বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইরান: কারাগারে অন্ত্যরীণ একজনের বিস্তারিত বর্ণনার চিঠি “বেদনার নীল আকাশ”

ডঃ মেহেদি খাজালি ইরানের কারাগারে আটক এক ব্লগার, প্রকাশক এবং সরকারের সমালোচক, যিনি এই মাসে কারাগার থেকে একটি চিঠি লিখেছেন [ফারসী ভাষায়], “বেদনার নীল আকাশ”,নাম দিয়ে যা জেলের ভেতর ঘটা অন্যায়ের ব্যাপারে একেবারে সরাসরি তার নিজের অভিজ্ঞতা, যেখানে কারাবন্দীরা অত্যাচার এবং কারাগারের স্বেচ্ছাচারী আচরণের কারণে মৃত্যুর মুখে পতিত হয়।

এক সময় খাজালির কন্যা ( ছবিতে দেখুন ) এবং তার স্ত্রীকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল।

মেহেদি খাজলির চিঠি তার ব্যক্তিগত ব্লগে প্রকাশ করা হয়েছে (কয়েকজন একটিভিস্ট তাদের ব্লগ এবং ফেসবুক একাউন্টে প্রবেশাধিকার হারানোর আগে তার পাসওয়ার্ড অন্যদের দিয়ে দিয়েছে)।

এতে তিনি লিখেছেন:

কন্যার সাথে ডঃ খাজালি

একজন ব্যাক্তিকে এক ভুয়া এবং কেবল এক অর্ধেক বাক্যের জন্য মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়। আমি আমার নিজের চোখে যা দেখতে পাচ্ছি তা হচ্ছে বিপ্লবী আদালতে কারাবন্দীদের কোন অধিকার নেই। অনেকের আইনগত ভাবে লড়াই করার অধিকার নেই, যারা নিজদের রক্ষা করতে সক্ষম তাদের কারোর নিজের ফাইল পড়ার অধিকার নেই…এমন কি আদালতের আদেশের উপর বাধ্যতামূলকভাবে স্বাক্ষর করার আগে কারোর তা পড়ার অধিকার নেই।

ব্লগার এর সাথে যোগ করেছে:

আমার কক্ষে বাস করা তিন কারাবন্দীকে মাত্র দুই মিনিটের এক শুনানিতে ১৭ বছরের জেল প্রদান করা হয়েছে। এখন এদের মধ্যে একজন দশ দিন ধরে অনশন ধর্মঘট পালন করে যাচ্ছে… জেলের মধ্যে তিনজন খ্রিস্টান কারাবন্দীও রয়েছে, বিশ্বাসের কারণে তাদের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

খাজালি বলছেন, যে সমস্ত কারাবন্দী ১৯৮৮ সালের গণহারে প্রদান করা মৃত্যুদণ্ডের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে তারা এবং তার সাথে কারাগারে থাকা বন্দীরা তাকে কফিন (অনেককে শাস্তি দেবার জন্য কফিনে পুরে রাখা হয়) এবং লোহার খাঁচার বিষয়ে বলেছে।

খাজালি, শীর্ষ ধর্মীয় মরহুম আয়াতুল্লাহ হুসাইন আলি মোন্তাজারীর ছেলে আহমাদ মোন্তাজারীকে এই চিঠি লিখেছিলেন; আয়াতুল্লাহ মোন্তাজারী এই গণহারে মৃত্যুদণ্ড দেবার ঘটনার সমালোচনা করেছিলেন এবং এই বিষয়ের উপর কিছু তথ্য উন্মোচন করেছিলেন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .