বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মালয়েশিয়া বনাম ইন্দোনেশিয়ার ফুটবল প্রতিযোগিতা বাক্যের লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে

ছবি নাইকএমওয়াই-এর টুইটপিক থেকে নেওয়া

সম্প্রতি মালয়েশিয়ার ফুটবল দল দেশটির জন্য আনন্দ প্রকাশের এক সুযোগ তৈরি করে দেয়, যখন তারা আসিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সুজুকি কাপ নামক প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠে। তারা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভিয়েতনামকে হারিয়ে ১৪ বছরের এই প্রতিযোগিতায় এই প্রথমবারের মত ফাইনালে উঠল। আর এই প্রতিযোগিতার দুটি ফাইনালের প্রথম পর্বের খেলায় তারা ইন্দোনেশিয়াকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে। খেলাটি মালয়েশিয়ার বুকিত জালিল ন্যাশনাল স্টেডিয়ামের অনুষ্ঠিত হয়।

তবে, ইন্দোনেশিয়ার সমর্থকরা অভিযোগ করে যে মালয়েশিয়ার সমর্থকরা, ইন্দোনেশিয়ার খেলোয়াড়দের দিকে লেজার লাইট ছুড়ে খেলায় তাদের মনোসংযোগের ব্যাঘাত ঘটায়, এবং এই ব্যাপারে তারা টুইটারের মাধ্যমে তাদের অসোন্তষ প্রকাশ করে। দুটি হ্যাশট্যাগ সারা বিশ্বের এক ধারায় পরিণত হয়, এর একটি হচ্ছে হেইট মালয়েশিয়া (মালয়েশিয়াকে ঘৃণা করি) এবং অপরটি হচ্ছে #লাভইন্দোনেশিয়া’ ( ইন্দোনেশিয়াকে ভালোবাসি)।

ইয়োপি রিনাল্ডি ব্লগ করেছে যে, মালয়েশিয়ার এই জয় তেমন বিশেষ গুরুত্ব রাখে না। তারা প্রতারণা করেছে, রেফারী তাদের সমর্থকদের বিরুদ্ধে কোন শাস্তি প্রদান করেনি, যারা ইন্দোনেশিয়ার গোলরক্ষকের খেলায় মনোসংযোগ ভঙ্গ করার জন্য লেজার লাইটের ব্যবহার করেছিল।

এএফএফ সুজুকি কাপ প্রতিযোগিতায় ইন্দোনেশিয়া বনাম মালয়েশিয়ার মধ্য অনুষ্ঠিত প্রথম ফাইনাল খেলায় ইন্দোনেশিয়ার পরাজয় মোটেও বিব্রতকর কোন বিষয় নয়।

মালয়েশিয়ার সমর্থকরা প্রতারক, যারা এই খেলায় খুব একটা সহযোগিতামূলক মনোভাব প্রদর্শন করেনি, এবং যেখানে মালয়েশিয়া নিয়ম লঙ্ঘন করেছে, সেখানে মনে হয়েছে রেফারি খুব একটা বুদ্ধিমত্তার সাথে খেলা পরিচালনা করেনি। যার ফলে এএফএফ সুজুকি কাপ প্রতিযোগিতায় ইন্দোনেশিয়া পরাজিত হয়েছে।

তবে জাসোনমুম্বালাস টুইট করেছে যে, আমরা মালয়েশিয়রা, লেজার নিক্ষেপের ঘটনায় লজ্জিত। তবে আপনারা বলতে পারেন না যে, আমরা এই খেলায় প্রতারণা করে জিতেছি, কারণ আমরা এই ঘটনার পরই সবগুলো গোল করেছি’।

যখন অনেকে মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ করার জন্য টুইটারকে বেছে নিয়েছে, সেখানে অনেকে বোঝানোর চেষ্টা করেছে যে, এ রকম একটা ঘটনার জন্য এত কঠোর বাক্য ব্যবহার করার কোন কারণ নেই।

প্রিন্সঅফপপজেবি টুইট করেছে, এশিয়ার রাষ্ট্রগুলো একটি#পরিবার, নয় কি?? যদি আমরা এক #পরিবারের সদস্য হই, তাহলে একে অন্যকে ঘৃণা করা বন্ধ করি। মালয়েশিয়াকে ঘৃণা করা বন্ধ করুন। কেবল#লাভমালয়েশিয়া (মালয়েশিয়াকে ভালোবাসি) এবং #লাভইন্দোনেশিয়া (ইন্দোনেশিয়াকে ভালোবাসি) ব্যবহার করুন। :)’

আপমাআআআআরও ইন্দোনেশিয়ার অনেক নাগরিকদের প্রতিক্রিয়াকে যথাযথ বলে মনে করছেন না

‘আমরা ইন্দোনেশিয়াকে ভালোবাসি, আমরা ইন্দোনেশিয়াকে নিয়ে গর্বিত, কিন্তু আমাদের মালয়েশিয়াকে ঘৃণা করার দরকার নেই। অভিযোগ করা বন্ধ করুন এবং কাজ চালিয়ে যান!!

২৯ ডিসেম্বর-এ, ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার গেলারা বুয়াং কারনো স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ফাইনাল খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়, এবং ফাইনালে জেতার জন্য ইন্দোনেশিয়ার অন্তত চার গোলে জেতার প্রয়োজেন ছিল। (বিশেষ তথ্য: জার্কাতায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ফাইনালে ইন্দোনেশিয়া ২-১ গোলে মালয়েশিয়াকে পরাজিত করে, কিন্তু দুটি ফাইনাল মিলে গড় গোলের ব্যবধানে মালয়েশিয়া এএফএফ সুজুকি কাপ জিতে নেয়)

ওয়াকারিমাসেনলোল প্রথম ফাইনালের ছবি সবাইকে প্রদর্শন করেছে এবং এই খেলার উল্লেখযোগ্য অংশ ইউটিউবে পাওয়া যাবে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .