বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ভিডিওঃ একটি বছর, একটি বিশ্ব এবং ৫২টি ভিন্ন কাহিনী

ভিডিও সাংবাদিক ম্যাগি প্যাডলেস্কা একটি বছরের জন্য একাকী ভ্রমণ করবে। এক সপ্তাহ একটি দেশ ভ্রমণের মধ্যে দিয়ে সে ৫২ টি দেশ ভ্রমণ করবে। এই ভ্রমণের সময় সে প্রচলিত প্রচার মাধ্যমে যাদের সংবাদ খুব কম আসে এমন সম্প্রদায়ের সাথে তাঁর যোগাযোগের উপর ভিত্তি করে চলচ্চিত্র ধারণ, সেগুলোকে সম্পাদনা এবং তৈরি সেগুলোকে ওয়েবে ছাড়বেন, যাতে কম পরিচিত এই সব সম্প্রদায়ের কাহিনী বিশ্বের কাছে পৌঁছে যায়। এটাই হচ্ছে ওয়ান ইয়ার ওয়ান ওয়ার্ল্ড নামক প্রকল্প।

ওয়ান ইয়ার ওয়ান ওয়ার্ল্ড একটি স্বাধীন মাল্টিমিডিয়া প্রোডাকশনের মাধ্যমে বিশ্বের কিছু কৌতূহলী ঘটনা, সংবাদ মাধ্যমে তেমন একটা গুরুত্ব পায় না এমন ভাবে বাস করা কিছু জনতা এবং সম্প্রদায়ের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। এই অভিযানের উদ্দেশ্য হচ্ছে কম পরিচিত জনগোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের জন্য একটা সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়া যাতে তারা বিশ্বের সামনে তাদের কাহিনী তুলে ধরতে পারে, তাদের শিক্ষিত করা এবং তরুণদের অনুপ্রাণিত করা এবং প্রাপ্ত বয়স্কদের বিশ্ব সম্প্রদায় সম্বন্ধে ভাবতে শেখানো, প্রচার মাধ্যমে যোগাযোগের যে অভাব, সে বিষয়ে সেতুবন্ধন রচনায় সাহায্য করা এবং শান্তির প্রচারণা ও বাকী বিশ্বকে বোঝা।

এই চিন্তাটা প্যাডলেস্কার মাথায় তখন আসে, যখন এক চিকিৎসা বিষয়ক কাজে পানামার এক দুর্গম এলাকায় বাস করা সম্প্রদায়ের উপর তিনি চলচ্চিত্র ধারণ করছিল। যেমনটা সে তাঁর পরবর্তী ভিডিওতে ব্যাখ্যা করছে।তাঁর এই যাত্রায়, তিনি অনুভব করলেন যে তিনি কেবল সংবাদ ধারণ করতে চান না, যা এই ডাক্তাররা করছে, তিনি এর চেয়ে বেশী কিছু করতে চান।

তাঁর প্রাথমিক প্রকল্প পানামার এমব্রেয়া নামক সম্প্রদায়ের মধ্যে দিয়ে শুরু হল। এমব্রেয়া হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী প্রাক-কলম্বীয় যুগের আদিবাসী সম্প্রদায়, যারা এখনো মধ্য আমেরিকায় টিকে আছে। আর সম্প্রতি তাদের পূর্বপুরুষদের ভুমি , যার মধ্যে বেশীরভাগ হচ্ছে বন এবং জঙ্গল, সেই এলাকাটিকে এক জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে । যার ফলে তারা আর এখন এখানে শিকার করতে পারবে না। এর অর্থ হচ্ছে তারা তাদের খাদ্য নিরাপত্তা হারিয়ে ফেলবে এবং তাদেরকে নিজ সম্প্রদায়ের বাইরে থেকে খাবার কিনতে হবে। টাকা আয় করার জন্য তারা সংস্কৃতিক পর্যটনের মত বিষয়কে অগ্রাহ্য করেছে এবং এই বিষয়টি প্যাডলেস্কাকে তাদের সাথে যুক্ত করেছে:

শিকার করাকে নিষিদ্ধ করার ফলে এমব্রেয়া জনগোষ্ঠীকে বেঁচে থাকার জন্য পর্যটনের উপর নির্ভর করতে বাধ্য হবে কি? ঐতিহ্যবাহী জীবনযাত্রা এবং সংস্কৃতির মাঝে বেঁচে থাকা এই আদিবাসীদের উপর এ বিষয়টির প্রয়োগ তাদের জীবনে কি বয়ে আনবে? বর্তমানে সরকারে জমিতে বাস করা এমব্রেয়া দুরা এবং এমব্রেয়া কুয়েরারা নামক আদিবাসী সম্প্রদায়কে আমি এই দুটি প্রশ্ন আমি করেছিলাম।

এই যাত্রার যে ভিডিও তৈরি করে হয়েছে, তা আমাদের প্রদর্শন করে যে, কি ভাবে এই সকল সম্প্রদায় এই সকল নতুন মাধ্যমের মধ্যে দিয়ে বাইরের সাথে যুক্ত হয়, এবং তাদের ঐতিহ্যবাহী জীবনের উপর প্রভাব তৈরি করে:

প্যাডলেস্কা, এই যাত্রার জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে সক্ষম হবার সাথে সাথে এক বছরের জন্য আফ্রিকা, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, পূর্ব ইউরোপ এবং দক্ষিণ মধ্য আমেরিকা ভ্রমণে বেরিয়ে পড়বেন ।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .