বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

অস্ট্রেলিয়াবাসী আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনকে মাপছেন

আমেরিকেইন নামে একটা ঘোড়া মঙ্গলবার আমাদের সব থেকে বড় রেস মেলবোর্ন কাপ জিতেছে। এই ঘোড়াটি আমেরিকাতে ভূমিষ্ঠ ও বড় হয়েছে, এর ফরাসী জকি আর প্রশিক্ষক আছে কিন্তু অস্ট্রেলিয়ান মালিকানাধীন। এই মনোযোগ চ্যুতি সত্ত্বেও আজ ব্লগ জগৎ দ্রুত সাড়া পাওয়া গেছে আমেরিকার কংগ্রেস নির্বাচন নিয়ে। আমরা সম্প্রতি সময়ে অস্ট্রেলিয়ার ঝামেলাপূর্ণ নির্বাচনের সাথে পরিচিত হয়েছি।

প্রগতিশীল ব্লগ পাবলিক ওপিনিয়নে একজন বেনামী মন্তব্যকারী পরর্বতী দুই বছরের জন্য মূল একটি বিষয় দেখছেন:

সংখ্যাগরিষ্ঠতা বিহীন একটি কংগ্রেস কখনই সাহায্য করবে না সেই আমেরিকাকে যাদের অর্থনীতি অসুস্থ, আসন্ন একটি মন্দার দশক, লক্ষ লক্ষ মানুষ চাকুরী বিহীন আর লক্ষ লক্ষ মানুষ তাদের মাথার উপরে ছাদ রাখার যুদ্ধে রত। পরবর্তী দুই বছর অর্থনীতি আর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন গুরুত্ব পাবে। টিকে থাকার জন্য ওবামাকে অর্থনীতিকে ঘুরিয়ে দিতে হবে। তিনি কি তা পারবেন?

ওবামা অনেক সমস্যার সম্মুখীন।

স্বঘোষিত ‘মুক্তকামী আর মধ্য-ডানপন্থী ব্লগ’ ক্যাটালক্সি ফাইলসের স্টিভ কেটস একই ধারনা রাখেন একেবারে আলাদা দৃষ্টিভঙ্গী থেকে:

অন্যান্য বিষয় অবশ্যই ছিল, যেখানে তালিকার একেবারে উপরে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিবর্তনের ব্যাপারটি ছিল। কিন্তু দিনের শেষে, আমেরিকার অর্থনীতিতে ‘স্টিমুলাস প্যাকেজে’ সমস্যার কেন্দ্রে ছিল। যদি আমেরিকা স্বল্প মেয়াদের ধারাল অর্থনৈতিক মন্দার পরে পরিস্থিতি সামলানোর কাজে ব্যস্ত হত, কিছু আসন হয়ত এখানে ওখানে হারাত ক্ষমতাসীনরা কিন্তু এখনকার মতো এত বাজে ভাবে হারাত না। কিন্তু আমেরিকার অর্থনীতি যেহেতু ধ্বংসের মুখে, কোন ধরনের গতি না থাকায় আর কর্মহীনতা গভীর মন্দার মধ্যে থাকার কারনে যেখানে ভালো সময়ে ফেরার কোন লক্ষণ নেই, ফলাফল এটাই প্রত্যাশিত ছিল।

আমেরিকার নির্বাচন কেইনেশিয়ান অর্থনীতির উপর একটি গণভোট

ক্যাফে হুইস্পার্স এর ন্যাশকিং ভাবছেন কেন স্বাস্থ্য সেবার আমূল পরিবর্তন রাজনৈতিকভাবে ওবামার জন্য কাজ করেনি:।

হয়তো আমেরিকার সংখ্যাগরিষ্ট লোকজন একদিন আসলেই জেগে উঠবে… বাধার ভিতর দিয়ে দেখবে…তাদের ধৈর্য থাকবে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা কার্যকর করার জন্য? হয়তো চাকুরি আসবে। সময়ে। আর ওবামা আবার উঠবেন। যেহেতু মানুষকে তাদের স্বাস্থ্য ফান্ড থেকে লাথি মেরে বের করা হচ্ছে না আগের থাকা শর্তের কারনে…আর তারা তাদের তরুণ প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের তাদের স্বাস্থ্য ইন্সুরেন্স প্যাকেজের মধ্যে দেখতে পাচ্ছেন…আর বয়স্ক মানুষ বুঝতে পারছেন যে মেডিকেল ‘ডোনাট’ ভরে দেয়া হয়েছে যাতে তারা কম অর্থ দেন…আর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া যাতে সামর্থের মধ্যে থাকে…আর আসলেই ওবামার একটা স্বপ্ন ছিল …আর যদিও এটা খুব বেশী মানিয়ে চলা বলে মনে হয়েছিল…তার পরেও অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে এটাকে কাজে পরিণত করতে। আর আরো অনেক বেশী আসতে পারে যদি অর্ধেক পরিমাণ ও সুযোগ দেয়া হয়।

আমেরিকার নির্বাচন.. যেমন ভাবা হয়েছিল তার থেকে কিছুটা স্বস্তিকর.. কিন্তু..

নিউ ম্যাটিল্ডাতে লিখতে গিয়ে অ্যারোন পল একটি বিভাজিত দেশ দেখেছেন:

আমেরিকা মধ্য থেকে ভাগ হয়ে আছে সাদা/অসাদা, ছোট শহর/এলাকা, বৃদ্ধ/ তরুন- আর এই নির্বাচনে বৃদ্ধ সাদাদের ছোট শহরের আমেরিকা এখনো সংখ্যাগরিষ্ঠ আর একজন প্রেসিডেন্টের প্রতি ক্ষোভ দেখাচ্ছেন যার ব্যাপারে তারা সবাই খুব আগ্রহী না চাওয়ার ‘পরিবর্তন’ করার জন্য দোষী করতে।

বৃদ্ধ সাদাদের পুরোনো ছোট শহরের নিয়ন্ত্রণে আমেরিকা আবার।

বাণিজ্যিক ওয়েবসাইট ক্লাইমেট স্পেক্টেটরের জাইলস পারকিনসন্স আবহাওয়া আইন এর উপরে জোর দেন। তবে তার পোস্টের শিরোনামে ওবামার ২০০৮ নির্বাচন নিয়ে অবশ্যম্ভাবী মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে পারেননি:

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আবহাওয়া রিফর্ম এর পরিকল্পনা মনে হচ্ছে মৃত আর দেশের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাব্লিকানদের বিশাল জয়ের ফলে তা কবরে চলে গেছে।

তিনি এটাকে গভীর বিশ্ব প্রেক্ষাপটে দেখেন:

অনেক ক্ষেত্রেই আমেরিকা হচ্ছে বিশ্ব আলোচনাতে কি ঘটছে তার নমুনা – দূষণ কমানো আর পরিষ্কার শক্তি নিয়ে নিম্নমুখী একটি প্রচেষ্টা নিতে ব্যর্থ হওয়া, যার সাথে আছে ব্যক্তি বা আঞ্চলিক পর্যায়ে জোরালো ‘তুলে ধরার’ প্রচেষ্টা।

তবে তিনি কিছুটা আশা দেখছেন ক্যালিফোর্নিয়ার প্রস্তাব ২৩ এর কারনে:

… এটি একটি পদক্ষেপ যা আমেরিকার বড় তেল কোম্পানিরা তুলে ধরেছে যাতে দেশটার আবহাওয়া আইন আর পরিষ্কার শক্তি আইনকে থামানো যায়। যার মানে হচ্ছে যে ক্যালিফোর্নিয়ার পরিষ্কার বাতাস আইন ২০০৬ থাকবে আর এখন কাজের কাজ করা শুরু করবে।

না তারা পারেনি

হিলারি ক্লিন্টন আমাদের দিকে পরের সপ্তাহে আসছেন তাই ব্লগাররা আমেরিকা সংশ্লিষ্ট আরো গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার নিয়ে লেখায় ব্যস্ত থাকবেন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .