে এবং তার অবস্থার সর্বশেষ পরিস্থিত জানানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে আপলোড করা এখানে একটি ভিডিও রয়েছে। এখানে আদালতের পথে চলা সিয়ামাক মেহেরকে শৃঙ্খল পড়া অবস্থায় দেখা যাচ্ছে।    

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .