বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

জামিনে মুক্তি পেল মিশরীয় ব্লগার আলা আব্দেল ফাত্তাহ

প্রখ্যাত মিশরীয় ব্লগার আলা আব্দেল ফাত্তাহ ১১৫ দিন কারাগারে কাটানোর পর তার স্থগিত হয়ে থাকা মামলায় আজ জামিনে মুক্তি পেয়েছে-যার বিরুদ্ধে নতুন বিক্ষোভ বিরোধী আইন ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে।

এই পুরো সময় জুড়ে, কোন ধরনের শুনানির অধিকার না দিয়ে আব্দেল ফাত্তাহকে কারাগারে আটকে রাখা হয়।

মোহাম্মদ সালমানির পোস্ট করা এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে পুলিশ থানা ত্যাগ করার পর আব্দেল ফাত্তাহকে তার পরিবারের লোকজন ও বন্ধুরা স্বাগত জানাচ্ছে:

আর গালাল আমর এই ছবিটি প্রদর্শন করেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে যে তার স্ত্রী মানাল হাসান তাকে আলিঙ্গন করছে:

আলা আব্দেল ফাত্তাহ মুক্তি পেয়েছে।

মুক্তি পাওয়ার পরআব্দেল ফাত্তাহ তার প্রথম টুইটে তার কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাবার প্রত্যয় ব্যাক্ত করেছেন [আরবী ভাষায়]:

“আমরা আমাদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাব..”

নাদিনে মারোউশি এই টুইটের অনুবাদ করেছে:

আরো ভালো অনুবাদ করা, “আমরা ডোকো দিয়ে বাতাসে রঙ করি। এটা সত্যি যে এরপর আমরা নির্যাতিত হই। কিন্তু তারপরেও আমরা আমাদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাব”।

মিশরীয় আঞ্চলিক ভাষায় ডোকো মানে হচ্ছে দেওয়ালে রঙ ছিটানো।

আব্দেল ফাত্তাহ ছাড়াও আহমেদ আব্দেল রাহমানকে আজ মুক্তি প্রদান করা হয়েছে। আব্দেল রাহমান যে কিনা বিক্ষোভে সময় ওই এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল, সেখানে পুলিশ দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার কয়েকজন মেয়েকে সাহায্য করার জন্য তাকেও আব্দেল ফাত্তাহ-এর সাথে গ্রেফতার করা হয়।

টুইটারে পুরোমাত্রায় উদযাপন চলছে।

আব্দেল ফাত্তাহ-এর খালা আহদাফ সাউফি উল্লাসের সাথে বলছেন:

আলার মুক্তিতে টুইটার আনন্দে ফেটে পড়েছে। আমার ল্যাপটপের এখন বিশ্রাম প্রয়োজন।

আব্দেল ফাত্তাহর বোন মোনা সেইফ, তার ভাইয়ের মুক্তির সংবাদ উদযাপন করছে এই বলে:

আলা এবং আহমেদ আবার রাস্তায়… এটা বিশ্বের অন্যতম মহান এক বাক্য।

মুক্তির আদেশ সত্বেও, আব্দেল ফাত্তাহকে নেওয়ার জন্য পরিবারকে পুলিশ থানার সামনে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়। সেইফ এই যন্ত্রণাকর ঘটনার বিষয়টি বর্ণনা করছে:

আমরা পুলিশ সদর দপ্তরের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম এবং তাদের দেরি করার কারণ বুঝতে পারছিলাম না। কয়েকজন সাংবাদিক আমাদের এই বিষয়টি জানানোর জন্য ডাকল যে তাদের সোর্স তাদের জানিয়েছে বন্দীদের আগামীকাল মুক্তি প্রদান করা হবে।

এবং সে যোগ করেছে:

জামিনের অর্থ প্রদান করা হয়েছে এবং সরকারি ও পুলিশ থানার সকল আমরা আইনগত সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি আর আহমেদ আব্দেলরাহমান পুলিশের গাড়িতে এলাকা ত্যাগ করেছে তবে তার আগে তাকে দীর্ঘ সময় পুলিশ থানায় বসে থাকতে হয়েছে। কেনই বা দেরি হচ্ছে, আর কেনই বা প্রতিটি পদক্ষেপে এত লালফিতার দৌরাত্ম্য?

এই মামলার শুনানি ৬ এপ্রিল পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করা হয়েছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .