বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ব্রাজিল: বিশ্বের সব থেকে বড় দেয়ালচিত্রের উদ্বোধন

ফোজ দো ইগুয়াচুতে দেয়ালচিত্র

ফোজ দো ইগুয়াচুতে দেয়ালচিত্র

ব্রাজিলের ফোজ দো ইগুয়াচু এলাকায় প্রায় ৩৭০০০ বর্গ ফুট এলাকা জুড়ে বিশ্বের সব থেকে বড় দেয়ালচিত্রটি (গ্রাফিটি) উদ্বোধন করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা। এই এলাকা বিখ্যাত ইগুয়াচু জলপ্রপাত আর প্যারাগুয়ে, ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনার এই তিন দেশের সীমান্তের মিলনস্থল হিসেবে। এখানে এখন সজ্জিত একটি মহাসড়ক থাকবে যেটি শিশু ও তরুণদের অধিকারকে সম্মান জানাবে।

আঞ্চলিক অনলাইন সংবাদ পোর্টাল ক্লিকফজ জলপ্রপাত এলাকার এই শৈল্পিক প্রচেষ্টার বিশেষ কাভারেজ দিয়েছে যা দেয়ালচিত্রকে কলঙ্কমুক্ত করতে সচেষ্ট, শহরকে উন্নত করা আর শিশু আর তরুণদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। নিচের ভিডিও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখাচ্ছে: রাষ্ট্রপতি লুলা যেখানে রংয়ের স্প্রের মাধ্যমে নাম সই করে এই প্রকল্প উদ্বোধন করেন আর শিল্পীরা উজ্জ্বল ব্যাকগ্রাউন্ডে তাদের কাজ সম্পর্কে আলোচনা করেছেন:

ওডি.কম এই তিন দেশীয় প্রচেষ্টার গল্প আর ছবি দেখিয়েছে:

ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা আর প্যারাগুয়ের দেয়ালচিত্র শিল্পীরা লাগাতার ১০ দিন ধরে এই মহাসড়কে কাজ করেছেন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য। প্যারাগুয়ে থেকে যে সকল গ্রাফিটির শিল্পী এই প্রকল্পে অংশগ্রহন করেছেন তাদের মধ্যে আছেন এডি, এটাক, ওজ আর প্রিজ যারা প্যারাগুয়ের ‘জোপারা’ সমবায়ের অংশ। আর্জেন্টিনার দিকে আছে গ্রুপো উই! সম্প্রদায় আর ব্রাজিলের দিকে পন্টেলো, ইনফেমস ক্রু আর ইয়া বাস্তা সম্মিলিতভাবে যা সিকা, লালান, মিশেল আর অন্যদের নিয়ে গঠিত।

প্যারাগুয়ে থেকে প্রিসিলা বেনিটেজ (প্রিজ) দেয়ালচিত্রের কাজ চলাকালীন তার ভিডিও করেছেন। স্কেটবোর্ডগুলো লক্ষ্য করবেন; এটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল আঁকা আর শিল্পীদের এই মহাসড়ক বা ভিয়াদুক্টো ধরে যাতায়াতের জন্য:

পাঙ্কগোদাঙ্গেল নামে তার ব্লগে প্রিজ লিখেছেন কিভাবে এই আন্তর্জাতিক দেয়ালচিত্র শিল্পীদের মধ্যে একমাত্র নারী হিসেবে, এই বিশাল মুর‍্যাল আঁকার বিশাল কাজকে হাতে নিয়েছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন ঘড়ির কাঁটার সাথে তাল মিলিয়ে কষ্টকর শিডিউলের মধ্যে কিভাবে নতুন কাজ শিখেছেন (যার মধ্যে স্কেটবোর্ড চড়া আছে) আর কিভাবে বহুজাতিক- সাংস্কৃতিক পরিবেশে কাজ করেছেন:

Es todo un tema trabajar en equipo con gente que conoces por primera vez. Las relaciones humanas son complicadas y mas todavia cuando se trata de una triple frontera; cada artista tiene un estilo distinto, una manera de trabajar distinta y un lenguaje distinto. Conseguir que todo eso llegue a un acuerdo no es fácil, pero lo conseguimos. El objetivo final era uno en común y unimos fuerzas.

নতুন পরিচিত হওয়া মানুষের সাথে দলবদ্ধভাবে কাজ করা সম্পূর্ণ আলাদা ব্যাপার। মানুষের সাথে সম্পর্ক জটিল আর সেটা আরো বেশী যখন তিনটা সীমান্ত নিয়ে কথা বলা হয়; প্রত্যেকটা শিল্পীর আলাদা ধরন আছে, কাজ করবার আলাদা ধরন, আর রয়েছে আলাদা ভাষা। এইসব কিছু নিয়ে মতৈক্যে পৌঁছানো সহজ না, কিন্তু আমরা করেছি। শেষের লক্ষ্য একটাই ছিল আর সেটা আমরা অর্জন করেছি।

আপনারা সম্পূর্ণ চিত্রকর্মের ছবি আরও দেখতে পাবেন বিভিন্ন শিল্পির পাতায়: এডি, ওজ, প্রিজ, পোন্টেল্লো আর ইনফেমাস ক্রু

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .