বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকাতে ডিজিটাল অধিকারের জন্য “ক্লিক রাইটস” প্রচারাভিযান

IGMENA screen shot

এডওয়ার্ড স্নোডেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা সম্পর্কে গুপ্ত তথ্য ফাঁস করে দেয়ার পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মাঝে ইন্টারনেট কর্তৃত্ব নিয়ে আলোচনার গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আরব নাগরিকেরা কি এই আলোচনাতে অংশগ্রহণ করছেন? একটি প্রভাবশালী সংস্থা বলছে, আরব বিশ্বের নাগরিকেরা এ নিয়ে আলোচনা করছেন না। কারণ, তাদের মাঝে ডিজিটাল অধিকার নিয়ে সচেতনতার যথেষ্ট অভাব রয়েছে।

ইগমেনা হচ্ছে ইন্টারনেটের উপর কর্তৃত্ব স্থাপনের একটি প্রোগ্রাম। এটি ডাচ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা হিভোসের তৈরি করা একটি প্রোগ্রাম, যা মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকাতে ব্যবহৃত হয়। নাগরিকদের মাঝে ডিজিটাল অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করাই হচ্ছে    তাদের নতুন প্রচারাভিযান “ক্লিক রাইটসের” প্রধান লক্ষ্য। তারা এই প্রচারাভিযান শুরু করেছে। এই প্রচারাভিযানের ফলশ্রুতিতে নাগরিকেরা যেন তাদের বহাল রাখতে সরকার এবং বেসরকারি খাতগুলোর উপর চাপ প্রয়োগ করে তারা সে চেষ্টাই করছে। (দৃষ্টি আকর্ষণঃ গ্লোবাল ভয়েসেস হিভোসের একটি অনুমোদনকারক।)

তারা সর্বজনীনতা, অভিগম্যতা, অভিব্যক্তি, গোপনীয়তা ইত্যাদি বিষয় তাদের ওয়েবসাইটে উপস্থাপন করেছে। পারস্পরিকভাবে সক্রিয় এবং সহজে মনে রাখা যায় এমন একটি পদ্ধতিতে এই বিষয়গুলোকে তাদের ওয়েবসাইটে উপস্থাপন করা হয়েছে। ইগমেনার যোগাযোগ এবং ওকালতি কর্মকর্তা নোহা ফাথি ব্যাখ্যা করেছেন, “দশটি সজীব ইন্টারনেট অধিকারের একটি সেট আমরা প্রদান করব। এতে থাকবে মানবাধিকারের সনদ এবং ইন্টারনেটের জন্য মূলতত্ত্ব [জাতিসংঘ ইন্টারনেট কর্তৃত্ব ফোরাম কর্তৃক অনুমোদিত]। যদিও আরব সম্প্রদায় এখনো এটিকে স্বীকৃতি দেয়নি।”

এই সমগ্র অঞ্চল জুড়ে ইন্টারনেটের উপর বাধা নিষেধের প্রতি আঙ্গুল তুলে মিশরের ফাথি বলেছেন, তিনি তাঁর নিজের দেশে একই পরিস্থিতিতে ডুবে আছেনঃ “ইন্টারনেট স্বাধীনতা এখনও মিশরে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থায় আছে… অনলাইন সক্রিয়কর্মী এবং ব্লগারদের শাস্তি দেয়া হচ্ছে। কখনও কখনও একটি টুইটের জন্যও তাদের কারাবরণ করতে হয়, যদি কর্তৃপক্ষ এটিকে জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি হুমকি বলে মনে করে। এখানে বিভিন্ন পর্যায়ের বাধানিষেধ রয়েছে। প্রযুক্তিগত, নীতিগত এবং মানবাধিকার প্রভৃতি পর্যায়ে বাধা-নিষেধ রয়েছে।”

ফাথি বলেছেন, “যদি নাগরিকেরা এই অধিকার সম্পর্কে সজাগ না হয়, তবে তারা আইন প্রণয়নকারী কর্তৃপক্ষকে প্রভাবিত করতে চেষ্টা করতে পারবে না। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে এক সেট অধিকার প্রদান করা। আরব সম্প্রদায় এখনও পরষ্পর সম্পর্কিত এই অধিকারগুলোকে চিহ্নিত করতে এবং তাদের চারপাশে এ সম্পর্কে ঐকমত্য তৈরি করতে পারেনি। সরকারগুলোকে মূল্যায়ন করা একটি দীর্ঘ মেয়াদী উদ্দেশ্য। কেননা প্রথম পর্যায়ে আমরা আরব ইন্টারনেটবাসীদের তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে না পারলে যেকোন মূলনীতিতে ঐকমত্য অর্জন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।”

ইগমেনার ক্লিক রাইটস প্রচারাভিযান ওয়েবসাইটটি ইংরেজী এবং আরবি ভাষায় পাওয়া যাচ্ছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .