বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

প্যালেস্টাইন: আরাফাতের মৃত্যু উদঘাটনের প্রশ্ন নিয়ে তথ্যচিত্র

২০১২ সালের ৩রা জুলাই খবরের চ্যানেল আল জাজিরা ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাতের রহস্যজনক মৃত্যু উদঘাটন নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রচার করেছে। ২০০৪ সালের ১১ই নভেম্বর প্যারিসে তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং ঐ তথ্যচিত্রে বলা হয়েছে যে স্বাভাবিকভাবে নয়, আরাফাত পোলনিয়ামের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন

এই তথ্যচিত্র প্রকাশের আগে ও পরে, অনেক ফিলিস্তিনি টুইটার ব্যবহারকারী এ সম্পর্কিত প্রমাণ নিয়ে তাদের চিন্তাভাবনা ও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। অধিকাংশই আরাফাতকে বিষ প্রয়োগ করার অভিযোগে বিস্মিত হন নি, অনেকেই কিছু একটাকে নির্দেশ করেছেন। যাহোক, অভিযোগের নতুন ব্যাখ্যা হল পোলনিয়াম ব্যবহার।

২০০১ সালের জানুয়ারিতে দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামে ইয়াসির আরাফাত। ছবি রেমি স্টেইনেগারের সৌজন্যে (CC BY-SA 2.0).


টুইটার ব্যবহারকারী দিস ইজ গাজা টুইটবার্তায় বলেছেঃ

দিসইজগাজা@:الجزيرة تكشف حقائق جديدة عن وفاة عرفات عثر تحقيق للجزيرة استمر تسعة أشهر على مستويات عالية من مادة البولونيوم السام في مقتنيات للرئيس عرفات
নয় মাস তদন্ত করে প্রেসিডেন্ট আরাফাতের [মৃত] দেহে বিষাক্ত পোলনিয়ামের অস্তিত্ব পেয়ে আল জাজিরা আরাফাতের মৃত্যু নতুন করে উদঘাটন করেছে।

এবং আমি বলেছিঃ

@ওলানান: هلأ الكل يتساءل عن الجديد الذي قدمه وثائقي الجزيرة ‘والشعب كله كان عارف انو مات مسموم’. الجديد هو الادلة المادية.. بالأول كان اشاعات فقط!
সবাই ভাবছে আল জাজিরার তথ্যচিত্রে নতুন কি তথ্য দেয়া হয়েছে, যখন পুরো জাতি জানল যে প্রেসিডেন্টকে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল। নতুন প্রমাণটি কি, যা আগে কেবল গুজব ছিল।

অনেক ফিলিস্তিনিরই প্রশ্ন তথ্যচিত্রটি এখন কেন প্রচারিত হচ্ছে, এবং এর ব্যাখ্যা হিসেবে ষড়যন্ত্রকে বোঝানো হচ্ছে। টুইটার ব্যবহারকারী মজিদ বলেনঃ

@majds: قمة الوقاحة: ان يتواطؤا ل 8 سنوات باخفاء حقيقة اغتيال الشهيد ياسر عرفات، وبعدها عندما يأتي من يكشف الحقائق بمهنية، يقولون له: توقيتك مشبوه!!
ইয়াসির আরাফাতকে হত্যার জন্য আট বছর ধরে যারা ষড়যন্ত্র করেছিল সত্য অনুসন্ধানকারীদের উদ্দেশ্যে তাদের “সন্দেহপ্রবণতা” বিরক্তিকর।

ইয়াসির আরাফাতের সমাধি। ছবি মেরি-ক্যাথরিন রিমের সৌজন্যে (CC BY-NC 2.0).

নূর আবেদ আল জাজিরা ও এর মাধ্যম সম্পর্কে তার বিরূপ মনোভাব লুকাননি, কিন্তু তিনি তথ্যচিত্রটির জন্য প্রশংসা করেছেনঃ

নূরগাজা@: كلنا يعلم أن قناة الجزيرة كغيرها مجرد إعلام موجه له أسبابه وأهدافه وراء كل طرح جديد, ولكن هذا لا ينفي أنها كشفت معلومات جديدة عن موت ‎‫#عرفات‬!
আমরা সবাই জানি যে অন্য যে কোন চ্যানেলের মত আল জাজিরারও এক এজেন্ডা আছে, যার প্রত্যেক কর্মকান্ডের পেছনে কোন না কোন কারণ ও লক্ষ্য রয়েছে, কিন্তু আরাফাতের মৃত্যু নিয়ে সেটি যা প্রকাশ করেছে তাকে আপনি উপেক্ষা করতে পারবেন না।

ডায়না আলজির আরো উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছেনঃ

@মানারারাম: আমি পরবর্তী যে প্রশ্নের উত্তরের অপেক্ষায় আছি তা হল “কে আরাফাতকে হত্যা করেছে?”

ইসমায়েল মোহাসেন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ করে টুইট বার্তা করেছেনঃ

ইসমায়েলফেডেল@: لا زلنا بإنتظار تعليق من السلطة..! خصوصاً وأن الوثائقى أشار ببعض أصابع حتى ولو بشكل غير مُباشر! هناك أشخاص متورطين، لا شك فى ذلك! ‎‪#Arafat‬
আমরা এখনো ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মন্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছি। বিশেষ করে তথ্যচিত্রটি নির্দিষ্ট কয়েকজনের জড়িত থাকার কথা নির্দেশ করেছে। তাতে কোন সন্দেহ নেই!

একই সুরে, রামি খারিস টুইটবার্তায় বলেছেনঃ

আবুএলরিম@: أهم ضربة للسلطة الفلسطينية بخلاف طلب سهى استخراج جثة زوجها للتحقق من التسمّم، هو إشارة التقرير أن أي تحقيق لم يجر منذ وفاته.
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কা হল – স্বামীর বিষক্রিয়ার উপর সুহা আরাফাতের তদন্তের অনুরোধের পরে – প্রতিবেদন পাওয়া যায় যে তার মৃত্যুর পর কোন [সরকারি] তদন্ত হয় নি।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রতি ইয়াসির আরাফাতের বিধবা স্ত্রী সুহা আরাফাতের তার মৃত স্বামীর দেহ উত্তোলন করে তদন্তের অনুরোধ দ্বারা তথ্যচিত্রটি শেষ হয়। প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এক বিবৃতিতে বলেন যে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ আরাফাতের দেহবশেষ কেন উত্তোলন করা হবে না তার কোন “কারণ দেখে নি”। পরবর্তীতে কি হবে তা দেখার জন্য আমরা অপেক্ষায় রয়েছি।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .