বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে মোবাইল যোগাযোগ এ্যাপস বন্ধের প্রস্তাব

বার্তা প্রেরণকারী অ্যাপস ভাইবার, হোয়াটসএ্যাপ, ট্যাঙ্গো, স্কাইপ এবং অন্যান্য ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রোটোকল ভিত্তিক কথা বলা ও বার্তা পাঠানোর অ্যাপ্লিকেশনগুলো পাকিস্তানে সিন্ধু প্রদেশের সরকার তিন মাসের জন্য বন্ধ রাখতে একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। পরিকল্পনাটিকে কর্মকর্তারা “প্রদেশটিতে, বিশেষকরে শহরাঞ্চলে সন্ত্রাস এবং অপরাধ কর্মকাণ্ড রহিতকরণ” হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন।

৪ অক্টোবর, ২০১৩ তারিখ রোজ বুধবারে, করাচি শহরের দক্ষিণাঞ্চলের বন্দর নগরীতে সিন্ধু প্রদেশের তথ্যমন্ত্রী শারজিল মেমন এই খবরটি একটি প্রেস কনফারেন্সে জানিয়েছেন। ইসলামাবাদের ফেডারেল সরকারের কাছ থেকে একটি অনুমোদন পাবার জন্য সিন্ধু সরকার অপেক্ষা করছে।

Mobile Social Applications. Image from Flickr by Nurudin Jauhar

মোবাইলের সামাজিক অ্যাপ্লিকেশন। ফ্লিকার থেকে নুরুদ্দিন জাউহারির ছবি। সিসি বাই-এসএ 

পাকিস্তানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সেবার ওপর নিষেধাজ্ঞা এটিই প্রথম নয়। প্রায় এক বছরের বেশি সময়ের জন্য ইউটিউব নিষিদ্ধ ছিল এবং বেশ কয়েকটি উপলক্ষকে কেন্দ্র করে ফেসবুক বন্ধ করে রাখা হয়েছিল।    

বার্তা প্রেরণকারী এ্যাপসের ওপর প্রস্তাবিত নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংস্থা এবং সক্রিয় কর্মীরা প্রতিবাদ জানিয়েছে। তাঁরা এটিকে মৌলিক অধিকার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আরেকটি বাঁধা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। বোলো ভি নামের একটি উপদেষ্টা, নীতি এবং অলাভজনক গবেষণা প্রতিষ্ঠান তৎক্ষণাৎ একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেঃ

এটি নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন। এর মাধ্যমে সরকার স্বীকার করে নিয়েছে যে তাঁরা পরিকল্পনাহীনভাবে যোগাযোগ ছিন্ন করন অবলম্বন করে আইন ও শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। প্রবেশাধিকার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য কোন হুমকি হওয়া উচিৎ নয়।

নাগরিকদের অধিকারের ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিবর্তে শহরটিতে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নের ওপর সরকারের গুরুত্ব দিতে হবে। প্রবেশাধিকার ও যোগাযোগের মতো নাগরিকদের মৌলিক অধিকারগুলোতে ছাড় দেয়া ছাড়াও আরো দক্ষ অন্যান্য সব পদ্ধতি রয়েছে।

ইন্টারনেটবাসীরা খুব দ্রুতই টুইটারে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। লেখিকা ফাতিমা ভুট্টো (@এফভুট্টো) টুইট করেছেনঃ

তাঁদেরকে কোন বুদ্ধি দেবেন না “@মাসুদিম @এফভুট্টো সিন্ধুতে অক্সিজেনের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করুন না কেন?”  

উসামা বিন নাসার (@উবিননাসার) কৌতুক করে বলেছেনঃ 

অতএব #সিন্ধু – তে হোয়াটসএ্যাপ এবং ভাইবার বন্ধ করা হচ্ছে। কারন সন্ত্রাসীরা এটিকে ব্যবহার করছে। তাঁরা যেহেতু এই বিছানাগুলোতে ঘুমায়, তাই এরপরে কোনটি বন্ধ হবে?

ফাইজান লাখানি (@ফাইজানলাখানি) সন্দেহ প্রকাশ করেছেন যে পাকিস্তান টেলিযোগাযোগ কর্তৃপক্ষ হয়তোবা এর অনুমোদন দেবে না:

বিভিন্ন কারনে সিন্ধু সরকারের স্কাইপ, ভাইবার, হোয়াটসএ্যাপ এবং ট্যাঙ্গো বন্ধ করার সুপারিশ হয়তোবা পিটিএ আমলে নিবে না।

ইমরান আলী (@ইমরানআলীওয়াট্টু) জনগণকে উপদেশ দিয়েছেন প্রস্তাবিত নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে কি করে সর্বাত্মকভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো যায়ঃ

আবেগতারিত হয়ে যাওয়ায় আমরা যেকোন কিছু নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলি #সিন্ধু

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .