বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

এল সালভাদরঃ ওম্যান অফ দি ওয়্যার নামক তথ্যচিত্র শান্তি এবং ন্যায়বিচার-এর জন্য উৎসর্গকৃত

ওম্যান অফ দি ওয়ার নামক তথ্যচিত্রের একটি ক্রাউডফান্ডিং প্রচারণা সেই সমস্ত নারীদের কাহিনী তুলে এনেছে, যারা সালভাদরের গৃহযুদ্ধে (১৯৮০- ১৯৯২) অংশ নিয়েছিল এবং এখন তারা শান্তি, সাম্য এবং ন্যায়বিচারের দাবীতে নিজ নিজ সম্প্রদায়ের নেতৃত্ব প্রদান করছে।

ইন্ডিগোগো-এর মাধ্যমে, লিয়ন ম্যাকক্রেকেন এবং থিওডোরা সিমন, ওম্যান অফ ওয়্যার-এর জন্য আংশিক অনুদান সংগ্রহ করেছেন, যে অর্থ কিনা একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য তথ্যচিত্র নির্মাণে প্রয়োজন, যার মধ্যে ২৮ জন নারীর কাহিনী থাকবে, এই বিষয়ে একটি ছবি রচনা (ফটো এসে) প্রকাশ করা হয়েছে এবং এই বিষয়ে এল এলসালভাদর ও যুক্তরাষ্ট্রে ফটোগ্রাফি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। যতদুর জানা গেছে, ঐ বিশেষ সাইট থেকে ১২,০০০ ডলারে অর্জনের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, ইতোমধ্যে সেখান থেকে ৪,০০০ ডলার অর্জিত হয়েছে, এবং এখানে অর্থ দান করার জন্য নাগরিকদের হাতে এখনো এক মাসের মত সময় রয়েছে।

এই টিজার ভিডিও, নমুনা হিসাবে বেশ কয়েকজন নারীকে তুলে ধরেছে, যারা তাদের টিকে থাকার বা গৃহযুদ্ধে নিজেদের সক্রিয় অংশগ্রহণের কাহিনী উপস্থাপন করেছে।

http://vimeo.com/40620429

দি ভয়েস অন দি বর্ডার নামক ব্লগ এই তথ্যচিত্র প্রকল্প সম্বন্ধে লিখেছে, যার মধ্যে এই সমস্ত নারীদের নিজের ভাষায় বলা নিজেদের কাহিনী অর্ন্তভুক্ত রয়েছে। গৃহযুদ্ধের মারিয়া ইয়ালান্ডো গার্সিয়া ভিজিল ঘর থেকে পালিয়ে যায় এবং সে ১৯৭০ থেকে ৮০-এর দশকে গৃহযুদ্ধের সময় সরকারি বাহিনীর হাতে তার পরিবারে সদস্যদের অত্যাচার এবং খুন হবার প্রত্যক্ষদর্শী। বর্তমানে সে সম্প্রদায়ের নেত্রী হিসেবে কাজ করছে, বর্তমানে সে নারীদের নিয়ে কাজ করছে এবং এখন সে পৌরসভার নির্বাচিত সদস্যা:

আমি মনে করি আমরা নারীদের জন্য কিছু অর্জন করেছি। হয়ত সেখানে এমন কিছু জায়গা আছে যে সব জায়গার জন্য তা সত্য নয়, কিন্তু আমাদের সম্প্রদায়ের জন্য এই বিষয়টি সত্য। এখানে মেয়েরা নানান কাজে অংশগ্রহণ করে। এখানে নারীরা অত্যন্ত সক্রিয়। আর আজ তারা অনেক বেশী সচেতন। এর লক্ষ্য হচ্ছে নারীর ক্ষমতায়ন এবং যেন তারা কাজে, সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষেত্রে নিজদের সমান অনুভব করে। আমি মনে করি সম্প্রদায় হিসেবে আমরা অনেক কিছু অর্জন করেছি।

আমার ন্যায়বিচারে পক্ষে, এবং এখনো তা অর্জিত হয়নি। ন্যায় বিচার এখনো সাধিত হয়নি। কাজে আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। আমাদের সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে, কারণ এটা একটা মিথ্যা যে এখানে যা কিছু ঘটে তা কেবল ঘটে যায়, অথবা তা ঘটে কারণ এখনকার প্রভাবশালী নাগরিকরা তা চান বলে। এই প্রচেষ্টার শুরু হতে হবে সাধারণ নাগরিকদের মাঝে থেকেই।

ইনডি গো-গো সাইটের তাজা সংবাদ প্রদান করতে থাকা পাতায়, থিওডোরা সিমন এই প্রকল্প শেষ করার গুরুত্বের বিষয়ে লিখেছে এবং তা সে এল সালভাদরের নাগরিকদের সামনে তুলে ধরেছে:

A través de un documental largo-metraje, exposiciones fotográficas en los EEUU y El Salvador, y un libro, queremos contar las historias inspiradoras de estas mujeres, y compartir su dedicación y esperanza con el mundo. Mujeres, especialmente mujeres pobres, de color y campesinas, no tienen donde hacer escuchar su voz, una manera de compartir sus experiencias y sabiduría con el mundo. Esperamos que Mujeres de la Guerra será esta oportunidad, y estamos comprometidas a compartir esta obra con audiencias estadounidenses y salvadoreñas con trabajo binacional y bilingüe.

একটি দীর্ঘ আকারের তথ্যচিত্রের মধ্য দিয়ে, যুক্তরাষ্ট্র এবং এল সালভাদরের ছবি প্রদর্শনী এবং একটি বইয়ের মাধ্যমে , আমরা এই সমস্ত নারীদের প্রেরণাদায়ক কাহিনী আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই, তাদের ত্যাগ এবং বিশ্বের কাছে তাদের আশার কথাগুলো। নারী, বিশেষ করে দরিদ্র কৃষক রমণী যার গায়ের রঙ সাদা নয়, কণ্ঠস্বর তুলে ধরার জন্য তাদের কোন জায়গা নেই, যার মধ্যে দিয়ে তারা তাদের অভিজ্ঞতা এবং প্রজ্ঞা পৃথিবীর সামনে তুলে ধরতে পারে। আমরা আশা করি যে ওম্যান অফ দি ওয়্যার এই সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং আমরা একটি দ্বি-জাতি এবং দ্বি ভাষিক কাজের মাধ্যমে এই কাজটি যুক্তরাষ্ট্র এবং সালভাদরের শ্রোতাদের সামনে তুলে ধরতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
Women of the War photograph by Lyn McCracken

ওম্যান অফ দি ওয়ার-এর জেনি, ছবি ম্যাকক্রেকেন-এর।

এই প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত অনুদানের সকল টাকা ওম্যান অফ দি ওয়্যার-এক বাস্তবতা নামক তথ্যচিত্র নির্মাণের কাজে ব্যায় হবে। এই কাজের উদ্দেশ্য অনুদানের জন্য তৈরী পাতায় গিয়ে অনুদান থেকে করা যাবে, যেখানে সবসময় তাজা সংবাদ প্রদান করে যাওয়া হচ্ছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .