বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

আওয়ামিয়াতে অভিযানের সময় বাসা এবং গাড়ি জ্বালিয়ে দিল সৌদি নিরাপত্তা বাহিনী

সৌদি নিরাপত্তা বাহিনী আজ [৩০ জুলাই] কাতিফে আব্বাস আল-মাজরাকে গ্রেপ্তারের জন্য আওয়ামিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়েছে। ২০১১ সালের তথাকথিত আরব বসন্তের প্রারম্ভে বিক্ষোভে অংশগ্রহণের জন্য সরকার যে ২৩ জন ব্যক্তির একটি তালিকা করে সেখানে আল-মাজরার নাম ছিল। গ্রেপ্তার অভিযানটি ভোর ৫ টা ৪৫ মিনিট থেকে বেলা ২ টা পর্যন্ত চলে।

বাহিনীটি আল-মাজরার বাড়িতে ভারী গুলি বর্ষণের মাধ্যমে অভিযান চালায়, যা একটি আগুন জ্বালানোর মধ্য দিয়ে শুরু হয়। এর ফলে বাড়ি এবং গাড়ির আশেপাশে সব পুড়ে যায়। প্রতিবেশী কিছু অফিসও এতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। টুইটার ব্যবহারকারীদের অনুযায়ী, দমকলকর্মীরা প্রায় দুই ঘন্টার বেশি সময় ধরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেছে।

ইউটিউবে আপলোড করা এই ভিডিওটি অভিযানের পরবর্তীকালের ক্ষয়ক্ষতির দৃশ্য দেখায়:

আব্বাস আল-মাজারা সহ তার ছয় ভাইকে গ্রেফতার করা হয়।

ডাঃ রিমা এই টুইটটি শেয়ার [আরবী ভাষায়] করেছেন:

তারা তার ঘর ও গাড়ী এবং তার আয়ের উৎস জ্বালিয়ে দেয়। এছাড়াও তার ভাইকে বেঁধে রাখে এবং আব্বাস আল-মাজারাকে গ্রেপ্তার করে।

এটি আরও রিপোর্ট করেছে যে, আল-মাজারার মা, চাচী ও বোনকেও আওয়ামিয়া পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তাদের কিছুক্ষণ আটকে রাখার পর মুক্তি দেওয়া হয়।

আবাসিক এলাকায় ইচ্ছামত ফায়ার করার জন্য নিরাপত্তা বাহিনীর এটি প্রথম আক্রমণ নয়। গত মাসে, তারা কাতিফে আলী আল-মাহ্রুস এবং মরসি আল-রেবাহকে হত্যা করে

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, সরকারী সংবাদ সংস্থা স্পা [আরবী ভাষায়] আব্বাস আল-মাজারা এবং অন্য আটটি পুরুষদের মাদক পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত করে এবং এ কারণে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

অন্যান্য অভিযুক্তদের মধ্যে যে ২৩ জন ব্যক্তিকে বিশৃঙ্খলা এবং দাঙ্গার জন্য দায়ী করা হয় এবং কর্তৃপক্ষ তাঁদেরকে নিজেদের হাতে তুলে দিতে বলে। তাদের অনেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং দাবি করেন যে তাদের একমাত্র অপরাধ হচ্ছে শান্তিপূর্ণভাবে অধিকার আদায়ের জন্য প্রতিবাদ করা । মুসলিম শিয়া উপদল হিসাবে সম্মুখীন হওয়া এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে কাতিফের অধিবাসিরা অভিযোগ করেছেন। কিন্তু সরকার এই ধরণের বৈষম্যের কথা অস্বীকার করেছে।

গত মার্চ ২০১১ থেকে অন্তত ২০ জন নিরাপত্তা বাহিনী কর্তৃক পূর্ব প্রদেশে নিহত এবং ৮৫০ জন গ্রেফতার হয়েছে। এখনও প্রায় ১৯০ জন রয়েছে কারাগারে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .