বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ভিডিওঃ ভারত, সিঙ্গাপুর এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় তরুণ বৈজ্ঞানিকরা বিকশিত হচ্ছে

গুগল বিজ্ঞান মেলা প্রকল্পের (গুগল সায়েন্স ফেয়ার) সেমিফাইনাল-এ উত্তীর্ণদের তালিকা তৈরি হয়ে গেছে, যদিও তা সারা বিশ্বের ১৩-১৮ বছরের কিশোর-কিশোরীর জন্য উন্মুক্ত ছিল, তবে এখানে একটা কৌতূহল জনক বিষয় উল্লেখ করার রয়েছে, সেমিফাইনালের জন্য নির্বাচিত ৬০ জনের বেশিরভাগই হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর এবং ভারতীয় নাগরিক, এর সাথে নিউজিল্যান্ড, সাউথ আফ্রিকা, যুক্তরাজ্য এবং কানাডার যুবাদের প্রকল্পও রয়েছে।

এই ৬০ জন তরুণ প্রতিভাবানদের মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ পুরষ্কারের যোগ্য ব্যক্তিকে বেছে নেওয়া হবেঃ বিচারকরা এদের মধ্যে থেকে ১৫ জন চুড়ান্ত প্রতিযোগীকে নির্বাচিত করবে, যারা এই প্রতিযোগিতার জন্য যুক্তরাষ্টের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে এবং সেখানে তারা তাদের প্রকল্প উপস্থাপন করবে,আর তাদের মধ্যে থেকে একজনকে সেরা বিজয়ী হিসেবে বেছে নেওয়া হবে। সেমিফাইনালের প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে যে সর্বোচ্চ ভোট পাবে, সে পিপলস চয়েস নামক পুরষ্কার এবং ১০,০০০ মার্কিন ডলার বৃত্তি পাবে।

গুগল সায়েন্স ফেয়ার পিপলস চয়েজ নামক পুরষ্কারের ভিডিও-র স্ক্রিনশট।

জানুয়ারিতে একটি ভিডিও আমন্ত্রণ-এর মাধ্যমে এই প্রকল্পের যাত্রা শুরু। এই ভিডিওটি ফান রাব গোল্ডবার্গ ধরণের মেশিন যা বৈজ্ঞানিক উপাদান ব্যবহার করে প্রদর্শন করে কিভাবে বিজ্ঞান বৈশ্বিক এক ভাষা রুপান্তরিত হয়েছে। আর মনে হচ্ছে এটা চমৎকার ভাবে কাজ করছে। সেমিফাইনালের ক্ষেত্রে ভোট চাওয়ার জন্য যে ভিডিও তার সূত্রমতে ৯০ টি দেশ থেকে ৭০০০ এর বেশি তরুণ বিজ্ঞানী এর জন্য নাম নিবন্ধন করে।

যেমন দক্ষিণ আফ্রিকার লুক টাইলর, ১৩-১৪ বছর বয়স্ক বিভাগে প্রতিযোগিতায় করছে। তার উপস্থাপিত ভিডিও, কি ভাবে একটি রোবটকে শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে ইংরেজিতে দেওয়া নির্দেশ অনুসরণ করানো যায় সেই প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করছে।

ভারতের চাইথায়া জি.আর এবং সিরি জি.আর যেখানে রেল ক্রসিং-এর গেটে প্রহরী নেই সে সব জায়গায় দুর্ঘটনার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার ঘটনা নিয়ে চিন্তাভাবনা করেছে। তারা ধারনা করছে সে সব জায়গায় সিগন্যাল বা সঙ্কেত প্রদান না করার যার ফলে ঘটনার শিকার ব্যক্তিরা জানতে পারে না কখন ট্রেন আসছে। কাজেই এই দুই আবিষ্কারক চুম্বক এবং ইলেকট্রন ব্যবহার করে এমন এক পদ্ধতি নির্মাণ করেছে, যাতে একটি ট্রেনের আসা যাওয়ার ক্ষেত্রে শব্দ এবং আলোর সঙ্কেত প্রদান করা যন্ত্র (সেন্সর) যুক্ত থাকবে এবং একই সাথে তা রেল লাইনের গেট নামিয়ে দেবে।

সিঙ্গাপুরের চিয়ু চাই হোয়া জীবন বাঁচানোর উদ্যোগ নিয়েছে; তার আবিস্কার ভারি ধাতব শিল্পের দ্বারা দুষিত পানিকে শোধনের দ্বারা বিনা মূল্যে পানি প্রদানের নিশ্চয়তা প্রদান করছে।

ভারতের সাহিল সাইবলেও পরিবেশের বিষয়ে আগ্রহী। তার প্রজেক্ট দুর্গম এলাকায় গুরুতপূর্ণ স্বাস্থ্য বিষয়ক সমস্যা সমাধানে উপর মনোযোগ প্রদান করে। এই প্রকল্পের বিষয় বিদ্যুৎ না থাকা অবস্থা চিকিত্সার যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করা।

ভারতের নিশানাথ কুমার, কৃষ্ণা বেতাই এবং অনিশ ভি মালাডিও চিকিত্সার উপর মনোযোগ প্রদান করেছে। তারা এই বিষয়ে একটা যন্ত্র (সেন্সর) সৃষ্টি করেছে যা চিকিত্সকদের জানাবে কখন শরীরে ইন্ট্রাভেনাশ ফ্লুইড-এর পরিমাণ কমে আসছে, এর ফলে বিষয়টি রোগীকে চিকিত্সা দেবার ক্ষেত্রে আরো ভালোভাবে সাহায্য করতে পারবে।

তরুণ প্রতিভাবান বিজ্ঞানীদের এ রকম আরো অনেক প্রকল্প পিপলস চয়েস অ্যাওয়ার্ড- নামক পুরষ্কার লাভের আশায় আপনার ভোটের অপেক্ষায় রয়েছে। যে কোন গ্রুপের জন্য আপনি একবার ভোট প্রদান করতে পারবেন।

http://youtu.be/YRHCCzLZCME

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .