বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

‘আর কখনোই নয়': ৪০ বছরে চিলির মানুষজনের অভ্যুত্থানের ইতিহাস ফিরে দেখা

Bombing of La Moneda, September 11, 1973. Image from Wikimedia Commons under Creative Commons license CC BY 3.0 CL

১৯৭৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বরে লা মনেদায় বোমা বর্ষণের দৃশ্য। ছবি নেয়া হয়েছে উইকিমিডিয়া থেকে, ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স সিসি বিওয়াই ৩.০ সিএল-এর আওতায়।

আজ থেকে ৪০ বছর আগে, এই দিনে চিলির সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট সালভাদর আলেন্দেকে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে উৎখাত করা হয়। অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আগাস্তো পিনোচেট। তারপর থেকে ১৭ বছরের সামরিক শাসনের সূচনা হয় সেখানে।

সামরিক অভ্যুত্থানের ৪০ বছর এবং গণতন্ত্র ফিরে পাবার ২৩ বছর পরে চিলির নাগরিকরা সামরিক অভ্যুত্থানের প্রতিক্রিয়া নিয়ে এবং সেটার সাথে পুনর্মিত্রতার ব্যাপার নিয়ে বিভক্ত!

ব্লগার ক্যামিলা ২০১৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বরে সামরিক অভ্যুত্থানের বার্ষিকীতে মিডিয়া কাভারেজ নিয়ে একটি বিশ্লেষণ করেন:

¿Como vamos a olvidar y dar vuelta la página, si cada año los medios de comunicación nos bombardean con información negativa? Acepto que hay que avanzar, acepto que la violencia de nada sirve, acepto que lo sucedido fue culpa de ambos sectores políticos por diferentes factores conjugados, pero NO acepto los comentarios irrespetuosos y sin análisis del corte de “Olviden el tema y punto”. Hay muchos factores en juego. Un poco de respeto por las víctimas de el genocidio que vivimos hace años atrás. Podremos recién avanzar y olvidar cuando seamos una sociedad unida de verdad que busque develar la verdad y prestar un hombro a aquellos que hoy sufren por el vacío que ha dejado la partida de uno de sus seres queridos, pero mientras sigamos estando en esos polos de “Sin perdón ni olvido” y “Olviden luego” sin prestarnos ayuda seguiremos siendo unasociedad dividida y estancada.

প্রতিবছর মিডিয়া যদি নেতিবাচক তথ্য দেয়, তাহলে আমরা জানি না ব্যাপারটা কীভাবে ভুলে যাবো, কীভাবে সেটা বন্ধ করে দিবো? আমি একমত যে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। আমিও মনে করি খামোখাই ঝগড়া-বিবাদ করা হচ্ছে। আমি এটাও মনে করি দুই রাজনৈতিক পক্ষের ভুলের জন্যই এমনটি হয়েছে। তবে কোনো বিশ্লেষণ ছাড়াই “ভুলে যাও, ব্যস” এই ধরনের ফালতু মন্তব্য আমি মেনে নিতে পারবো না। এখানে অনেক ধরনের বিষয় রয়েছে। যারা অভ্যুত্থানের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার তাদের প্রতি সামান্য হলেও শ্রদ্ধা দেখানো উচিত। কেন না, কিছুদিন আগেও আমরা এই জীবন যাপন করে এসেছি। আমরা সবকিছু ভুলে তখনই সামনের দিকে যেতে পারবো যখন আমরা সত্যিকার অর্থেই একত্রিত হয়ে সত্যি-টা উন্মোচন করতে পারবো। তা না হলে আমরা “ক্ষমা ছাড়া ভুলে যাওয়া নয়’, “ইতোমধ্যে ভুলে গেছি”র মতো বিতর্কে আটকে থাকবো। যা থেকে কেউ-ই লাভবান হবে না।

টুইটারে ক্যামিলা জি আরিয়াগাদা একমত হয়েছেন যে, দেশের একতার জন্য কাজ করা উচিত:

আমি “ক্ষমা ছাড়া ভুলে যাওয়া নয়” শব্দবন্ধের সাথে একমত। আমি মনে করি, ৪০ বছর পরে দেশের একতার জন্য আমাদের কাজ করা উচিত।

তবে তেরেসা কুইরিনো পুনর্মিত্রতার আগে অপরাধের বিচার দাবি করেছেন:

যদি বিচারই না হয়, তাহলে কোনো ধরনের পুনর্মিত্রতা হতে পারে না! ইতোমধ্যে এটার ৪০ বছর পেরিয়ে গেছে। এখন অনেক মানুষ বেঁচে আছেন, যারা ১১ সেপ্টেম্বর থেকে অপরাধ করেও কোনো শাস্তি পান নি।।

এরমধ্যে টুইট করেছেন পিলাওঅ্যান্ড্রু। তিনি তার টুইটে লিখেছেন, অভ্যুত্থানের কিছু আগে কী ঘটনা ঘটেছিল, সেটাও বিবেচনায় নিতে হবে:

ইতিহাস নিয়ে কথা বলতে গেলে শুধু এটাই জানা যথেষ্ট নয় ৪০ বছর আগে কী হয়েছিল… এর সামান্য আগে কী ঘটেছিল সেটাও জানা দরকার।

ফিলিপ আবালোসের মতো আগাস্তো পিনোচেটের কিছু সমর্থক অন্য একটি বিষয় শেয়ার করেছেন:

৪০ বছর আগে, আজকের দিনে শ্রেণী ঘৃণার বিরুদ্ধে স্বাধীনতার বিজয় হয়েছিল। আমি এজন্য প্রেসিডেন্ট পিনোচেটকে ধন্যবাদ দিচ্ছি।

আরো অনেকের মতো টুইটার ব্যবহারকারী @মে_গ্রোনডানা চিলির সকল নাগরিককে ১৯৭৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের মতো সামরিক অভ্যুত্থান যেন না ঘটে নিশ্চিত করার আহবান জানিয়েছেন:

৪০ বছর পরে আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মদের ঘৃণা ছাড়া কোন স্মৃতি উপহার দিবো! তাই এই ধরনের ভয়ানক ঘটনা যেন আর না ঘটে এজন্য আমাদের কিছু করা উচিত।

এল মুন্ডো সাইগি আহি-তে (এখনো শব্দেরা যেখানে রয়েছে) ব্লগার রবার্টো আরানসিবিয়া অভ্যুত্থান নিয়ে তার প্রতিক্রিয়া লিখেছেন। সে সময়ে তিনি ১৭ বছর বয়সী ছাত্র ছিলেন। অভ্যুত্থানের ৪০তম বার্ষিকীতে তিনি সেই সময়ের অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন:

Los medios nos inundan de resúmenes y programas especiales, los protagonistas de la historia entregan sus declaraciones, reconocimientos y verdades a medias. Algunos piden perdón. Algunos lo celebran, otros lo lamentan. Otros sólo “conmemoran”. Y los que quedamos, los que vivimos todo esto, de este lado y del otro, somos los testigos de un período difícil, somos un par de generaciones marcadas por la fecha, por la figura del General y todo su entorno. Generación X. Con 13 años de toque de queda metidos en el cuerpo, en la adolescencia, en la adultez. Y entremedio gente que desaparecía, profesores, amigos o parientes.

মিডিয়া নানা অনুষ্ঠান দিয়ে আমাদের বশ করে রেখেছে। ইতিহাসবেত্তারা তাদের ধারাভাষ্য দিচ্ছেন। তারা সবাই ঘটনা মেনে নিয়ে অর্ধ সত্যটা বলছেন। কিছু মানুষ বলছেন ক্ষমা করে দিতে। কিছু মানুষ বিষয়টি উদযাপন করছেন। কিছু মানুষ আবার শোক পালন করছেন। অন্যরা একে স্মরণীয় করে রেখেছেন। আমাদের মধ্যে যারা বামপন্থী, যারা এর মধ্যে দিয়ে গেছেন, তারা এবং অন্যরা যারা ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী তাদের জন্য সময়টা বড্ড যন্ত্রণার। তার সবকিছু নিয়ে, সাধারণ মানুষের মধ্যে তার প্রতিচ্ছবি নিয়ে আমরা কয়েক প্রজন্ম দিনটাকে পালন করে থাকি। প্রজন্ম এক্স। আমাদের শরীরে, আমাদের বেড়ে ওঠার দিনগুলিতে ১৩ বছরের কার্ফিউর দাগ লেগে আছে। আর এর মধ্যে পরিবার, বন্ধু, শিক্ষক, অধ্যাপক ও আরো মানুষেরা হারিয়ে গেছে।

আরানসিবিয়া উপসংহার টেনে বলেন:

Pero somos sobrevivientes, lo que no es poco. Y nadie, de verdad, nadie salió ileso.

Dejar los rencores, enseñar a respetar, tratar de entender el dolor y dar un abrazo a quien lo necesite. Sobre todo dejar de negarlo. No permitir que suceda de nuevo.

¿Será ese el camino? ¿Quién necesita venganzas? ¿Podremos superarlo?
Sobre todo, nunca más.

তবে আমরা যারা বেঁচে আছি, এটা তাদের কাছে সামান্য জিনিষ নয়। এবং কেউ-ই সত্যি কথা বলতে কি, আঘাত ছাড়া ওই সময়টা পার হতে পারেন নি।

ঘৃণাবোধকে পিছনে ফেলে রেখে সবাইকে শ্রদ্ধশীলতার শিক্ষা দিতে হবে। সবাইকে বুঝতে চেষ্টা করতে হবে সেই সময়কার যন্ত্রণাবোধকে। যার দরকার তার জন্য হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। উপরে বলা প্রত্যাখানের সংস্কৃতি বন্ধ করে দিতে হবে। এটাকে আবার হতে দেয়া যাবে না।

এইটা কী পথ? কার প্রতিশোধ দরকার? আমরা কি এটা দূর করতে পারবো? উপরের কোনোটিই আর কখনো হবে না।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .