বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

উরুগুয়েতে “তিমি এবং ডলফিনের জন্য নিরাপদ আশ্রয়” গড়ে উঠলো

Fotos de

@পাইপোউরুগুয়ে টুইটারে ছবিটি শেয়ার করেছেন।

[এই পোস্টের সব লিংক স্প্যানিশ ভাষায়]

সেপ্টেম্বর মাসে উরুগুয়ে ১৯.১২৮ আইন গ্রহণ করেছে। আর এই আইনের ফলে দেশটির জলসীমা “তিমি এবং ডলফিনের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল” হয়েছে। এই আইন শুধু সমুদ্রসীমার জন্যই নয়, উরুগুয়ের অর্থনৈতিক জোনের জন্যও প্রযোজ্য হবে। এখানেও তিমি কিংবা ডলফিন শিকার, অনুসন্ধান কিংবা ধরা কোনোটাই করা যাবে না। সব নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এই আইনের মাধ্যমে জ্যান্ত তিমি এবং ডলফিন পরিবহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তা উরুগুয়ের কিংবা বিদেশী পতাকাবাহী যে ধরনের জাহাজেই হোক না কেন। যারা এই আইন মেনে চলবে না, তাদের জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং চিকিৎসা কাজের জন্য এই আইনের বিধান শিথিল করা হয়েছে। তবে সেটা যথাযথ রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে করতে হবে। হয়রানি, আক্রান্ত এবং আক্রমণের ফলে তিমি কিংবা ডলফিন মারা গেলে এই আইনে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।

সংসদে সবাই আইনটি অনুমোদন দেন এবং সেপ্টেস্বরের ১৩ তারিখে রাষ্ট্রপতি জোসে মুজিকা অধ্যাদেশের মাধ্যমে এটিকে আইনে পরিণত করেন।

নতুন এই আইনের ফলে উরুগুয়ের জাতীয় জলজ সম্পদ পরিদপ্তর এবং পশুসম্পদ, মত্স্য এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের পুরোনো সংরক্ষণ নীতি আরো শক্তিশালী হলো। জাতীয় জলজ সম্পদ পরিদপ্তর পরিচালক ড্যানিয়েল গিলার্ডনি সরকারের প্রকাশনা প্রেসিডেন্সিয়ায় ঘোষণা দিয়েছেন, “আমাদের দেশে সবচে’ বড়ো হুমকি হলো সমুদ্র কুলে তিমি এবং ডলফিনের সাথে জাহাজের মধ্যেকার সংঘর্ষ”।
উরুগুয়ের জলজ এলাকায় তিমি এবং ডলফিনের নিরাপদ আশ্রয়স্থল করার ফলে উরুগুয়ে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে বলে উরুগুয়ের তিমি ব্লগে মন্তব্য করা হয়েছে। ব্লগের লেখাটির শিরোনাম হলো:“তিমি এবং ডলফিনের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল উরুগুয়ে: তিমি এবং ডলফিনদের আমার কাছে আসতে দিন”

এই আইন পাসের ফলে নেটিজেনরা খুশি হয়েছেন। তারা আইনটির স্বপক্ষে মন্তব্য করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই “তিমি এবং ডলফিনের নিরাপদ আশ্রয়স্থল” গড়ে উরুগুয়ে নতুন স্ট্যাটাস পেয়েছে বলে জানিয়েছেন।
গত বছর টুইটার ব্যবহারকারী জানা (@Piper_uy) এই বিল পাসের স্বপক্ষে জনমত গড়তে টুইট করেছিলেন:

উরুগুয়েতে তিমিদের নিরাপদ আশ্রয় গড়ার প্রতি সমর্থন জানাতে ক্লিক করুন।

সাংবাদিক লাউডেস ভিটাবার (@louvitabar) জানিয়েছেন, গত বছর অক্টোবর মাসে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা আইন পরিষদের সামনে জড়ো হয়েছিলেন:

সকাল ৯টায় মালডোনাডো এবং রোচা থেকে স্কুলের শিক্ষার্থীরা আইন পরিষদের সামনে এসে জড়ো হয়েছিল তিমির নিরাপদ আশ্রয় বিলের পক্ষে প্রচারণা চালাতে।

রিভেরা বিভাগের ন্যাশনাল পার্টির প্রতিনিধি জেরার্ডো আমারিলা(@GerardoAmarilla) এই বছরের মার্চে বিল পাস হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদের কথা জানান:

আজকে হাইজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভে তিমি এবং ডলফিনের নিরাপদ আশ্রয় আইন পাস হয়েছে। সিনেটে পাস হওয়ার পর এটি আইনে পরিণত হবে।

অ্যানিমেলস উইথআউট হোম (@ASHcomUY) সেপ্টেম্বরে আইনটি পাস হওয়ার খবর শুনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। একই সময়ে কলোনিয়া জেলায় তিমি মারা যাওয়ার খবর শুনে দু:খ প্রকাশ করেন:

তিমি এবং ডলফিনের জন্য নিরাপদ আশ্রয় গড়ার চমত্কার খবর শুনে আমরা উচ্ছ্বাস করলাম… http://t.co/DTtyd0hXVQ

উরুগুয়ের সামুদ্রিক ইকোসিস্টেম সম্পর্কে আরো আলোচনা জানতে অর্গানাইজেশন ফর ক্যাটাশিয়ান (ওওসি) এর ফেসবুক এবং টুইটার অ্যাকাউন্ট ফলো করতে পারেন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .