বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

চীন: আল জাজিরার বেইজিং সংবাদদাতাকে বহিষ্কার

৮ই মে,২০১২ তারিখে আল জাজিরা ইংরেজির বেইজিং সংবাদদাতা মেলিসসা চ্যাং এর লিখিত প্রেস বিবৃতিটি চীনা সরকার বাতিল করে দেয়। ফলে বেইজিং -এ আল জাজিরা ইংরেজির অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনাটি চীনে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার অবনতি বলে চিহ্নিত হয়েছে, আর এর আগে কোন একজন বিদেশি সংবাদদাতার বহিষ্কারের ঘটনাটি একদশক আগে, ১৯৯৮ সালে ঘটেছিল।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হং লেই এই বহিষ্কার সম্পর্কে খুব সামান্যই  ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন, কিন্তু অনলাইনে ধারণা করা হচ্ছে যে আল জাজিরার ২০১১ সালে তৈরি করা তথ্যচিত্র “দাসত্বঃ ২১শতকের একটি পাপ”, “চীনের শ্রম পুনঃ-প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা খুবই সংকটপূর্ণ”, অথবা তথাকথিত “রাষ্ট্র পরিচালিত দাসত্ব”, এবং এই তথ্যচিত্রে চীনের শ্রমের মূল্যহ্রাস করা কারাগার-এর দৃশ্য গোপনে ধারণ কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। যদিও মেলিসা চান এই তথ্যচিত্র নির্মাণের সাথে জড়িত ছিলেন না।

মেলিসা চান, ঝেজিয়াং প্রদেশে অবৈধভাবে ভূমি অধিগ্রহণের উপর একটি সংবাদ প্রদান করছেন। এফএমএন-এর মাধ্যমে

মেলিসা চান, ঝেজিয়াং প্রদেশে অবৈধভাবে ভূমি অধিগ্রহণের উপর একটি সংবাদ প্রদান করছেন। এফএমএন-এর মাধ্যমে

আইজ্যাক স্টোন ফিস, যিনি চীনের বিদেশি সংবাদদাতাদের ক্লাব এর বোর্ডে চানের-এর সাথে কাজ করেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন যে, চীনা ঐতিহ্যের কারণে চীনা সরকার চ্যাং কে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে:

কিন্তু বিগত দশকের  ধরে বিদেশী সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা এই সমস্যা মূলক পরিবেশের মাঝেও চান খাপ খেপে গিয়েছিলঃ তাদের মাঝেও, যাদের প্রতি চীনা সরকার কম নিরাপত্তামূলক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে তাদের জাতিগত এবং জাতীয়তার কারণে; যাদের ইতিহাস প্রায়শই চীনের সাথে যুক্ত। দৃশ্যত মনে হচ্ছে যে চীনা সরকারের কেউ একজন সাংবাদিকদের সতর্কবাণী দিতে চেয়েছিলেন কোন আন্তর্জাতিক ঘটনার অবতারণা ছাড়াই; চান একজন চীনা-আমেরিকান যিনি একটি কাতার ভিত্তিক টেলিভিশন স্টেশন এর জন্যে কাজ করছে, সে চীন সরকারে জন্য একটি যথাযথ লক্ষ্যবস্তু। সরকারে চিন্তা থেকে মনে হচ্ছিল যে বিদেশি সরকারগুলো সেই সমস্ত প্রতি নাগরিকের দুর্ব্যবহারের জন্যে আরও উচ্চস্বরে প্রতিবাদ করবে, যার জন্ম এবং বেড়ে উঠা উভয়ই নিজের দেশে এবং কোন দেশী কোম্পানির জন্যে কাজ করে।

ভিক্টর ইয়াং আরও উল্লেখ করেন যে  চান  যখন চীনের অন্ধকার কারাগারের উপর তাঁর প্রতিবেদন  তৈরি করছিলেন, তখন  একটি দৃশ্যে প্রহরীরা  চানকে “বিশ্বাসঘাতক” বলে অভিহিত করেন। চায়না গিকস এ ব্লগার চার্লি কাস্তার  খুবই হতাশ :

@ মেলিসাচান-এর বহিষ্কারাদেশ কাপুরুষোচিত,শিশুসুলভ এবং মর্মস্পর্শী……যা আমরা শুধুমাত্র চীনা সরকারের কাছ থেকে প্রত্যাশা করি।

চীন ভিত্তিক বিদেশি সাংবাদিকেরা চীনা সরকারের  মনোভাব সম্পর্কে গম্ভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ক্যাথলিন ম্যাকলাফলিন টুইটারে লিখেছেন:

 @ মেলিসাচানকে চলে যেতে দেখে আমি দুঃখিত, আমি আশা করি এই বিষয়টি ভিসা প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করে বিদেশী প্রচার মাধ্যমের উপর চীনের বড় মাপের সেন্সর  প্রচেষ্টাকে স্পষ্ট করবে।

মার্ক ম্যাককইনন স্পষ্ট করেছেন যে বিদেশি সাংবাদিকদের পরিণতিতে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে জড়ানো হয়েছে:

চীনে কাজ করা সাংবাদিকদের প্রদান করা  মিথ্যা স্বাধীনতার বিষয়টি মেলিসার ঘটনার তুলনায় অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ অথবা চীন ভিত্তিক যেকোনো  বিদেশি প্রতিনিধির পেশার চেয়ে। যা কিনা বাইরে বিশ্বের দেশসমুহের (ইতোমধ্যে যা খুব সামান্য প্রদর্শিত হয়েছে) কেবল একটি আতঙ্কজনক অতি ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের উত্থানের  উপলব্ধি নয়, একই সাথে চীনের ভেতরের সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ-কে উপলব্ধি করা।  চীনা সাংবাদিকরা আমাকে বলে যে তারা বিদেশি প্রতিনিধিদের ঈর্ষার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করে, আশা করি তারা তাদের নিজ দেশ সম্পর্কে অবাধে প্রতিবেদন করতে পারে যেমনটা আমরা করতে পারি। আমাদের সংগ্রাম আমাদের কাজের সাথে তাদের কাজের পরিবেশের জন্য তাদের সংগ্রাম জড়িত।

চীনা ব্লগস্ফেয়ার-এর মাঝে এই বিষয় নিয়ে তুলনামূলক কম আলোচনা হয়েছে। সিনা ওয়েবোতে, লাও রঙ ঘটনার এক তাজা সংবাদ প্রদান করেছে [চীনা ভাষায়] এবং এই বিষয়টি কিছু আলোচনার সূত্রপাত ঘটাতে সক্ষম হয়:

@毛聊:“半岛”怎说也是第三世界媒体,不依附西方媒体,这样都容不下,何以服第三世界。

@毛聊:আল জাজিরা  তৃতীয় বিশ্বের একটি গণ মাধ্যম এবং এটি পশ্চিমা গণ মাধ্যম থেকে স্বাধীন। যদি চীন তাদেকে এদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করতে না দেয় তাহলে আমরা কি ভাবে তৃতীয় বিশ্বকে পরিচালনা করব।  ?

@看看看看1:因为敢于报道事实而失业的记者,恐怕只有中国吧。被中国驱逐的记者,应该得到重用才是

@看看看看 সারা বিশ্বের মাঝে কেবল চীনের সাংবাদিকরা তাদের চাকুরী হারায় কারণ তারা সত্যকে তুলে ধরতে উৎসাহী। চীন যে সমস্ত সাংবাদিকদের বহিষ্কার করেছে তারা উত্তম চাকুরীর সুযোগ পাবার যোগ্য,

@nurundini:在对中国政府的报道中,半岛应该是几个大的新闻媒介中较客观的,某些西方媒体甚至批评半岛亲共。当然,美联社就不会出现现在这种情况。

@নুরুদ্দিনি:  চীনা সরকারের নীতির বিষয়ে সংবাদ প্রদানের বেলায় অন্য যে কোন প্রচার মাধ্যমের চেয়ে আল জাজিরা আরো বেশী বস্তুনিষ্ঠ। এমনকি অনেক পশ্চিমা প্রচার-মাধ্যম তাদের কমিউনিস্ট-পন্থী হবার কারণে সমালোচনা করে থাকে।

赵佑诚:谷歌也不想离开,还不是离开了,呵呵

赵佑诚:গুগল চীন ত্যাগ করতে চায়নি, কিন্তু শেষে তাকে চলে যেতে হয়েছে.

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .