বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মন্তব্য সত্ত্বেও ফুটবলের যাদুকর ম্যারাডোনাকে পাকিস্তানীরা সহজ ভাবে নিয়েছে

World football legend from Argentina, Diego Armando Maradona took a short coaching course in Surabaya. Image by Djoko kristiono. Copyright Demotix (1/7/2013)

২০১৩ সালে প্রশিক্ষণ প্রদানে ইন্দোনেশিয়ার সুরাবাইয়া আর্জেন্টিনার প্রবাদ প্রতীম ফুটবল খেলোয়াড় ডিয়েগো আর্মান্ডো ম্যারাডোনা। কপিরাইট ডাজকো ক্রিষ্টিনোর, কপিরাইট ডেমোটিক্সের।

আর্জেন্টিনার ফুটবলের যাদুকর ৫৩ বছর বয়সী ডিয়েগো ম্যারাডোনা পাকিস্তানের সোশ্যাল মিডিয়াতে আলোড়ণের সৃষ্টি করেন, যখন তিনি আর্জেন্টিনার ফুটবল অ্যাসোশিয়েশন বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন যে “তাদের ফুটবল জ্ঞান পাকিস্তানের ফুটবল জ্ঞানের সমান”। “

আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে ১৯৮৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ জেতা সহ খেলার মাঠের সাফল্য সত্ত্বেও, কোচিং-এ তার সাফল্য হতাশাজনক। আর্জেন্টিনা ২০১০ সালের বিশ্বকাপের কোয়াটার ফাইনালে জার্মানীর কাছে শোচনীয় ভাবে পরাজিত হবার কয়েক সপ্তাহ পরে ম্যারাডোনাকে জাতীয় দলের কোচে পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়। এএফএ তাকে পুনরায় কোচ হবার আহ্বান জানায়। কিন্তু তাদের শর্ত ছিল কয়েকজন সহকারীকে পাল্টাতে হবে। ম্যারাডোনা এই সুযোগ প্রত্যাখান করে।

দৃশ্যত মনে হচ্ছে ম্যারাডোনা তার এই তিক্ত পতনের জন্য এএফএ-এর কর্মকর্তাদের ক্ষমা করেননি এবং তার প্রাক্তন নিয়োগ কর্তাদের আঘাত করার জন্য পাকিস্তানের নাম উচ্চারণ করেছেন। জার্মান ক্রীড়া ম্যাগাজিন বিল্ডকে প্রদান করা এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “তাদের এই বিষয়ে আদৌও কোন ধারনা নেই। বিষয়টি পরিষ্কার করে তিনি বলেন: পাকিস্তানে আসলে অনেক ভালো কিছু রয়েছে, কিন্তু তাদের আমি কখনো ফুটবল বিশ্বকাপে খেলতে দেখিনি। বর্তমানে আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্থার নেতারা পাকিস্তানের মত।”

পাকিস্তান বর্তমানে বিশ্ব ফুটবল র‍্যাঙ্কিং-এ ১৫৮ নাম্বারে অবস্থান করছে।

পাকিস্তানের ফুটবল সংস্থার কর্মকর্তারা এই সুযোগে ম্যারাডোনাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে দেশটির ফুটবল উন্নয়নে সাহায্য করার জন্য। পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশনের একজন কর্মকর্তা ফেসবুকে লিখেছে:

সেরা সম্ভাব্য উপায়ে আমি এই বিষয়ে সাড়া প্রদান করছি। ২০১০ সালে বিশ্বকাপে ম্যানেজার/কোচ হিসেবে ব্যর্থ হবার পর ম্যারাডোনার মত এক অসাধারণ খেলোয়াড়কে আর্জেন্টিনার প্রত্যাখান এবং উপেক্ষা করেছে। যদি সত্যি তিনি ফুটবলের সেবা করতে চান তাহলে আমাদের আমন্ত্রণ গ্রহণ করা এবং আমাদের সাথে এসেছে আমাদের খেলার ধরনে উন্নতি করা উচিত।

এই ঘটনার পর ম্যারাডোনা বিষয়টিতে তার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তার এজেন্ট পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশনের কাছে অনুরোধ করেছে যেন তারা যথাযথ মাধ্যম দিয়ে এই আমন্ত্রণপত্র পাঠায়।

প্রথমে ম্যারাডোনা পাকিস্তান এবং দেশটির ফুটবলকে আঘাত করল, আর এখন তার এজেন্টের বক্তব্য অনুসারে তিনি এখন আমাদের সাহায্য করার জন্য এখানে আসতে চান।

ম্যারাডোনার মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে;

এই ঘটনায় সত্যিকার অর্থে প্রবল উত্তেজনা অনুভব করছি এই ভেবে যে ম্যারাডোনা পাকিস্তান সম্পর্কে কথা বলেছেন যদিও তা দুর্ভাগ্যজনক প্রেক্ষাপটের তুলনা করে।

ম্যারাডোনা পাকিস্তানের ফুটবল সম্বন্ধে কি জানেন

তবে অনেকে এই তুলনায় মুগ্ধ নন এবং তারা বিষয়টিকে অপমান হিসেবে গ্রহণ করেছেন:

ম্যারাডোনা তাই করল যা সে সবচেয়ে ভাল করতে পারে- তার অসংবেদনশীল মুখ দিয়ে জোরে আওয়াজ করার কারণ, কেউ তার প্রতি মনোযোগ প্রদান করছে না।

ফেসবুকে, আবু আসির মন্তব্য করেছে:

এটা একটা বোকার আমন্ত্রণ, আমি ধারণা করি ম্যারাডোনা এর আগে পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশনের যোগ্যতা সম্বন্ধে যা বলেছে, এটা হচ্ছে তার প্রতিক্রিয়া। তবে অনেকে পাকিস্তানের ফুটবল সম্বন্ধে “ম্যারাডোনার” এই মন্তব্যে বেদনাদায়ক অনুভুতির সৃষ্টি হয়েছে। তাদের এই রকম কষ্ট পাওয়া উচিত না, হাহা! ম্যারাডোনা যা বলেছে সে বিষয়ে কোন ভুল নেই। আমরা একই ভাবে বলতে পারি, ক্রিকেট সম্বন্ধে পিসিবি ততটাই জানে যতটা আর্জেন্টিনা জানে। এই বিষয়ে তাদের কোন ধারণা নেই।

ডন.কম-এ উমাইদ ওয়াসিম পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশনের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির বিষয়টি উল্লেখ করে কর্মকাণ্ড সমর্থন করছে, সে এই বিষয়ে তরুণ এবং নারী ফুটবল দল এবং একই সাথে বিকাশ লাভ করতে থাকা লীগ বিজয়ী দল খান রিসার্চ ল্যাবরেটরিজের প্রতি মনোযোগ প্রদান করেছে :

দেশটির আভ্যন্তরীণ বিপর্যয় এবং অস্থিতিশীলতা, সামরিক অভ্যুত্থানের হুমকি এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দেশটির প্রধান সব প্রতিযোগিতায় স্পনসরশিপের অভাব সত্ত্বেও পিএফএফ এই সকল কিছু সামলাতে সক্ষম হয়েছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .