বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইউরোপের রাজনীতিতে কৃষ্ণাঙ্গ নারী: সংগ্রাম থেকে সাফল্যে

এখনকার সময়ে ইউরোপের দেশসমূহে আফ্রিকান বংশদ্ভূত নারীদের পেশাগত জীবনে সাফল্যের ঘটনা আমরা হরহামেশাই দেখে থাকি। সুষ্পষ্ট চ্যালেঞ্জ সত্ত্বে, তাদের অনেকেই রাজনীতিতে নিজেদের পরিচিত করে তুলেছেন। যদিও বেশি দিন আগের কথা নয়, যেদিন একে অসম্ভব বলে বিবেচনা করা হতো। এই সাফল্যে পেতে বাস্তবিকভাবেই নারীদের অনেক পথ পাড়ি দিতে হয়েছে।

নারীদের এই অগ্রগতির সাধুবাদ জানানোর ভালো পন্থা হলো, উনিশ শতকে ইউরোপে কৃষ্ণাঙ্গ নারীদের ভাবমূর্তি কেমন ছিল তা বিবেচনায় নিয়ে চিন্তা করা। আফ্রিকান সেইসব নারী যারা তাদের ঔপনিবেশিক দেশে অভিবাসী হয়ে নেতৃত্বে অধিষ্ঠিত হয়েছেন, তাদের গল্প বলাই এ লেখার উদ্দেশ্য।

বৈষম্যমূলক আচরণের ইতিহাস

ডাকটিকিটে অংকিত সারাহ বার্টম্যান

ডাকটিকিটে অংকিত সারাহ বার্টম্যান, উইকিপিডিয়া (পাবলিক ডোমেইন)

গত দুই শতকে পশ্চিম আর আফ্রিকান নারীদের সম্পর্কের লক্ষণরেখা হলো ‍হটেনটট ভেনাস-এর গল্পটি। ফ্রান্সের লা মন্ড পত্রিকার আফ্রিকান প্রতিনিধি সেবাস্টিয়ান হারভিউ, আমাদের দক্ষিণ আফ্রিকার সারাহ বার্টম্যান -এর গল্প বলেছেন, যিনি ‍হটেনটট ভেনাস নামেই বেশি পরিচিত। ২০১০ সালের অক্টোবর মাসে তিনি তার ব্লগ friquedusud.blog.lemonde.fr –এ একটি লেখা প্রকাশ করেন। সেখানে  সমালোচনা (ফরাসী ভাষায়) করেন আবদেললতিফ কেচিচের (ফরাসী ভাষায়) সিনেমার। আর এ প্রসঙ্গে ব্ল্যাক ভেনাসের বিয়োগান্তক গল্পটি বলেন তিনি:

 

Au début du XIXème siècle, cette servante est emmenée en Europe et devient un objet de foire en raison de ses attributs physiques proéminents. Certains “scientifiques” utilisent sa présence pour théoriser l'infériorité de la “race noire”. Lorsqu'elle meurt à seulement 25 ans, ses organes génitaux et son cerveau sont placés dans des bocaux de formol, et son squelette et le moulage de son corps sont exposés au musée de l'Homme à Paris. C'est seulement en 2002 que la France accepte de rendre la dépouille de Saartjie Baartman à l'Afrique du Sud, concluant ainsi un long imbroglio juridique et diplomatique

উনিশ শতকের শুরুতে এই ভৃত্য ইউরোপে এসেছিলেন। তিনি বিশিষ্ট দৈহিক গড়নের কারণে সবার মনোযোগ কাড়েন। কৃষ্ণাঙ্গ জাতি নিকৃষ্ট এই তত্ত্বের সমর্থন হিসেবে কিছু কিছু বিজ্ঞানী তার উপস্থিতিকে ব্যবহার করেছেন। মাত্র ২৫ বছর বয়সে মৃত্যু হলে, তার যৌনাঙ্গ এবং মস্তিষ্ক ফরমালডিহাইডের পাত্রে রাখা হয়। তার কংকাল এবং শরীরের ছাঁচ ম্যান অব প্যারিসের জাদুঘরে প্রদর্শিত হয়েছিল। ২০০২ সালে দীর্ঘ আইনী প্রক্রিয়া এবং কুটনৈতিক  বোঝাপড়া (ফরাসী ভাষায়) শেষে ফ্রান্স তার দেহাবশেষ দক্ষিণ আফ্রিকায় ফেরত পাঠাতে রাজি হয়।

১৮১৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বরে প্যারিসে সারাহ বার্টম্যান মারা যান। তার মারা যাওয়ার ১০০ বছর পরে দক্ষিণ আফ্রিকার খইখই গোষ্ঠীর মানুষেরা নেলসন ম্যান্ডেলার কাছে সারাহ’র দেহাবশেষ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান। ফ্রান্স কর্তৃপক্ষ সেটা ফিরিয়ে দিতে অস্বীকার করে। বিজ্ঞানী সম্প্রদায়ও রাষ্ট্র এবং বিজ্ঞানের ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে হস্তান্তরের বিপক্ষে যুক্তি দেন। তবে, ফ্রান্স শেষমেশ তার শরীর দক্ষিণ আফ্রিকায় ফেরত পাঠায়। সেখানে তার নিজ গোষ্ঠীর মানুষেরা যথাযথ কৃত্যানুষ্ঠানের মাধ্যমে তার শরীর পরিশুদ্ধ করে শুকনো গুল্মলতার বিছানায় শুইয়ে রাখে।

নরওয়ে

দুই শতাব্দী পরে, ইউরোপের দেশগুলোতে আফ্রিকান কালো নারীদের অবস্থার নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে। অন্যান্যদের মতোই তাদের অনেকেই এখন রাজনৈতিক পদে নির্বাচিত হচ্ছেন।

ম্যানুয়েলা রামিন-অসমুন্ডসেন

উইকিপিডিয়ায় ম্যানুয়েলা রামিন-অসমুন্ডসেন (নরওয়ে) (সিসি-বিওয়াই ৩.০)

এদের একজন নরওয়ের ম্যানুয়েলা রামিন-অসমুন্ডসেন। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, এরকম অসঙ্গতি আরো কিছু দেশের মধ্যে রয়েছে। তিনি মাত্র চার মাসের মাথায় নরওয়েজিয়ান সরকারের মন্ত্রিত্ব পদ থেকে পদত্যাগ করেন। Grioo.com এ একটি লেখায়   তার ক্যারিয়ার সম্পর্কে বলা হয়েছে (ফ্রেঞ্চ ভাষায়):

Originaire de l’Ile de la Martinique, à 44 ans, Manuela Ramin-Osmundsen a obtenu son poste de ministre de l’Enfance et de la Parité au sein du gouvernement de centre-gauche norvégien le 18 octobre 2007[…] Elle est mariée avec Terje Osmundsen, un homme politique membre du parti conservateur norvégien. Après son mariage, elle a pris la nationalité norvégienne et renoncé à celle de la France. Le pays n’autorisant pas la double nationalité.

ম্যানুয়েলা রামিন-অসমুন্ডসেনের জন্ম মার্টিনিকে। বয়স ৪৪। ২০০৭ সালে অক্টোবর মাসে মধ্য-বামপন্থী নরওয়েজিয়ান সরকারের শিশু ও সমতা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের (চিলড্রেন অ্যান্ড ইকুয়ালিটি) দায়িত্ব পান। তিনি বিয়ে করেছেন নরওয়ের রক্ষণশীল দলের নেতা ও রাজনীতিবিদ তেরজে অসমুন্ডসেনকে। বিয়ের পর তিনি ফ্রান্সের নাগরিকত্ব ত্যাগ করে নরওয়ের নাগরিকত্ব নেন। কেন না, নরওয়ে দ্বৈত নাগরিকত্বের অনুমতি নেই।

২০০৮ সালে fxgpariscaraibe.com ওয়েবসাইটের প্যাট্রিক কারামের সাথে সাক্ষাত্কারে তার নিয়োগে কিছু কিছু বিষয় অনুকূলে থাকলেও রাজনৈতিক দলের নিযুক্ত ব্যক্তি হিসেবে তাকে নিয়ে কেন অভিযোগ উঠলো, কেন পদত্যাগ করলেন তার  ব্যাখ্যা (ফরাসী ভাষায়) দেন।

En Norvège, il y a obligation de représentation des deux sexes dans les conseils d’administration, 40 % de femmes au minimum. Nous menons aussi une politique pour inciter les hommes à prendre plus de responsabilité dans le foyer pour laisser les femmes entreprendre professionnellement. J’ai travaillé aussi sur l’enfance en danger, les violences, les maltraitances… J’ai travaillé quatre mois sans être critiquée, c’était une expérience réussie. Les critiques sont venues avec la nomination d’une médiatrice. Avec du recul, tout le monde voit que c’est une bagatelle. J’ai cédé au pouvoir de la presse.

নরওয়ের সরকারি প্রশাসনে সর্বনিম্ন ৪০ শতাংশ প্রতিনিধি নারীদের মধ্যে থেকে থাকার বিধান রয়েছে। তাছাড়া, আমরা পুরুষদের ঘরে আরো বেশি দায়িত্ব নিতে, এবং নারীদের চাকরি ছেড়ে না দেয়ার নীতি প্রণয়নে উৎসাহ দিচ্ছি। আমি শিশুদের বিপন্নতা, সহিংসতা, অপব্যবহার নিয়ে কাজ করেছি… আমি চার মাস কোনো সমালোচনা ছাড়াই কাজ করেছি। এটা আমার জন্য ছিল একটি বড় সাফল্য। সমালোচনা শুরু হয় শিশুদের জন্য ন্যায়পাল নিয়োগ দিলে। যে কেউ পিছনে ফিরে গিয়ে দেখতে পারেন, কোনো ভিত্তি ছাড়াই এটা তৈরি হয়েছিল। আমি মিডিয়াকে ক্ষমতা দিয়েছিলাম।

সুইডেন

নিয়ামকো সাবুনি

নিয়ামকো সাবুনি, উইকিপিডিয়া (সিসি-বিওয়াই-এসএ)

নিয়ামকো সাবুনি (ফেঞ্চ ভাষায়) সুইডেনের সাবেক মন্ত্রী ছিলেন। তার দেশের বাড়ি গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে। ১৯৬৯ সালে বুরুন্ডিতে জন্মেছেন। তার বাবা হয়রানির শিকার হয়ে দেশ ছাড়েন। তিনি ২০০২ সালে রিকসডে থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। মাত্র ৩৭ বছর বয়সে সুইডেন সরকারের মন্ত্রী হন। ২০০৬-২০১০ পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন। congopage.com ওয়েবসাইটে তাকে নিয়ে একটা লেখা ছাপা হয়। সেখানে তার জীবনের অগ্রগতি দেখানো (ফেঞ্চ ভাষায়) হয়েছে।

En 1981, à l’âge de 12 ans, elle est arrivée en Suède avec sa mère et trois de ses cinq frères et sœurs. Là, elle a retrouvé son père, un opposant politique plusieurs fois emprisonné au Congo (actuellement République démocratique du Congo), venu dans le pays nordique grâce à Amnesty International.

১৯৮১ সালে মাত্র বারো বছর বয়সে মা এবং তিন ভাইবোনোর সাথে সুইডেনে আসেন। এখানে এসে তার বাবার সাথে একত্রিত হন। তার বাবা ছিলেন কঙ্গোর (বর্তমানে ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো) বিরোধী দলের নেতা। বেশ কয়েকবার কারারুদ্ধ হয়েছেন। তিনি অ্যামেনেস্টি ইন্টারন্যাশনালে সহায়তায় নর্ডিক দেশে এসেছিলেন।

নেদারল্যান্ড

আইয়ান হিরসি আলী

আইয়ান হিরসি আলী, উইকিপিডিয়া (পাবলিক ডোমেইন)

হিরসিয়ালি ব্লগে তুলে ধরা হয়েছে আইয়ান হিরসি আলীর জীবনবৃত্তান্ত:

Née en Somalie en 1969, excisée à l’âge de 5 ans, Ayaan Hirsi Ali est scolarisée dans un lycée musulman pour filles. Soumise à ses parents, à son clan et à sa religion jusqu’à l’âge de vingt-trois ans, elle profite d’un passage dans sa famille en Allemagne, pour s’enfuir et échapper à un mariage forcé. Réfugiée aux Pays-Bas, elle adopte les valeurs libérales occidentales au point de devenir une jeune députée à La Haye et de s’affirmer athée. Pour avoir travaillé dans les services sociaux du royaume, elle connaît, de l’intérieur, les horreurs tolérées à l’encontre des femmes au nom du multiculturalisme.

১৯৬৯ সালে সোমালিয়া জন্ম গ্রহণ করেন। ৫ বছর বয়সে তার খত্না হয়। আইয়ান হিরসি আলী মুসলিম বালিকা বিদ্যালয়ে যান। ২৩ বছর বয়স পর্যন্ত তাকে বাবা-মা, গোষ্ঠী এবং ধর্মের অনুশাসনের অধীনে থাকতে হয়েছে। জোর করে বিয়ে দিতে নিলে তিনি জার্মানি ঘুরতে গিয়ে পালিয়ে যান। তিনি হল্যান্ডে অভিবাসন নিয়ে পশ্চিমের উদারনৈতিক মূল্যবোধ গ্রহণ করেন। তিনি হেগের নবীন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং নিজেকে নাস্তিক ঘোষণা করেন। দেশের সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে তিনি বুঝতে পারেন, বহুসংস্কৃতিবাদের নামে নারীদের কী পরিমাণ আতংক সইতে হয়।

ইসলাম এবং আফ্রিকান ঐতিহ্যে এমন কিছু বিষয় আছে যা মৌলিক মানবাধিকারের প্রচণ্ড বিরোধী। তিনি একটি এনজিও প্রতিষ্ঠা করে নিজের ওয়েবসাইটে নিম্নলিখিত  লক্ষ্য স্থির করেছেন:

২০০৭ সালে নারী অধিকার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে আইয়ান হিরসি আলী এবং তার সমর্থকরা এএইচএ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। এর উদ্দেশ্য হলো পশ্চিমের নারীদের ধর্ম ও সংস্কৃতির পীড়ন যাচাই করে রক্ষা করা।

ইতালি

ইতালির জাতীয় সংসদের নির্বাচিত প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী হলেন  মার্সিডিজ লোর্দেস ফ্রিয়াস ফ্রিয়াস। তিনি ক্যারিবিয়ান দেশ ডোমিনিকান রিপাবলিক থেকে ইতালিতে এসেছিলেন। ব্ল্যাক উইমেন ইন ইউরোপ নামের একটি ব্লগিং সাইটে তাকে নিয়ে  বিস্তারিত বলা হয়েছে (ইংরেজি ভাষায়):

মার্সিডিজ লোর্দেস ফ্রিয়াস ডোমিনিকান রিপাবলিকে জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৬ সালে তিনি প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী হিসেবে  ইতালির জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ২০০৮ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সংবিধান বিষয়ক কমিশন, শেনঘেন চুক্তি নিয়ন্ত্রণ বাস্তবায়নের সংসদীয় কমিটি, অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারী কমিটির সদস্য ছিলেন। তাছাড়া তিনি বর্ণবাদ বিরোধী এবং অভিবাসনের সপক্ষে বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন। ১৯৯৪-১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ইতালির প্রটেস্ট্যান্ট চার্চ ফেডারেশন কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। জনাবা ফ্রিয়াস ইমপালি শহরের পরিবশে, নাগরিক অধিকার এবং সমতা বিষয়ক কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ইতালির সবচেয়ে বর্ণবাদী রাজনৈতিক দলের একটি নর্দান লিগ। আর এই দলের টিকেটেই কি না নির্বাচিত হয়েছেন কালো মেয়ে সান্ড্রা মারিয়া (সান্ডি) কেইন। ২০০৯ সালের ঘটনা এটা। ইউরোপের একটি দেশে সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব নেয়ায় সবাই খানিকটা অবাক হন। কেন না, সেখানকার একটি রাজনৈতিক দলের নেতারা দক্ষিণ ইতালির লোকদের পছন্দ না করায় তাদের দলের উদ্দেশ্য স্থির করেছে ইতালি উপদ্বীপের উত্তরের অংশকে বিচ্ছিন্ন করা (যদিও সীমানা পরিষ্কার না)।

stranieriinitalia.it নামের একটি ব্লগে (ইতালিতে বিদেশীরা) তার ক্যারিয়ারের সংক্ষিপ্ত বিবরণী  দিয়েছে (ইতালি ভাষায়):

Il primo sindaco di colore in Italia ha la camicia verde. Sandra Maria (Sandy) Cane si è aggiudicata con appena 38 voti di scarto la fascia tricolore a Viggiù, cinquemila anime in Valceresio, tra Varesotto e Canton Ticino. Alle sue spalle, una lunga storia di migrazioni. Di Viggiù era originaria la famiglia materna del neosindaco, scalpellini emigrati in Francia, dove durante la seconda guerra mondiale arrivò il padre, un soldato statunitense afroamericano. Il neo sindaco è nata a Springfield, nel Massachussets, nel 1961, ma a dieci anni, dopo la separazione dei genitori, ha seguito la madre nel paesino d’origine.

এই প্রথম ইতালিতে সাদা নন এমন একজন মেয়র সবুজ শার্ট পরলেন (এই রঙের শার্ট নর্দান পার্টির সমর্থকরা পরে থাকেন)। সান্ড্রা মারিয়া (সান্ডি) কেইন ভিগুইয়ের মেয়র হিসেবে তিন রঙয়ের স্কার্ফ জয় করেছিলেন। এ শহরের পাঁচ হাজার অধিবাসী বাস করেন ভালসেরিসিও এলাকায়। ভারেসি এবং ক্যানটন অব টেসিন শহরের মধ্যে মাত্র ৩৮টি ভোটের ব্যবধান রয়েছে।

তাদের আগেকার অভিবাসনের লম্বা ইতিহাস রয়েছে। মায়ের দিক থেকে নতুন মেয়র পাথর খোদাই শিল্পী সম্প্রদায়ের লোক। তাদের আদি বসতি ছিল ভিগুইয়ে-তে। সেখান থেকে তারা ফ্রান্সে যায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তার বাবা আফ্রিকান-আমেরিকান সৈন্য হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফ্রান্সে যান। নতুন মেয়র ১৯৬১ সালে ম্যাসাচুসেটসের স্প্রিংফিল্ডে জন্মগ্রহণ করেন। কিন্তু বাবা-মার ছাড়াছাড়ি হওয়ার দশ বছর পরে মায়ের সাথে তিনি নিজের গ্রামে ফিরে আসেন।

associazioneumoja.wordpress.com ব্লগে তিনি (ইতালি ভাষায়) অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে আদর্শিক প্লাটফর্মের সাথে কীভাবে রাজনীতিতে জড়ালেন তা বলা হয়েছে:

Della Lega sono sempre stata sostenitrice, anche se mai vera militante. Quando ero ragazza morivo dal ridere a vedere i loro manifesti, curiosi e di forte impatto. Poi quindici anni fa, più o meno, mi sono avvicinata di più. […] Vedo come «molto americana» anche la Lega, per la richiesta di rispettare rigorosamente la legge, anche per i clandestini. Anche se a Viggiù, precisa, non ci sono problemi di integrazione, nè tantomeno di sicurezza. Tra le priorità, guarda al rilancio turistico del paese, con manifestazioni e attenzione alla cultura.

আমি সবসময়ই নর্দান লিগকে সমর্থন দিয়ে এসেছি। তবে কখনো সক্রিয়ভাবে অংশ নিই নি। আমি যখন ছোট্ট ছিলাম, তখন তাদের পোস্টার দেখে হেসেছি। তারা সবসময়ই অতি-উৎসাহী ছিল। এবং বড়ো ধরনের প্রভাব ফেলেছিল। এখন থেকে প্রায় ১৫ বছর আগে আমি তাদের সাথে একটু যুক্ত হই। আমি দেখেছি, তারা আমেরিকানদের খুবই কাছাকাছি। এমন কি নর্দান লিগও। কারণ, তারা প্রচণ্ড রকম ভাবে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। অবৈধ অভিবাসীদের ব্যাপারেও তাদের এ শ্রদ্ধা বজায় ছিল। তিনি দেখান যে, তাদের অঙ্গীভুত করে নেয়ার ব্যাপারেও কোনো সমস্যা ছিল না। ভিগুই শহরে নিরাপত্তা যথেষ্ট পরিমাণে ছিল। নানা ধরনের অনুষ্ঠান, সংস্কৃতিকে ফোকাস করে তিনি এ এলাকায় পযর্টনের প্রসারকে প্রাধান্য দিয়েছিলেন।

ইউরোপের রাজনীতিতে সুষ্পষ্ট ভাবেই আফ্রিকান নারীদের অগ্রগতি হয়েছে। বর্ণবৈষম্য, সংস্কৃতি, ধর্ম, এমনকি নিজের পরিবার, সমাজসহ  সারা বিশ্বের নারীরা যেভাবে (ইতালি ভাষায়) পারিবারিক সহিংসতা, বাচ্চা নেয়ার ঝক্কি, প্রান্তীয় অবস্থান আর কমসংখ্যক প্রতিনিধিত্বের মতো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন, সেসব বাধা পেরিয়ে বিচ্ছিন্নভাবে হলেও তারা নারীদের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .