বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইরানঃ (আবারো) কুকুর গ্রেফতার করা শুরু

ইরানের নিরাপত্তা ২০০৭ সালের বিখ্যাত কাজের ধারাবাহিকতায় আবার রাস্তায় নেমে এসেছে; রাস্তার কুকুরদের ধরতে। এর আগের অভিযান অল্প সময় ধরে চলে এবং কুকুরদের দ্রুত ছেড়ে দেওয়া হয়। ইরানের সংবাদপত্র অনুসারে, সম্প্রতি বেশ কিছু কুকুরকে ধরে অস্থায়ী এক জেলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

ইরানের সরকার কুকুর পোষাকেইসলাম পরিপন্থী বলে মনে করে, কিন্তু বেশিরভাগ সময় এই বিষয়টিকে তারা সহ্য করে থাকে। এটা সম্ভব হয়েছে কারণ, যারা সবচেয়ে বেশি কুকুর পোষে তারা ইরানের শহুরে এবং শিক্ষিত তরুণ। সম্ভবত কুকুরেরা, এখন আবারো সরকারি আক্রমণের শিকার হতে যাচ্ছে।

এনিমেল পার্সিয়ান ব্লগ হাস্যরস এবং পরিহাসের সাথে লিখেছেভবিষ্যৎ-এ, ইরানে পশুপ্রেমীদের কি কি ধরনের কাজ চরম শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে [ফার্সী ভাষায়]:

এনিমেল পার্সিয়ান এক ছদ্ম অপরাধের দৃশ্যের ছবি পোষ্ট করেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে এক কুকুরের মালিকের গায়ে ‘অপরাধী’ এবং তার কুকুরের গায়ে “অপরাধের যন্ত্রের” ছাপ মারা রয়েছে।

১- সবসময় অ্যাপার্টমেন্টে একটা কুকুর রাখা
২- উদ্বাস্তু হিসেবে দুটি কুকুরকে আশ্রয় দেওয়া
৩- কুকুরের মালিকানার পক্ষে ফ্লায়ার বিতরণ করা
৪-কুকুরের নামে একটা ব্লগ তৈরি করা এবং কুকুর সম্বন্ধে লেখা পোস্ট করা
৫-কুকুর নিয়ে রাস্তায় হাঁটা
৬- প্রাণী বিশেষ করে কুকুরদের প্রতি সমর্থন করে ১৫টি টেক্সট মেসেজ পাঠানো
৭-কুকুর বিষয়ক তিনটি বইয়ের মালিক হওয়া
৮- সন্দেহ জনক ভাবে পশু চিকিত্সা কেন্দ্রে যাওয়া
৯- ছাত্রদের এক পার্টিতে কুকুরের ডাক নকল করা
১০- আপনার বাসায় (কারো) বাসায় কুকুরে খাবারের টিনের কৌটা আবিষ্কার করা।

এন্টি হান্টার নামক ব্লগ লিখেছে [ফার্সী ভাষায়] যে ইরানী সংসদের ৩৯ জন সদস্য রাস্তায় কুকুর এবং অন্য ক্ষতিকর প্রাণীর উপস্থিতির উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করার জন্য এক আইন প্রস্তাব করেছে, আর পোষা প্রাণীর মালিকদের পশ্চিমের অনুসরণকারী এবং সামাজিক-সংস্কৃতিক সমস্যা বলে অভিহিত করেছে।
ব্লগার বলছে যদি সংসদ এই প্রস্তাব পাশ করে তাহলে পোষা প্রাণীর মালিকরা প্রাণী পোষার কারণে শাস্তি পাবে, যা ইসলামি মতে যথাযথ নয় বলে বিবেচিত হয়। এন্টি হান্টার এছাড়াও বলছেঃ

কারা এর বিচার করবে এবং কিসের ভিত্তিতে, যেখানে যে কোন প্রাণী স্রষ্টার জীব, সেখানে কি ভাবে তাকে ক্ষতিকর হিসেবে নির্ধারণ করা হবে? এই সমস্ত সংসদ সদস্যরা কি সমাজবিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানী অথবা পশু চিকিত্সকদের বিশেষজ্ঞ মতামত নিয়েছে?

দারদেসারায়ে ইয়েক ডাম্পেজেশক (এক পশু চিকিত্সকের সমস্যা) লিখছে [ফার্সী ভাষায়] যে ইমাম আলির কথা থেকে আমরা কুকুরের বিষয়ে ইতিবাচক কিছু পেতে পারি, যিনি বলেছিলেন, বিশ্বাসীরা তাদের ঘরে রাখার যোগ্য।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .