বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

আর্জেন্টিনা: তীব্র তাপদাহে আবদ্ধ মেরু ভাল্লুক আক্রান্ত

আর্জেন্টিনার মেন্ডোজা চিড়িয়াখানায় আবদ্ধ আরটুরো নামক মেরু ভাল্লুক প্রচণ্ড গরমের কারণে সৃষ্ট তাপদাহে যন্ত্রণা ভোগ করছে। সাধারণ নাগরিকেরাও এই পরিস্থিতিতে আক্রান্ত এবং তারা চায় যে ভাল্লুকটিকে এমন এক পরিবেশে রাখা হোক যা তাকে এই প্রচণ্ড গরমে স্বস্তি প্রদান করবে।

এর আগে গরমের সময় তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে যখন মেরু ভাল্লুক উইনার মৃত্যুবরণ করে, তখন আর্জেন্টিনায় বিষয়টি যথারীতি এক নজিরে পরিণত হয়। আরটুরো হচ্ছে এখন আর্জেন্টিনার অবশিষ্ট একমাত্র মেরু ভাল্লুক। মার্কাস আব্রাজা বোউমান [স্প্যানিশ ভাষায়], বর্তমানে ভাল্লুকটি যে পরিবেশে বাস করে তা নিয়ে তার ব্লগে লিখেছে [স্প্যানিশ ভাষায়]:

Las condiciones en las que vive el oso Arturo en el zoológico provincial de Mendoza son deplorables y sin embargo no dejan de indignarnos cada día más: Ahora circula en YouTube un video en el que se puede ver como los empleados del Zoo utilizan mangueras para refrescar al animal que sigue viviendo en el mismo recinto mientras terminan de construir uno nuevo.

LE TIRAN AGUA A UN ANIMAL QUE VIVE EN EL HIELO PARA IMITAR LAS TEMPERATURAS BAJO CERO. Esto parece un chiste pero no lo es, fijate:

মেন্ডোজা চিড়িয়াখানায় যে পরিবেশে ভাল্লুকটি বাস করে, তার অবস্থা ভয়াবহ, তারপরে এমনকি তারা প্রতিদিন আমাদের ক্ষুব্ধ করে চলেছে। এখন ইউটিউবে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে যেটিতে প্রদর্শিত হচ্ছে যে চিড়িয়াখানার কর্মীরা প্রাণীদের পরিষ্কার করার জন্য হোসপাইপ ব্যবহার করছে যারা এখনো সেই পুরোনো খাঁচায় বাস করছে, যদি তাদের জন্য নতুন এক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।

তারা বরফের মাঝে থাকা একটি প্রাণীর উপর পানি ছিটাচ্ছে যা অনেকটা শূন্য ডিগ্রির নীচে জমে থাকার মত অবস্থা। এটাকে একটা রসিকতার মত মনে হতে পারে, কিন্তু তা নয়, নিচের ভিডিওতে বিষয়টি দেখুন:


ইউটিউবে এই ভিডিওটি প্রকাশ করেছে জুলিয়েটা গোডয়

মেরু ভাল্লুক আরটুরো নামক ফেসবুকের পাতা [স্প্যানিশ ভাষায়] এই নিয়ে অক্টোবর ২০১২ থেকে চলতে থাকা লড়াই-এর গল্প তুলে ধরেছে [স্প্যানিশ ভাষায়], এমনকি যদিও এখন পর্যন্ত কোন কিছুর পরিবর্তন ঘটেনি:

Y EMPEZÓ UN NUEVO AÑO … Y SIN EMBARGO , TODO SIGUE IGUAL 
Arturo sigue encerrado en su caja de cemento y pintura celeste .-

Empezamos esta lucha en Octubre de 2012 , ya van dos veces que levantamos las copas por él … y nada 

নতুন এক বছর শুরু হয়েছে…কিন্তু সকল কিছু আগের মতই আছে।
আরটুরো এখনো তার সেই সিমেন্টের ঘরে আবদ্ধ এবং আকাশী নীল রঙে আটকে আছে।

অক্টোবর ২০১২-এ আমরা এই লড়াই শুরু করেছিলাম, তার জন্য যথারীতি দুইবার আমরা আমাদের পানপাত্র (কণ্ঠস্বর) তুলে ধরেছি…কিন্তু কোন লাভ হয়নি।

এদিকে দুয়েন্দে ভিসুয়াল [স্প্যানিশ ভাষায়] কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানিয়েছে, প্রাণী অধিকার সংরক্ষণে আর্জেন্টিনা যেন পথিকৃৎ রাষ্ট্রে পরিণত হয়:

Podemos convertir a la Argentina en un país pionero en derechos animales, donde se pueda proteger como corresponde a las especies en vías de extinción, brindándoles a su vez un espacio donde poder vivir libres y felices, generando a su vez conciencia en la población, convirtiendo así a los animales en nuestros hermanos, no inculcándole a las nuevas generaciones que los animales son bienes o cosas.

আমরা আর্জেন্টিনাকে এমন এক রাষ্ট্রে পরিণত করতে পারি যে দেশটি প্রাণী অধিকার সংরক্ষণে এক পথিকৃৎ রাষ্ট্রে পরিণত হব, যেখানে বিপন্নপ্রায় প্রাণীগুলোকে সেভাবে সংরক্ষণ করা হবে যে ভাবে তা করা উচিত, আর তাদের চলাফেরার জন্য এমন এক স্থান দেওয়া হবে যেখানে তারা মুক্ত ভাবে এবং খুশী মনে চলাফেরা করতে পারে। জনতার মাধ্যমে আমরা সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারি, প্রাণীদের আমাদের ভ্রাতা ও ভগ্নিতে পরিণত করতে পারি, কেবল নতুন প্রজন্মকে এই বিশ্বাসের প্রতি সচেতন করা নয় যে প্রাণীরা কেবল পণ্য কিংবা বস্তু।

এই পরিস্থিতির বিষয়টি টুইটারেও প্রতিধ্বনিত হয়েছে, যেমনটা আমার সম্প্রতি করা এই দুই টুইটে তা দেখতে পাই:

মেনডোজা কর্তৃপক্ষ কেন এই বিষয়ে কিছু করছে না? তারা কি এই ভাল্লুকের মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছে? ভদ্রমহিলা এবং ভদ্রমহোদয়গণ এটা নিছক পরিস্থিতিকে উপেক্ষা করা।

http://t.co/aBNLRGeUN7 vía @todonoticias হে ঈশ্বর:তাদের উচিত প্রাণীটিকে মুক্ত করে দেওয়া, সে মারা যাচ্ছে!!!!!!!!!!!!!!

ছোট আকারের ছবিটি মেরু ভাল্লুক আরটুরো নামক ফেসবুক পাতা থেকে নেওয়া হয়েছে [স্প্যানিশ ভাষায়]।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .