বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

আমেরিকার রাজনৈতিক পদ্ধতির সমালোচনায় চীনের ডেইলি পিপলস পত্রিকা

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মুখপাত্র পত্রিকা দ্য পিপলস ডেইলি তাদের “অসৎ আমেরিকান” – এর ধারাবাহিকটিকে সতেজ করে তুলেছে। এই ধারাবাহিকটি  “প্রকৃত আমেরিকানদের একটি বাস্তব চিত্র” তুলে ধরার দাবি করে আমেরিকার রাজনৈতিক পদ্ধতিকে প্রচন্ড আঘাত হানতে আরো একটি পদক্ষেপ নিয়ে আবারো চমকে দিয়েছে।

“আমেরিকান রাজনৈতিক পঙ্গুত্ব হচ্ছে এর রাজনৈতিক পদ্ধতিরই ফলাফল” শিরোনামে দ্য পিপলস ডেইলি ২৭ জুন, ২০১৩ তারিখে একটি খবর প্রকাশ করে। খবরটি বিতর্ক করে বলছে দুই-দল পদ্ধতিটি মোটেই ফলদায়ক নয় এবং তা অনেক সমস্যা সমাধানের বাধাঃ

富有的政治献金者对竞选施加了太多影响,国会中的政党领袖在立法和分配重要委员会职位的过程中拥有过多权力。不满的情绪正在扩散,改变的诉求正在发声,美国急需政治改革。

সম্পদশালীদের কাছ থেকে রাজনৈতিক অনুদান নেওয়ায় নির্বাচনে মারাত্বক প্রভাব ফেলে। প্রধান প্রধান কমিটির পদে এবং বন্টন বিধিতে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের হাতে অনেক বেশি ক্ষমতা থাকে। এতে করে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ছে এবং পরিবর্তন চাওয়া হচ্ছে, তাই যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সংস্কার প্রয়োজন।

খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পরপরই এটি তুলে নেওয়া হয় এবং বেইজিং নিউজ ও ইফেং নিউজ খবরটি সিনা ওয়েইবো – তে শেয়ার করে। এতে ইন্টারনেটবাসীদের মাঝে ঠাট্টার উদ্রেক ঘটে।

“পুডলবিবি” মন্তব্য [মান্দারিন] করেছেনঃ

A screenshot of the People's Daily's piece: American Political Paralysis Is the Result of its Political System

পিপলস ডেইলি পাতার স্ক্রিনশটঃ রাজনৈতিক পদ্ধতির কারণে আমেরিকার রাজনীতি পঙ্গু হয়ে গেছে 

跟朝鲜的国民教育宣传片很一致

এটি উত্তর কোরিয়ার সমর্থন লাভের জন্য সংঘবদ্ধ প্রচারকার্যের মতোই।

অর্থ বিষয়ক আইনজীবী ব্যঙ্গ করে [মান্দারিন] লিখেছেনঃ

美国都瘫痪了,怎么老婆儿女还往美国跑,财产还往美国移?

যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট পঙ্গু হয়ে যেয়ে থাকে, তবে লোকেদের স্ত্রী ও ছেলেমেয়েরা এখনও কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী হওয়ার চেষ্টা করে ? লোকেরা কেন তাদের সম্পদ সেখানে পাচার করে ?

“জাইশুইফাং ফেংলিংচাই” ইঙ্গিত করে [মান্দারিন] বলেছেন, চীনের উচিৎ নিজেদের রাজনৈতিক সমস্যাগুলো খুঁজে বের করাঃ

文章讲的是事实。世上没有没有完美的体制,只有相对优化,相对利于生产力和社会发展的体制。美国人值得我们学习的地方在于,承认自己不完美,容忍对不完美的批评,并逐步改善它。

খবরটি সত্যি কথাই বলেছে। তথাপি কোন পদ্ধতিই নির্ভুল নয়। শুধুমাত্র যেটি উৎপাদনক্ষমতা ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য সহায়ক, সেটিই তুলনামুলকভাবে ভালো। আমরা আমেরিকানদের কাছ থেকে যা শিখতে পারি তা হলো তাঁরা বুঝতে পেরেছে যে পদ্ধতিটি নির্ভুল নয়, তাঁরা সমালোচনা সহ্য করে নেয় এবং সেটাকে উন্নত করার চেষ্টা করে।

বিভিন্ন সমাজে রাজনৈতিক পঙ্গুত্ব বলতে কি বোঝায়, তা সমালোচক ঝু কি ব্যাখ্যা [মান্দারিন] করার চেষ্টা করে বলেছেনঃ

美国不存在瘫痪的问题,在中国人的观念中,国家瘫痪了,好像一切都不行了。在美国,国家即政府,政府瘫痪了,社会自治还在运转,整个政治和经济体系照样在正常运行。但在中国,社会是附属于国家的,国家完了,意味着一切都瘫痪了。

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পঙ্গুত্বে কোন সমস্যা নেই। চীনাদের ধারণায়, যদি রাষ্ট্র পঙ্গু হয়ে যায় তবে সবকিছু কাজ করে না। যেভাবেই হোক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকারই রাষ্ট্র। যদি সরকার অকার্যকর হয়ে যায় তবে সমাজ কাজ করতে শুরু করে। সমগ্র রাজনৈতিক এবং অর্থনইতিক ব্যবস্থা তখনও কাজ করে যায়। কিন্তু চীনে, সমাজ রাষ্ট্রের একটি অংশ। যদি রাষ্ট্র শেষ হয়ে যায় তবে সবকিছুই পঙ্গু হয়ে যায়।

বেশীরভাগ চীনা ইন্টারনেটবাসী আবিষ্কার করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে চীনেই রাজনৈতিক সংস্কার বেশি প্রয়োজন। “ঝাং ছুনই” লিখেছেন [মান্দারিন]:

任何体制都会有缺陷。美国需要改革, 中国更需要!如果人民日报和人民网在与我们分享批判其他国家的制度缺陷的同时,也能勇于批判我们自己的问题,那么应该能得到更多的尊重。媒体的独立和客观是其存在的基础

যেকোন পদ্ধতিই থাকবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংস্কার প্রয়োজন, এমনকি চীনের আরো বেশি প্রয়োজন! আমাদের সাথে অন্য দেশের সমস্যা নিয়ে শেয়ার করার সময় আমাদের নিজেদের ব্যবস্থার ভুলগুলো নিয়ে সমালোচনার সাহস যদি দ্য পিপলস ডেইলির থাকতো, তবে তাঁরা আরো বেশি সম্মানিত হতো। প্রচার মাধ্যমের স্বাধীনতা ও প্রতিবাদ এর অস্তিত্বের মূল ভিত্তি।

“কায়িন সেনলিন_জেটি৭” একই আবেগ প্রতিধ্বনিত করেছেনঃ

美国政治瘫痪言过其实,但是两党竞选中确有很多弊病,为了当选迎合选民说大话,实际做不到,选战花费巨大,尽管是捐款不是政府的钱……人民日报可以呼吁人家政治改革,但很可笑的是不敢呼吁本国的政治改革!

মার্কিন রাজনৈতিক পঙ্গুত্বের কথা বাড়িয়ে বলা হয়েছে, যদিও দুই-দল ব্যবস্থার প্রচারে অনেক সমস্যা রয়েছে। ভোটারদের খুশী করতে প্রার্থীরা দম্ভ পূর্ণ উক্তি করে এবং এমন সব কথা বলে যা অর্জন করা অসম্ভব। এসব প্রচারাভিযানের খরচ অনেক বেশি, এমনকি যদিও তা সরকারী টাকা নয়…… পিপলস অন্য একটি দেশের রাজনৈতিক সংস্কার চায়, কিন্তু অবাক করার বিষয় যে তাঁরা নিজ দেশের রাজনৈতিক সংস্কার চাইতে সাহস পায় না!

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .