বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

উত্তর কোরিয়া: মাদক দ্রব্য ছড়িয়ে পড়ছে, এমনকি কিশোরদের মাঝেও

উত্তর কোরিয়ার বাসিন্দা এবং সেখান থেকে পালিয়ে আসা ব্যক্তিদের বক্তব্যে জানা যাচ্ছে যে, উত্তর কোরিয়ায় মাদক ছড়িয়ে পড়ছে। একেবারে সম্প্রতি পাওয়া সংবাদে জানা যাচ্ছে, মাদক দ্রব্য কিশোরদের মধ্যে এক জনপ্রিয় উপহার হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে এবং এমনকি সাধারণ মধ্যবিত্ত নাগরিকরা, প্রায়শ এর শিকার হচ্ছে। উত্তর কোরিয়ার শাসক কিমের নীতি, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের জন্য মাদক পাচার কর। কিন্তু এই ঘটনাটি এখন দেশটিতে পাল্টা আঘাত হেনেছে এবং ইতোমধ্যে দেশটির জনস্বাস্থ্যের প্রচণ্ড ক্ষতি করছে।


আফিম তৈরিতে ব্যবহৃত পপি ফুলের ছবি। ছবি আলফেসগাসপারের, ক্রিয়েটিভ কমন্স ৩.০ অনুসারে ব্যবহার করা হয়েছে।

ব্লগার푸른깃발(:নীল পতাকা) প্রচার মাধ্যমের একটি শাখায় কাজ করে, সে লিখেছে (কোরিয় ভাষায়) কি ভাবে নিষ্পাপ কিশোররা মাদকের শিকার হচ্ছে।

아이들도 예외가 아니다. 아이들은「백도라지」, 「약 담배」, 「외화벌이용 약초」등으로 불리는 양귀비 파종, 재배, 채취과정에 동원된다. 어른들은 몰래 훔쳐갈 가능성이 높지만, 저학년일수록 훔쳐갈 가능성이 낮은 탓이다. 양귀비 생산에 동원된 아이들은 아직 피지 않은 꽃망울을 따서 씹어 먹거나 씨앗을 간식으로 먹곤 한다. 생아편을 비상약으로 사용하거나, 상습적으로 물에 타서 마시기도 한다. 마약에 친숙해진 아이들은 점점 마약에 중독돼 간다.

শিশুরাও এর বাইরে নয়। তারা পপি গাছকে (পপি ফুল থেকে আফিম এবং হিরোইন জাতীয় মাদক দ্রব্য তৈরি হয়) “হোয়াইট বেলফ্লাওয়ার:” (বৈজ্ঞানিক নাম প্লাটিকোডান গ্রান্ডিফ্লোরাস) “ওষুধি সিগারেট” অথবা “বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের চারা” বলে অভিহিত করে। শাসকেরা পপি গাছের বীজ বোনা, সেটির চাষ করা এবং পপি সংগ্রহ করার জন্য শিশুদের জড়ো করে। তারা শিশুদের এই কাজে ব্যবহার করতে পছন্দ করে, কারণ বয়স্করা প্রায়শ পপি চুরি করা বলে তারা মনে করে। একটি শিশুর বয়স যত কম হবে, ততই তার চুরি করার সম্ভাবনা কমে যাবে। এই সব শিশুরা প্রায়শই ফোঁটা ফুল ছিড়ে ফেলে এবং নাস্তা হিসেবে পপি বীজ খায়। লোকজন অপরিশোধিত আফিম জরুরী চিকিৎসায় ওষুধ হিসবে ব্যবহার করে থাকে এবং তারা প্রায়শ পানিতে মিশিয়ে এই আফিম পান করে। যখন একটি শিশু দ্রুত এই মাদকের সাথে পরিচিত হয়ে উঠ, ততই সে মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ে।

ব্লগার, জু সুং হা-এর বর্ণনা তুলে ধরছে। জু সং হা, উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে এসেছে। সে দক্ষিণ কোরিয়ায় এক সাংবাদিকে পরিণত হয়। ডোঙ্গা ইলবো নামক দক্ষিণ কোরিয়ার রক্ষণশীল প্রচার মাধ্যমে সে এখন কাজ করছে। জু এখন নাম্বুক স্টোরি [কোরিয় ভাষায়] (서울에서 쓰는 평양 이야기, এই ব্লগের পুরো নাম পিয়ংইয়ং-এর ঘটনা যা সিউলে রচিত) নামক একটি ব্লগ পরিচালনা করে। এটি একটি বিখ্যাত ব্লগ, যার পাঠক সংখ্যা প্রায় ১ মিলিয়ন (১০ লক্ষ)। এই ব্লগ উত্তর কোরিয় সমাজের বিস্তারিত বর্ণনা প্রদান করে।

위장을 위해 양귀비에 백도라지라는 가짜 이름을 붙이고, 가장 지력이 좋은 땅에 양귀비를 심고 가꿨다…7월이면 어린 학생들까지 총동원돼 아편 원액을 추출했는데, 역한 냄새에 학생들이 쓰러지는 일도 많아 밭머리에 의료진까지 대기했다…원액을 뽑고 난 열매에 좁쌀처럼 생긴 고소한 노란 씨가 가득 차 있어 아이들의 간식으로 인기였고, 아편중독자가 생겨났다.

এই গাছটি যাতে কেউ চিনতে না পারে (যেন এটা এক সাধারণ গাছ), তার জন্য পপি চারাকে তারা “হোয়াইট বেলফ্লাওয়ার” নামে ডাকে এবং সবচেয়ে উর্বর জমিতে এর চারা লাগায়। জুলাই মাসে তরুণ ছাত্রদের শুকনা আফিম আলাদা করার আহ্বান জানানো হয় এবং এদের মধ্যে কয়েকজন গন্ধের কারণে একে আলাদা করতে সক্ষম হয়। প্যারামেডিক বা বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ব্যক্তিরা পপি ক্ষেতের কাছেই ডাকের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিল। পপির উপাদানকে আলাদা করার পর, এর ফলকে আলাদা করা হয়, বাদামের মত গন্ধযুক্ত এক ধরনের হলুদ বীজ সহ, যেগুলোর আকার অনেকটা বজরার মত। এই পপি বীজ শিশুদের মাঝে হালকা নাস্তা হিসেবে জনপ্রিয় এবং এর কারণে অনেক শিশু আফিমে আসক্ত হয়ে পড়ছে।

উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনীকে মনে করা হয়েছিল যে তারা মাদক পাচার নিয়ন্ত্রণ করবে। কিন্তু এখন ধারণা করা হচ্ছে যে, তারাই সবচেয়ে বড় মাদক পাচারকারী। এনকে ইনসাইড, দক্ষিণ কোরিয়ার একটি ব্লগ, যে ব্লগ একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, উত্তর কোরিয়ার সামরিক কর্মকর্তারা অবৈধভাবে পপি বা মাদক বিক্রি করছে

썩을만큼 썩어버린 북한 군인의 실태입니다. 국경부근에서 마약 밀매가 성행하고 있다는 것은 이미 잘 알려진 사실이지만 북한 군인이 오히려 더 설치고 있다니. 북한산 마약은 중국에서 쉽게 구할 수 있다고 합니다. 마약과 위폐, 인신매매가 김정일 정권의 체제를 유지하는 강력한 수단이기 때문에 북한 사회는 갈수록 피폐해질 것입니다.

উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনী কি আরো দূর্নীতি পরায়ণ হয়ে উঠবে? ইতোমধ্যে সবাই জেনে গেছে যে, সীমান্ত এলাকায় অবৈধ মাদক পাচারের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনী নিজেই ব্যাপকভাবে মাদক পাচার করছে। বিস্ময়কর বিষয়। আমি শুনেছি যে, চীনে খুব সহজেই উত্তর কোরিয়ার তৈরি মাদক দ্রব্য পাওয়া যায়। মাদক পাচার, নকল টাকা ছড়িয়ে দেওয়া এবং মানব পাচার, বিশেষ এই তিনটি বিষয়ের উপর কিম-জং ইলের শাসন টিকে আছে। উত্তর কোরিয় সমাজের কপালে সামনে আরো দুর্ভোগ রয়েছে।

দি ডেইলে এনকে, সিউল ভিত্তিক এক অনলাইন পত্রিকা। উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে যারা দক্ষিণ কোরিয়ায় আশ্রয় নিয়েছে, তারাই এই পত্রিকাটি চালায়। উত্তর কোরিয় সমাজের অন্ধকার দিক তুলে ধরার কারনে, তারা প্রায়শ উত্তর কোরিয় শাসকের ব্লাকমেইল-এর শিকার হয়। এক সংবেদনশীল সংবাদের শিরোনাম হচ্ছে [কোরিয় ভাষায়] “ উত্তর কোরিয়ার কিশোরদের জন্য জন্মদিনের সবচেয়ে জনপ্রিয় উপহার হচ্ছে মাদক দ্রব্য। এই সংবাদে দাবি করা হয়েছে যে যে মাদক কেবল ধনী শ্রেণী কিনতে পারে, সেই মাদক এখন মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যে চলে এসেছে। এই সংবাদ অনুসারে ছাত্ররা একটি কলম বা ৫,০০০ উন (উত্তর কোরিয়ার মুদ্রা) নোটের মাধ্যমে এই মাদক গ্রহণ করে। ৫,০০০ উন-এর মধ্যে কিম ইল সঙ-এর ছবি আঁকা রয়েছে। অনেক তরুণী আরো মাদক গ্রহণের নেশায়, দেহ বিনিময়ে করছে। এমনকি উত্তর কোরিয় সরকার এই ধরনের ঘটনা বন্ধে বিশেষ বাহিনী গঠন করতে বাধ্য হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত তারা এই ধরনের ঘটনা রোধে সফল হয়নি। উত্তর কোরিয়ার ভেতরে যারা বাস করে তারা বলছে যে, যেহেতু মাদক ব্যবহারকারীরা শাসক দল ওর্য়াকার্স ইউনিয়নের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার সন্তান, অথবা তাদের অনেকেই প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান, যার ফলে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনকে কঠোরভাবে প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে বেশ কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

রেডিও ফ্রি এশিয়া (আরএফএ) একই ধরনের এক সংবাদ প্রদান করেছে [কোরিয় ভাষায়], একজন শ্রমিকের উদ্ধৃতি দিয়ে তারা বলছে যে, যেহেতু এখানে কর্মক্ষেত্রে প্রচণ্ড পরিশ্রম করতে হয় এবং লোকজনকে বাধ্য হয়ে প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় কাজ করে, ফলে তার দলে যে সব শ্রমিক রয়েছে, তারা সকলেই মাদক গ্রহণ করে। এবং মাদকের প্রভাবকে ধন্যবাদ, কারণ এর জন্যই তারা বরফের মধ্যে প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় প্রায় ১২ কিলোমিটার পর্যন্ত স্লেজ নামক গাড়ি টেনে নিয়ে যেতে পারে। উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা এক নাগরিক এই বিস্ময়কর তথ্য আংশিক ভাবে নিশ্চিত করেছে । সফলভাবে দক্ষিণ কোরিয়া পালিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করার ঠিক পরে উত্তর কোরিয়ার এক তরুণকে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করতে হয়।

পালিয়ে আসা উত্তর কোরীয়দের দ্বারা পরিচালিত এক বুদ্ধিবৃত্তিক সাইটের নাম “উত্তর কোরীয় বুদ্ধিবৃত্তিক একতা” (নর্থ কোরিয়া ইনটেলেকচুয়াল সলিডারিটি)। এই ব্লগ উত্তর কোরিয়ার এক নাগরিকের তোলা একই ধরনের অবৈধ মাদক বাণিজ্যের ভিডিও পোস্ট করেছে [কোরীয় ভাষায়]. [এটি ২৪৭ নম্বর পোস্ট, সম্প্রতি এই ভিডিওটিকে আর সেখানে দেখা যাচ্ছে না]

মাদক দ্রব্যের প্রভাব এভাবে ছড়িয়ে পড়ার কারণ বিশ্লেষণ করে ব্লগার সিটারেন৬৪ একটি লেখা পোস্ট করেছে। ব্লগার লিখেছে যে, ধনী ব্যক্তিরা একসময় মাদক ব্যবহার করতে এটা দেখাতে যে তাদের ধনসম্পদ কতখানি। এখন সাধারণ মানুষেরা মাদক দ্রব্য কিনছে, তারা তা কিনছে কোন প্রয়োজন ছাড়াই।

[…]북한은 정부에서 주도적으로 마약을 만들고 해외에 밀수하는 국가라는 점을 알아두어야 한다.[…]이렇게 북한에서 생산된 마약이 외부에 수출되기도 하지만 내부에서 유통되기도 그만큼 쉽다. 따라서 최근 탈북자들은 “북한에서는 마약 구하기가 아스피린 구하는 것보다 쉽다”라고 할 정도이다.[…]북한에 의약품이 절대적으로 부족한 실정을 알아두어야 한다. 마약을 부유층뿐 아니라 중산층 이상의 일반 주민들도 애용하고 있다. […]북한 주민들 사이에 가장 흔한 병은 동상이다…마땅히 동상 치료를 해야 하지만 의약품이 부족하니 순간의 고통을 이겨내기 위해 마약을 찾는 것이다. 동상 뿐 아니라, 결핵에 걸리거나 위장염에도 양귀비 꽃을 끓여 마시거나 잎을 삶아 먹는 방법 등으로 치료하는 경우가 많다고 한다.

[…]উত্তর কোরিয় সরকার মাদক দ্রব্য তৈরি এবং তা পাচারের ক্ষেত্রে নিজেই প্রধান ভূমিকা পালন করছে । […]এই সব মাদক দ্রব্যের কিছু দেশের বাইরে এবং কিছু পরিমাণ উত্তর কোরিয়ার ভেতরেই বিক্রি হয়। সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা লোকজন বলছে যে, উত্তর কোরিয়ায় এখন এসপিরিন নামক ওষুধের চেয়ে সহজে মাদক দ্রব্য পাওয়া যায়। […]এখন সেখানে প্রয়োজনীয় ওষুধ দুষ্প্রাপ্য হয়ে যাবার ফলে, এখন কেবল ধনীরাই নয়, মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকজন নিয়মিত মাদক ব্যবহার করছে। […] উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের মধ্যে যে রোগ সবচেয়ে বেশী দেখা দেয় তার নাম ফ্রস্টবাইট (প্রচণ্ড শীতে চামড়া বা অন্য কোষের ক্ষতি হওয়া,)। লোকজন ফ্রস্টবাইট থেকে রক্ষা পাবার জন্য মাদক দ্রব্য ব্যবহার করে, কারণ সেখানে এর প্রতিকারের জন্য যথযাথ কোন ওষুধ নেই। এছাড়াও যক্ষা এবং হজম সমস্যার কারণে তৈরি হওয়া অগ্নিমন্দাতেও তারা মাদক দ্রব্যকে ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করে। এক্ষেত্রে তারা গরম পানিতে পপি ফুল মিশিয়ে, সেই পানি পান করে এবং তারা পপি গাছের পাতা সিদ্ধ করে খায়।

ব্লগার এর সাথে যোগ করেছেন, মাদক গ্রহণের ভয়াবহ দিক নিয়ে কোন প্রচারণা না থাকার কারণে, বিষটি আরো খারাপ এক পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। তবে অন্য কাহিনীতে জানা যাচ্ছে যে উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা বা সে দেশের ভেতরে বাস করা নাগরিকরা যে সব সংবাদ প্রদান করছে, তা বিশ্বাসযোগ্য নয়। কিন্তু সবাই যখন একই কথা বলছে, তখন একে আর নিছক বানানো কাহিনী বলে মনে হচ্ছে না। ২০০২ সালের জানুয়ারী মাসে জাপানি কর্মকর্তারা উত্তর কোরিয়ার এক জাহাজ থেকে ১৫০ কিলোগ্রাম মেথামফেটামিন নামক মাদক দ্রব্য জব্দ করে, এবং একই বছরে জুলাই মাসে তাইওয়ান সরকার উত্তর কোরিয়ার ৯ জন নাগরিককে আটক করে, যারা ৭৩ কিলোগ্রাম হিরোইন বহন করছিল। হেরিটেজ ফাউন্ডেশন এই সব সংবাদ প্রদান করেছে

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .