বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইরান: সামরিক হামলার গুজবে ব্লগারদের প্রতিক্রিয়া

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার উপর ইজরায়েল বা আমেরিকার সম্ভব্য সামরিক আক্রমণের গুজব দেশটির সংবাদপত্রের প্রধান শিরোনামে পরিণত হয়েছে। ইজরায়েলের কর্মকর্তারা ধারনা দিচ্ছে যে গুজব বাস্তবে পরিণত হতে পারে, যেহেতু যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদপত্রগুলো এই মর্মে সংবাদ প্রদান করেছে যে ইরান পারমানবিক শক্তি অর্জন করার দ্বারপ্রান্তে এসে পৌঁছেছে। ইজরায়েলের উপপররাষ্ট্র মন্ত্রী ড্যানি আইয়ালান বলেছে যে ইরানের পারমানবিক কর্মসূচির বিরুদ্ধে ইজরায়েল যে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছে, তা কোন ফাঁকা আওয়াজ নয়। এদিকে রাশিয়া বলছে, যদি ইজরায়েল-এই ধরনের হামলা চালায়, তা হবে তার জন্য একটা ভুল।

ইরানের সুশীল সমাজের নেতা এবং একই ভাবে ব্লগাররা এই ধরনের হুমকির সংবাদে তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে

ডডজেহ বেশ কিছু খেলনা অস্ত্রের ছবি প্রকাশ করেছে এবং লিখেছে [ফার্সী ভাষায়] যে রেভলুশ্যনারী গার্ডরা [ইরানের সামরিক বাহিনী] তাদের স্বদেশের রক্ষার জন্য নতুন অস্ত্র নিয়ে প্রস্তুত হয়ে আছে।

টেকভিউ এক খোলামেলা পোশাকের মডেলের ছবি প্রকাশ করেছে, যে কিনা এক বোমের উপর বসে আছে। আর এর নীচে লেখা আছে, “ইরান যুদ্ধের এক ভুল ছবি”। ব্লগার লিখেছে, “বিট্রেন এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরানের উপর এক হামলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর উদ্দেশ্য মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি করা। গতকাল তা দাবী করা হয়েছে”।
নেসভান ১৯৮০-এর দশকের ইরাক-ইরান যুদ্ধের কথা স্মরণ করেছেন এবং লিখেছেন :

কোন এক সময় ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল এবং তখন আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতা সঙ্কেত শুনতাম। সে সময় বাজারে পণ্য সামগ্রী দুষ্পাপ্র হয়ে পড়েছিল, কিন্তু সে সময়টা এই সময়ের চেয়ে আলাদা ছিল। তখন থেকে মাত্র এক বছর আগে বিপ্লব এবং জনতা শাহকে ক্ষমতাচ্যুত করে এবং সে সময় সকলে ভাবত যে তারা যে কোন কিছু করতে সক্ষম। এখন যারা এ দেশে বাস করছে তারা সেই সময়কার মত নয়। আজ আমরা আবার যুদ্ধের কথা শুনছি, কিন্তু যুদ্ধ আমাদের কোন সমস্যাটির সমাধান করবে? পশ্চিমা দেশ সমূহের জন্য তা হয়ত তাদের অর্থনৈতিক চাকাকে সচল করবে, তারা তাদের অস্ত্র বিক্রি করবে এবং ইরানের পারমানবিক স্থাপনায় হামলা চালাবে। তারা হয়ত যুদ্ধ থেকে লাভ করতে পারবে, কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে কি একই ঘটনা ঘটবে? এমনটা কি ভাবা সম্ভব যে তারা ইরানের উপর সীমাবদ্ধ কয়েকটা হামলা চালাবে? আমাদের শাসকরা কি বছরের পর বছরের এই হামলা প্রতিহত করতে পারবে?

এবং আজার টোনদার বলছে [ফার্সী ভাষায়]:

ধারণা পাওয়া যাচ্ছে যে, পশ্চিমের রাষ্ট্রসমুহ লক্ষ্যস্থির করেছে যে ইরানের উপর তারা প্রচণ্ড চাপ তৈরি করবে, আবার একই সাথে তারা ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার বিষয়ে আক্রমণাত্মক, যা কিনা সংবাদের শিরোনাম হয়ে আসছে। জাতিসংঘ, ইরানের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে একটা প্রস্তাব পাশ করেছে, আর আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি কমিশন, ইরানের সন্দেহজনক পারমাণবিক কার্যক্রমের উপর সংবাদ প্রদান করেছে এবং তার সন্ত্রাসী হামলার ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হচ্ছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .