বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

কাফ্রানবেল থেকে: তিন মিনিটে সিরিয়া বিপ্লব

এই পোস্টটি সিরিয়া আনটোল্ড (অব্যক্ত সিরিয়া) ব্লগেও একইসাথে প্রকাশিত হয়েছে

গত মার্চ ২০১১ সালে সিরিয়ানরা যখন রাস্তায় অবস্থান নিতে শুরু করে, তখন শাসক সমর্থক সহযোগী সন্ত্রাসীদের সবচেয়ে সাধারণ হুমকি ছিল “এ ঘটনা সিরিয়াকে ১০০ বছর পিছিয়ে নিবে”। সিরিয়ানদের কাছে এটি শীঘ্রই একটি তামাশায় পরিণত হয়েছে। তাঁরা বারবার বলেছে, শাসক গোষ্ঠী বিরোধীদের প্রতিটি ফরমের দমনে তাদের সামরিক ও প্রচার যন্ত্র ব্যবহার করছে। এ অবস্থায় আশেপাশের বিধ্বংস অবস্থা দেখে বিদ্রোহীরা এখন বলছে, “আমরা প্রস্তর যুগে ফিরে যাচ্ছি”।

Photo taken from the Banners from Occupied Kafranbel facebook page

ছবিটি “ব্যানারস ফর অকুপাইড কাফ্রানবেল” ফেসবুক পাতা থেকে নেওয়া হয়েছে।

সিরিয়া বিদ্রূপ অতীতের মধ্যে পিষ্ট হয়ে উঠছে যখন এটি ভবিষ্যতে উত্থানের জন্য লড়াই করছে। সেখানে তাঁরা বিশ্বকে একটি শক্তিশালী বার্তা পাঠাতে চায় যে, কাফ্রানবেলের (ইডলিব) জনগণ স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচারের প্রচলন ঘটাবে।

অনলাইনে একটি তিন মিনিটের ভিডিও প্রকাশ হবার পরেই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, সিরিয়ার বিদ্রোহের বিবর্তন দেখাতে কাফ্রানবেল শহরের লোকজন প্রস্তরযুগের পোষাক পড়েছে। বন্দুক এবং ​​রাইফেল ধারী একটি গ্রুপ, যারা হয়তো হঠাৎ আক্রমন করবে এরকম অবস্থায় কিছু প্রস্তর মানব প্রতিবাদ জানাতে হাতে অপূর্ণাঙ্গ ব্যানার ধরে রেখেছে। আক্রমণটি ধীরে ধীরে গোলা এবং বোমাবর্ষণে পরিণত হয়। আরো প্রতিবাদকারী তাদের গুহা থেকে বেরিয়ে আসছে, কয়েক জন দর্শক বসে আছে এবং তা দেখছে। দর্শকের শুধুমাত্র তখনই প্রতিক্রিয়া দেখায় যখন আক্রমণকারীরা অন্যদের উপর এক বোতল গ্যাস স্প্রে ব্যবহার করে। দর্শকরা ক্রুদ্ধ হয়ে সেই বোতলটি ছবি থেকে মুছে ফেলার দাবি জানায়। ভিডিওটি নিম্নলিখিত বার্তা দিয়ে শেষ হয়:

মৃত্যু হচ্ছে মৃত্যু, যেটি নির্বিশেষে সম্পন্ন করার একটি পথ। আসাদ ১,৫০,০০০ জনেরও বেশি লোক হত্যা করেছে। তাকে থামাও।

 

 

এই ভিডিওটির মাধ্যমে কাফ্রানবেল আবারও সিরিয়া প্রতিরোধের একটি শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে উঠে এসেছে। বিপ্লবী অনুভূতি ও সচেতনতা প্রকাশে সৃজনশীলতা এবং জ্ঞানের উৎসে রূপান্তরিত হওয়ার পরে আজ সম্ভবত এটি সিরিয়ার সবচেয়ে বিখ্যাত শহর হয়ে উঠেছে। এই ভাবে কাফ্রানবেলে আসাদ এর নিপীড়ন এবং তাদের বিপ্লব হাইজ্যাক করার প্রচেষ্টা উভয় বিষয়টি আগের চেয়ে অনেক বেশি বিরোধিতা করে আসছে।  

সারা বিশ্ব সিরিয়ার সাম্প্রতিক ইতিহাস উপেক্ষা করে, কিন্তু বিশ্বের বাকি অংশ কীভাবে তাদের দেখে তাঁর উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে – প্রস্তরযুগের অসভ্যদের মত করে, যার কথা এখন উত্পাতে পরিণত হয়েছে – ভিডিওটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কপটতা তুলে ধরেছে, যারা রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের উপর সর্বচ্চো নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কিন্তু তাঁরা ১,৫০,০০০ মানুষের হত্যাকাণ্ড এবং সাড়া দেশ এবং এই অঞ্চলকে বিশৃঙ্খলার উপর রাখাকে সমর্থন করে।

ভূ কথোপকথন যেহেতু সামরিক দিক এবং প্রক্সি যুদ্ধের উপর গুরুত্ব দেয়, সেহেতু সিরিয়বাসীদের এবং তৃণমূলের কথা শোনা আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই কণ্ঠ অভ্যন্তরে, কাফ্রানবেল এখন স্বব্যবস্থাপনা এবং প্রতিরোধের একটি শক্তিশালী প্রতীক হয়ে উঠেছে। তাই সিরিয়ার বাস্তবতা ভাল করে বোঝার জন্য অব্যক্ত সিরিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হতে পারে।

এই পোস্টটি সিরিয়া আনটোল্ড (অব্যক্ত সিরিয়া) ব্লগেও একইসাথে প্রকাশিত হয়েছে

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .