বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

জাপান: জীবনের মানে আসলে কি

এই পোস্টটি জাপানের ভূমিকম্প ২০১১ -এর উপর করা আমাদের বিশেষ কাভারেজের অংশ

ছবি কিনুমির. সিসি লাইসেন্স।

কয়েক মুর্হূতের মধ্য, এক ভয়াবহ ভূমিকম্প এবং তার পরপরই এক সুনামি পুরো এক এলাকাকে ধ্বংস করে ফেলে। এখন অনেকের মনে এই ভাবনার উদয় হয়েছে যে, যখন পলকের মধ্যে সবকিছু পাল্টে যায়, তখন জীবনের মানে আসলে কি।

ইমপারমেনেন্স অফ থিংস (কোন কিছুর ক্ষণস্থায়ী অস্তিত্ব সম্পর্কে বৌদ্ধ দর্শন/ হারিয়ে যাওয়ার জন্য শোক)-এর ধারণা জাপানের সাহিত্যে অতি পরিচিত। এই সময়ে কবি সুনতারো তানিকাওয়ার বিখ্যাত কবিতা “বেঁচে থাকা” বেশ কয়েকটি জাপানী ব্লগে প্রকাশিত হয়েছে। এর জনপ্রিয় সংস্করণ, যা কিনা খুব সহজ কথায় জীবনের মান কি তা তুলে ধরে, কিছু বিদ্যালয়ের অনেক বইয়ে এই কবিতাটি রয়েছে।

生きる  

生きているということ
いま生きているということ
それはのどがかわくということ
木漏れ日がまぶしいということ
ふっと或るメロディを思い出すということ
くしゃみをすること
あなたと手をつなぐこと

生きているということ
いま生きているということ
それはミニスカート
それはプラネタリウム
それはヨハン・シュトラウス
それはピカソ
それはアルプス
すべての美しいものに出会うということ
そして
かくされた悪を注意深くこばむこと

生きているということ
いま生きているということ
泣けるということ
笑えるということ
怒れるということ
自由ということ

生きているということ

いま生きているということ
いま遠くで犬が吠えるということ
いま地球が廻っているということ
いまどこかで産声があがるということ
いまどこかで兵士が傷つくということ
いまぶらんこがゆれているということ
いまいまがすぎてゆくこと

生きているということ
いま生きてるということ
鳥ははばたくということ
海はとどろくということ
かたつむりははうということ

人は愛するということ

あなたの手のぬくみ
いのちということ

“বেঁচে থাকা”

বেঁচে থাকা
এখন বেঁচে থাকা, মানে
তৃষ্ণার্ত হওয়া,
গাছের পাতার মাঝ দিয়ে সূর্যের উঁকি দেওয়া,
হঠাৎ করে এক গানের সুর মনে পড়ে যাওয়া,
হাঁচি দেওয়া,
তোমার হাত এক করা।

বেঁচে থাকা
এখন বেঁচে থাকা, মানে
মিনিস্কার্ট,
প্লানেটেরিয়াম,
জোহান স্ট্রস,
পিকাসো,
আল্ফসেরা,
সকল প্রকার সুন্দরের সাথে দেখা হওয়া,
এবং
এবং খুব সতর্কভাবে গোপন সব শয়তানী পূর্ণ মনোভাবকে দুর করা।

বেঁচে থাকা
এখন বেঁচে থাকা, মানে
কাঁদতে পারা,
হাসতে পারা,
রাগ করতে পারা,
নিজেকে মুক্ত করতে পারা।

জীবন মানে
এখন বেঁচে থাকা, মানে
এই মূর্হূতে দুরে একটা কুকুরে ঘেউ ঘেউ আওয়াজ শোনা,
এই মূর্হূতে পৃথিবীর উল্টে পাল্টে যাওয়া,
এই মূর্হূতে কোন এক জায়গায় জন্ম নেওয়া শিশুর প্রথম কান্নার আওয়াজ তীব্র হচ্ছে,
এই মূর্হূতে কোন এক এলাকায় এক সৈনিক আহত হচ্ছে,
কোন এক জায়গায় দোলনা দোল খাচ্ছে,
এখন “এখনকে” অতিক্রম করছে।

বেঁচে থাকা,
বেঁচে থাকা, এখন
একটা পাখির ডানা ঝাপটানো,
সমুদ্রের গর্জন করা,
একটা শামুকের হামাগুঁড়ি দেওয়া,
মানুষ ভালোবাসে,
তোমার হাতের উষ্ণতা,
জীবন এটাই।

[এর ইংরেজী অনুবাদ এখানে পাওয়া যাবে]


অভিনেতা কোচি সাতোর পাঠ “বেঁচে থাকা”

বিগ কুমা বলছে, যখন সে এক ছোট্ট বালিকা তখন সে এই কবিতাটি পড়ে এবং তার কাছে এর মানে কি ভাবে ধরা পড়েছিল তা সে ব্যাখ্যা করছে

今、日本が被災した裏側でも…
この地球のどこかでも…
飢えや…貧困…戦争…
色んな事で傷ついて…
亡くなっているいる人も居るということ。
そんな中でも…
今生きているという事。

এমনকি এই সময়ে, যখন জাপান প্রাকৃতিক এক বিপর্যয়ের শিকার…..
পৃথিবীর অন্য প্রান্তে…..
দুর্ভিক্ষ, দারিদ্র, গৃহযুদ্ধ….
অনেক মানুষ যন্ত্রণার মধ্যে বাস করছে
এবং ভিন্ন ভিন্ন অনেক কারণে তারা মারা যাচ্ছে।
এই সকল কিছুর মাঝে
জীবনের মানে, এখন এটাই। […]

今何が自分にとっての1番かを考えた時に…。
ガソリンを給油する事でも泣く…。
食料品を買い込む事でも無く…。
日用品を買い溜めする事でもなく…。
何も出来ない無力な自分を責める事でもなく。
被災地の人に申し訳け無いと思う事ではなく。
生かされた命を大切にして…
皆で一緒に諦めないで前を向いて生きましょうよ上げ上げ
一緒に頑張りましょう!!

যখন আমি ভাবি আমার জন্য এই মূর্হূতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কি….

এটা তেল নয়…
কোন খাবার কেনা নয়
এটা প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় উপাদান জমা করা নয়….
এবং নিজেকে এই কারণে অভিযুক্ত করা নয় যে, আমি এই মূর্হূতে কিছুই করতে পারছি না।
আক্রান্ত এলাকার লোকদের জন্য কষ্ট না পাওয়া
এটা হচ্ছে জীবনের জন্য উল্লাস যা আমি প্রদান করেছি…
নিজেদের প্রতি অভিযোগের আঙ্গুল না তুলে, আমাদের সকলে বেঁচে থাকতে হবে আগামীর দিকে তাকিয়ে, আসুন আমরা তাই করি, আসুন আমরা সবাই সে কাজটি করি!
আসুন আমরা আমাদের সেরা কাজটি করি, একসাথে!

আরেকজন ব্লগার, যারা নিরাপদে আছে, ভূমিকম্প এবং সুনামির শিকার ব্যক্তিদের জন্য তারা কি করতে পারে, তার উপর সে মনোযোগ প্রদান করেছ

被災地以外の方々は何をすべきなのか。
いつも通り生活し仕事をし生きる。
ことと思います。
方向性は行政が決め、そこで手伝えることをやればいいと思う。
まずは、自らの生活が基本。

「出来る人が、出来ることを、出来るだけ」

তারা কি করবে, যারা এখন আক্রান্ত এলাকায় নেই? আমি মনে করি (তারা অবশ্যই) তাদের জীবন এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকবে এবং স্বাভাবিক কাজ করবে। সরকার সিদ্ধান্ত নেবে কি নীতি তারা প্রয়োগ করবে এবং তারা কি যা বলবে আমাদের কাজ তা অনুসরণে সাহায্য করা।

প্রথমত, আমাদের দৈনন্দিন জীবনের কাজ আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
“যারা যা করতে পারে (অবশ্যই) তা করবে, যতটুকু তারা পারে ততটুকুই করবে”

এই পোস্টটি জাপানের ভূমিকম্প ২০১১ -এর উপর করা আমাদের বিশেষ কাভারেজের অংশ

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .