বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ফিলিস্তিন: গাজা আবার আক্রান্ত

৯ মার্চ সারারাত এবং ১০ মার্চ, ২০১২ সকাল পর্যন্ত গাজা ভূখণ্ড জুড়ে ইজরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলোর আক্রমণে অন্তত ১২ জন নাগরিক মারা যায় এবং ২০ জন আহত হয়।

৯ মার্চ বিকালে গাজা শহরের উপর একটি ইজরায়েলি আক্রমণে সহকারী আবু আহমদ হানানিসহ গণপ্রতিরোধ কমিটির(পিআরসি) মহাসচিব যুহের আল-কায়সি নিহত হন। হানানি মূলত নাবলুসের বাসিন্দা হলেও কয়েক মাস আগে তিনি একটি বন্দী-বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে মুক্তি পেয়ে গাজায় নির্বাসিত হন।

এর প্রতিশোধ হিসেবে গাজা ভূখণ্ডের ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গ্রুপগুলো ইজরায়েলে রকেট ছুঁড়লেও, তাতে কেউ হতাহত হয়নি। ইজরায়েল ফিরে এসেআবার তীব্র বিমান করে গাজা ভূখ- কাঁপিয়ে দেয়। এত সর্বমোট ১২ জন শহীদ হন। মা‘ন সংবাদ সংস্থা তাদের মুহাম্মদ আল-ঘামরি,ফায়িক সাদ, মুয়াতাসিম হাজ্জাজ, উবেইদ ঘারাবলি, মুহাম্মদ হারারাহ, হাজিম কুরেইকি, সাদি সায়কালি, জুহেইর আল-কায়সি,মাহমুদ হানানি, মুহাম্মদ মাঘারি, মাহমুদ নাজিম এবং আহমদ হাজ্জাজ বলে সনাক্ত করেছে। কোন কোন রিপোর্ট এখন বলছে যে ১৫জন মারা গেছেন।

গাজা শহরে ইজরায়েলি যুদ্ধ জেটের বোমাবর্ষণ। ছবি পাঠিয়েছেন টুইটার ব্যবহারকারী @জার্নিটুগাজা।

গাজার নেট নাগরিকরা টুইটারে এই আক্রমণের জবাব দিয়েছেন:

@মাথমুসলেহ:এখন পর্যন্ত গাজায় ১৫ জন খুন হয়েছেন। চিন্তার কিছু নেই, এরা তো ফিলিস্তিনি! #গাজাআন্ডারএটাক

@এক্টোমোরফো:গাজার মানুষের জন্য প্রার্থনা করুন। কোন আলো নেই, সামান্য ওষধ নেই, নেই কোন গ্যাস। আর এখন চারপাশ থেকে তারা বোমা বর্ষণ করছে #ইজরায়েল#গাজাআন্ডারএটাক

@ওমর_গাজা:১৮ মিনিট ধরে কোন বিস্ফোরণ নেই! সতর্ক নীরবতা? এটা কি শেষ? অথবা আমি কি আমার দম বন্ধ করে রাখবো? #গাজাম্যাসাকার #গাজাআন্ডারএটাক

@নাজলাশাওয়া:আমি জানি না এখনো কিভাবে আমি উচ্চকিতভাবে টাইপ করে চলছি! #গাজাআন্ডারএটাক

@আইএমনাদযেড:#গাজায় স্বাগতম। যেখানে সূর্যকিরণ হল বিস্ফোরণ। আর পাখি হচ্ছে এফ-সিক্সটিন (যুদ্ধবিমান)।

এই আক্রমণটি এসেছে আঞ্চলিক এবং রাজনৈতিক সমঝোতা পরিবর্তনের সময়। গত সপ্তাহে ইরানের সাথে একটি মার্কিন-ইজরায়েলি যুদ্ধের সম্ভাবনা বেড়ে যাওয়ার সময় দুই শীর্ষ হামাস কর্মকর্তা ঘোষণা করেছে যে ইজরায়েলি আক্রমণ হলে হামাস জড়িত হবে না এবং ইরানকে সমর্থন দিবে না। এ ছাড়াও হামাস আসাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে সিরীয় জনগণের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .