আমাদের এই পোস্ট আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিশেষ কভারেজ এর অংশ।
গত বছর ইজরায়েলে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা নিয়ে তুমুল আন্দোলন হয়। সে সময়ে রাষ্ট্রের বাজেটে কোন খাত প্রাধান্য পাবে তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উঠেছিল। সামাজিক ন্যায়বিচার আন্দোলনে (এটি #জে১৪ নামেও পরিচিত) ইজরায়েলের সম্পদ বন্টনে সমতা আনার জোর দাবি জানানো হয়। সেখানে জনগণের কল্যাণ খাতে যেমন, বাড়িভাড়ায় ভর্তুকি, বিনামূল্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবায় বাজেটের বেশি অংশ বরাদ্দ চাওয়া হয়। বর্তমান বাজেটে সামরিক খাত প্রাধান্য পেয়েছে। এবং সবসময় এই খাতে বরাদ্দ বাড়ছে।
ব্লগার তমার ইজরায়েলি [হিব্রু ভাষায়] অনেক #জে১৪ প্রতিবাদকারীদের সাথে যুক্তির ব্যাখ্যা শেয়ার করেন:
জনগণ যেখানে তাদের চাহিদা মেটাতেই হিমশিম খাচ্ছে, প্রতিদিনই ঘাটতি বেড়ে যাচ্ছে, আবার যথাযথ সেবাও পাচ্ছে না সেখানে বর্তমান সরকার তাদের ওপর উচ্চ কর ধার্য করেছে। সরকারের উচ্চ কর হারের তীব্র সমালোচনা করে ব্লগার জিভ টার্নার [হিব্রু ভাষায়] বলেন:

সামরিক বাজেটের কার্টুন। এঁকেছেন আমিতাই স্যান্ডি। অনুমতি নিয়ে ব্যবহার করা হয়েছে। লেখা ডানে থেকে বামে। এ- আপনি, বি-আমাকে, সি- পরবর্তী যুদ্ধ।
টিমনা অ্যাক্সেল +৯৭২ ম্যাগাজিনের একটি ব্লগে সামরিক বাজেট এবং প্যালেস্টাইন অঞ্চল দখল ইজরায়েলের সামাজিক বৈষম্যের ওপর কী রকম প্রভাব ফেলছে, তা নিয়ে আলোচনা করেছেন:
এরপর সেখানে বাজেটে সামাজিক খাতের ব্যয়সমূহ ব্যাপকভাবে কমানো হয়। দ্বিতীয় ইন্তিফাদার সময় এটা ছিল ইজরায়েলি টাকায় ৬৫ বিলিয়ন। একই সময়ে সামরিক বাজেট বৃদ্ধি পেয়েছিল ইজরায়েলি টাকায় ১৫ বিলিয়ন। সন্তান ভাতা, দারিদ্র্যের দোহাই দিয়ে বেকার ভাতা কেটে নেয় সরকার। একই সঙ্গে সরকারের আয় দিয়ে যুদ্ধের খরচ জোগানো হয়, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ওপর তীব্র আঘাত হানে। ১৯৮০ সালেও তারা এটা করেছিল। অর্থনীতিবিদ মমি দাহান একটি রিপোর্টের উদ্ধৃতি দিয়ে লিখেছেন, “অন্যান্য উন্নত দেশের চেয়ে ইজরায়েলের দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণ গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে দেখলে জিডিপির ৭ শতাংশ সামরিক খাতে ব্যয়ের বিষয়টি কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। অথচ অন্যান্য উন্নত দেশে এই ব্যয়ের পরিমাণ গড়ে ১.৫ শতাংশ।”
অন্যদিকে ব্লগার ইউভাল রন [হিব্রু ভাষায়] প্যালেস্টাইনের অধিকৃত ভূমি সমস্যার নিষ্পত্তির সাথে সামরিক বাজেট কমার একটি রাস্তা দেখতে পেয়েছেন। তিনি লিখেছেন:
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং নিরাপত্তা ইস্যুতে বিশ্ববাসী নাগরিক কণ্ঠস্বর খোঁজার অভিপ্রায়ে ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল (আইএসসি) এই পোস্ট এবং স্প্যানিশ, আরবি এবং ফরাসি ভাষায় এর অনুবাদ অনুমোদন দিয়েছে। এই পোস্ট প্রথম প্রকাশিত হয় আইএসএন ব্লগে। এ ধরনের আরো লেখা দেখুন এখানে।





