বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ভিডিও: ইরাকীদের পুনর্বাসনে সাহায্য করছে ইরাকী উদ্বাস্তু সহায়তা প্রকল্প

ইরাকী উদ্বাস্তু সহায়তা প্রকল্প (ইরাপ) পুনর্বাসনের কাগজপত্রের জন্যে আইনী দীর্ঘসূত্রিতার কারনে অপেক্ষারত ইরাকীদের সাহায্যের চেষ্টা করছে।

এই ভিডিও ধারাবাহিকটিতে উদ্বাস্তুদের গল্প বলা হয়েছে এবং ইরাপ পলিসি এডভোকেসির মাধ্যমে উদ্বাস্তুদের কীভাবে আইনী প্রতিনিধিত্ব এবং পুনর্বাসিত হওয়ার পর তাদের সাহায্য করছে সেটা দেখানো হয়েছে।

পরবর্তী দু’টি ভিডিওতে এখলা এবং তার শিশুদের গল্পগুলো বলে ব্যাখ্যা করা হয়েছে কেন তাদের ইরাক ছেড়ে অন্যত্র পুনর্বাসন চাইতে হয়েছে। তারা মনে করেন এর অন্যতম প্রধান দু’টি কারণ মৃত্যুর হুমকি এবং শিশুদের স্বাস্থ্য সমস্যা যুদ্ধের ফলে সৃষ্টি হয়েছে।

একাধারে মহিলা এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘু হওয়ায় জামানের হয়রানি এবং সেই সাথে তার পুরো পরিবারের উপর নেমে আসা সহিংসতাই তাদের চলে যাওয়ার কারণ। তারা পুনর্বাসন দীর্ঘসূত্রিতায় আম্মানে ৫বছর আটকা পড়েছিলেন: স্বাভাবিক জীবন যাপনের অনুমতি পাওয়ার একটি সিদ্ধান্তের জন্যে অপেক্ষা করে কাজ বা পড়াশোনা করতে পারেনি, ৬ জনের পরিবারটিকে একটিমাত্র শয়ন কক্ষ এবং একটি হলওয়েতে তাদের দিন কাটাতে হয়েছে।

মুস্তাফা চান কেবল তার জীবনটি চালিয়ে নিতে। উদ্বাস্তু হিসেবে তিনি ভয় পান যে ফিরে গেলে তাকে হত্যা করা হবে। তাই তিনি তার ভাই এবং দুই বন্ধুর সঙ্গে জর্দানে বসবাস করতে থাকেন। বৈধভাবে কাজ করতে অসমর্থ তিনি আশা করেন তাদের দিন সময় দ্রুত কেটে যাবে: কথা বলে, টিভি দেখে আর খাবার তৈরী করে খেতে খেতে এবং খাদ্যদ্রব্য কেনার জন্যে বাজারের চেয়ে বেশি দূরে না গিয়ে। শিয়া মুসলমান এবং উদ্বাস্তু হিসাবে তিনি দুইবার যে দেশে বৈষম্যের শিকার হয়েছেন সেই দেশ চায় তারা দেশ ছাড়ুক আর তারা নিজেরা চান প্রত্যাবাসিত হতে।

এইসব গল্পের কিছু কিছু আবার আনন্দের সঙ্গেই শেষ হয়েছে: ইব্রাহিম এবং মুস্তাফা উভয়ের পরিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সফলভাবে পুনর্বাসিত হয়েছে। তবে জামান এবং তার পরিবারের বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ইরাকী উদ্বাস্তু যারা পুনর্বাসন চাইছেন তাদের আইনী প্রতিনিধিত্ব এবং পলিসি এডভোকেসি এবং যারা পুনর্বাসিত তাদের সাহায্য করার উদ্দেশ্যে ইয়েল আইন স্কুলের স্নাতক ছাত্ররা ইরাকী উদ্বাস্তু সহায়তা প্রকল্পটি শুরু করে। এই মানবিক সঙ্কট মোকাবেলা প্রচেষ্টার সঙ্গে আরো আটটি আইনের স্কুল এবং বিভিন্ন ছাত্র, আইনজীবি এবং সমর্থনকারীসহ শত স্বেচ্ছাসেবী যোগদান করেছেন।

মানুষ যেন দান নয়তো স্বেচ্ছাসেবার মাধ্যমে তাদের প্রচেষ্টার সঙ্গে যোগ দিতে পারে সে জন্যে ইরাপ বিভিন্ন উপায় দেখিয়ে দিচ্ছে। তাদের ওয়েবসাইটে এ সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .