বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ভারত: যে ‘অভ্যুত্থান'টি কখনো হয়নি

গতকাল (৪ঠা এপ্রিল, ২০১২) দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস একটি নিবন্ধে একটি অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার উল্লেখ করা হয় যাতে ১৬-১৭ জানুয়ারি তারিখ রাতে দু’টি প্রধান সেনা ইউনিট সরকারকে না জানিয়ে দিকে দিল্লির দিকে রওনা হয়েছিল। সরকার থেকে সাধারণ মানুষ সবাই ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সামনের পৃষ্ঠার গল্পটি নাকচ করে দিয়েছে এবং টুইটার ব্যবহারকারীরা বিশ্লেষণে যোগ দিয়েছেন।

সেনা চলাচলের সময়টির সাথে সেনাবাহিনী প্রধান ভি কে সিং-এর সুপ্রিম কোর্টে তার জন্মতারিখ সংক্রান্ত একটি পিটিশনের তারিখ (কাকতালীয়ভাবে) মিলে যায়। অন্য দিকে সেনাবাহিনী বলেছে যে কুয়াশা প্রস্তুতি পরীক্ষার জন্যে এটি একটি নিয়মিত অনুশীলন ছিল

ভারতীয় সেনাবাহিনীর জওয়ানরা সামরিক যুদ্ধ অনুশীলনের সময় একটি দো-নলা জেডইউ২৩ বন্দুক চালিয়ে দেখছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর জওয়ানরা সামরিক যুদ্ধ অনুশীলনের সময় একটি দো-নলা জেডইউ২৩ বন্দুক চালিয়ে দেখছে। সঞ্জীব সিয়ালের ছবি। সর্বস্বত্ত্ব ডেমোটিক্স (২৯/৫/২০১১)

হরিণী ক্যালামুর  লিখেছেন:

হয়তো ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সম্পাদক সেই নেকড়ে বাঘ এবং বালকের গল্পটি পরীক্ষা করে দেখতে চেয়েছিলেন… অথবা তাদের সমস্ত ক্যালেন্ডার হ্যাকড হয়ে গিয়েছিল এবং তাদের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থার ঘড়িটি এপ্রিলের ১ম তারিখ। হয়ত কৌতূহলটি অন্যরকম হয়ে গিয়েছিল… এবং  হয়তো তারা ভেবেছিল যে টেরা নিয়ে …. এবং হয়তো তারা স্কুপ (scoop) বানানটিকে এস’ক্যু (s’coup) ভেবেছিল। অথবা হয়তো তারা সামাজিক ও মূলধারার মিডিয়ার কিছু প্রচার পাবেন ভেবে নিজেরাই গল্প হয়ে গিয়েছিলেন।

স্যানস সেরিফ  মত দিয়েছেন:

পুরাতন প্রবাদ যেমন বলে কখনো কোন গল্প বিশ্বাস করবেন না যতক্ষণ না আনুষ্ঠানিকভাবে এটা অস্বীকার করা হয়।

তারপরও (ইন্ডিয়ান) এক্সপ্রেসের স্কুপের গল্পটি লুকানো বা অজানা কিছু বিষয়ের উপর আলো ফেলেছে; পূর্বে প্রকাশিত বিষয়ের পুনরাবৃত্তি; অথবা বিদায়ী সেনাবাহিনী প্রধান এবং “কর্তৃপক্ষ”-এর মধ্যে বাকযুদ্ধে বন্যার মতো বেরিয়ে আসা ফুটো এবং ষড়যন্ত্রগুলোর পশ্চাৎপটে শুধুই কী দিল্লিওয়ালা কথার “ঘূর্ণি”?

এখানে গল্পটির উপর করা কিছু টুইট রয়েছে:

@বিনুজর্জ: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের ‘সামরিক অ**ন প্রচেষ্টা’ গল্পটি মজাদার। শেখর গুপ্তের মতো লোকের অনেক খ্যাতি আছে।

@আতিশমাথুর: সামরিক অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার জন্যে ভারত গণতান্ত্রিকভাবে একটু বেশি নিরীহ প্রকৃতির!!

@স্প্রেরোজ: শেখর গুপ্ত মনে করে সাধারণ জ্ঞান খুবই অসাধারণ… তাই জনগণ তার সেনাবাহিনীর ২টি ইউনিটের #ক্যু-তে ভারত দখলের গল্প লুফে নিবে

@স্মোকএনলেস: ভারতীয়রা টুইটার বার্তাগুলো বিশ্ব দখল করে নিয়েছে! আলোচিত বিষয়ে অন্তর্ভুক্ত: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, শেখর গুপ্ত, সুভাষ কিছু … আরো কতো কী?

@আনিশপারিখ০৭: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস তার বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে! এর ছাপাও বন্ধ করে দেয়া যেতে পারে! #ক্যু

@স্ম্রুতিরঞ্জনসা৯: ভারতীয় সেনাবাহিনী থেকে অভ্যুত্থানের ভয়…. দু:খিত পৃথিবী… গণতন্ত্র ভারতের মাটির গভীরে প্রোথিত… ভারতের তৈরী না হলেও….. 🙂

@মাহিগুপ্তা: # থিংসনটটুডুইনপাবলিক সামরিক অভ্যুত্থানের গল্প ভারতে আপনার সংবাদপত্রের সামনের পাতায় ছাপুন… আঘাত গল্প প্রকাশ .. সাধারণ মানুষের সচেতনতা সম্পর্কে না জেনে।

@গৌরবসাবনিস: ইয়ো ভারত… এখনো ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর তার কাজটি, অর্থাৎ রিপোর্টিং করার জন্যে মন খারাপ করে আছেন?

একর্ণ-এর নিতিন পাই নয়াদিল্লির দিকে দু্টি সেনা ইউনিটের অস্বাভাবিক যাত্রার বিশ্লেষণ করতে চেষ্টা করেছেন:

অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন দু’টি। প্রথমত, দুটি কেন সামরিক সংগঠন কেন বাহ্যত অস্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করেছে?  দ্বিতীয়ত, কেন সরকার এই রিপোর্টটি আদৌ প্রকাশ করতে দিলো এবং তা এখনি কেন?

ব্লগার ধারণা করেন যে রিপোর্ট প্রকাশিত হতে দেওয়া হয় “আমাদের গণতান্ত্রিক কাঠামোর প্রতি সামান্যতম ঝুঁকি সম্পর্কেও জনগণকে জানিয়ে রাখার জন্য”।

ইতোমধ্যে একটি ঘোষণার মাধ্যমে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এটি তাদের প্রতিবেদনটির পক্ষ নিয়েছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .