বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

হাঙ্গেরী: “একজন গৃহহীন মানুষকে গ্রেপ্তারের জন্য কতজন পুলিশ লাগে?”

কতজন পুলিশ লাগে একজন গৃহহীন মানুষকে গ্রেপ্তার করতে?” এই শিরোনামে গত অক্টোবর ১১, ২০১১ তারিখে কেটোস মারসে [ দুমুখো] ব্লগে একটি পোস্ট প্রকাশিত হয়েছে, যার মধ্যে একটা ভিডিও আছে যেখানে দেখানো হয়েছে যে গৃহহীন একজন লোককে আটজন পুলিশ গ্রেপ্তার করছে বুদাপেস্টের ডিস্ট্রিক্ট ৮ থেকে।

আসলে তিনি ছিলেন আটিলা কোপিয়াস (কে এ স্টিভ নামের ব্লগার) যিনি গৃহহীন হওয়ার ভান করেছিলেন। ডিস্ট্রিক্ট ৮ স্কোয়ারের বেঞ্চে একজন গৃহহীন মানুষ আছে এই জানিয়ে পুলিশ ডাকার পরে কেটোস মারসের ব্লগারদের সাহায্যে তিনি লিপিবদ্ধ করেছেন যে ওখানে কি ঘটেছে ।

এই বিষয়টা বড় একটা বিতর্কের সৃষ্টি করেছে যখন ওই জেলার মেয়র, মতামতের ভিত্তিতে, গত সেপ্টেম্বর থেকে গৃহহীন মানূষদের উন্মুক্ত স্থানে জীবন কাটানোর অভ্যাস নিষিদ্ধ করেন। ব্লগাররা ডিস্ট্রিক্ট ৮ এর ঘটনাগুলো অনুসরণ করেন এবং একটি পোস্টে প্রকাশ করেন যে একজন গৃহহীন মানুষকে ‘পাথরের উপরে তার কিছু সঙ্গীর সাথে বসার জন্য’ শাস্তি দেয়া হয়।

আইন আসলেই নিষেধ করে ‘উন্মুক্ত স্থানে বসবাস’ করা। কেটোস মারসের ব্লগারদের আটিলা কোপিয়াস বলেছেন একটা সাক্ষাতকারে যে তিনি চেষ্টা করেছেন পুলিশের কাছে মিথ্যা না বলতে, তাই তারা যখন তাকে জিজ্ঞাসা করেছে যে তিনি কি খোলা যায়গায় রাত কাটান কিনা, তখন তিনি বলেছেন যে ‘এমন ঘটেছে যে এর আগেও আমি খোলা যায়গায় ঘুমিয়েছি’।

তিনি কেটোস মারসে কে বলেছেন:

আমার বড় কোন পরিকল্পনা ছিলনা। আমি একেবারে বিরক্ত ছিলাম এই ব্যাপারে যে মানুষকে তার কাজের জন্য শাস্তি না দিয়ে পরিস্থিতির জন্য শাস্তি দেয়া হয়। এই ধারনা এসেছে আমার নিজস্ব তাগিদ থেকে এই অন্যায় ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কিছু করার জন্য। এর সাথে, আমার মন এটা মানতে রাজি ছিল না যে ২০১১ সালে হাঙ্গেরীতে, কাউকে হাতকড়া পরিয়ে গ্রেপ্তার করা যেতে পারে বেঞ্চে উন্মুক্তভাবে বসা/শোয়ার জন্য। আমি ভাবলাম যে দেখবো যে কেউ যদি আমার খেয়াল না নেয় তাহলে কি হয়।

এই কাজের ব্যাপারে মন্তব্য করতে গিয়ে, কে এ স্টিভ আলাদা করার চেষ্টা করেছেন যে একজন পিকনিক করতে চাচ্ছেন আর উন্মুক্ত স্থানে একজন গৃহহীনের মধ্যে পার্থক্য কি। এটা চিন্তা করে, ‘ পিকনিক ইন মে’ নামে ১৯ শতকে হাঙ্গেরীর একজন শিল্পীর ছবি প্রচার পেতে থাকে ফেসবুকে যা মূলত টাম্বলার ব্যবহারকারী প্রলিডেপ প্রকাশ করে।

কে এ স্টিভ তার ব্লগে পদক্ষেপ নেবার আহ্বান জানান ওই আইনের বিরুদ্ধে যা পথে যারা থাকে, ময়লার ক্যান সরায় বা ভিক্ষা করে তাদের শাস্তি দেয়।

কেটোস মারসিতে আটিলা এটা লিখেছেন:

কিন্তু আমি চাই তারা [গৃহহীন] জানুক যে কিছু মানুষ আছে যারা তাদের জন্য দাঁড়াচ্ছে। যেভাবে আমরা সবাই চাই যে আমাদের বিপদে কেউ আমাদের পাশে থাকুক।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .