বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

আফগানিস্তান: ২০১০-এর নির্বাচন শুরু হয়েছে

আফগানিস্তানের ২০১০ ওয়েলেসি জির্গার নির্বাচন ১৮ সেপ্টেম্বরে সকাল ৭টার সময় শুরু হয়। স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের ১৭ তারিখে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুসারে দেশটির ৩৪টি প্রদেশের পরিকল্পিত ১৮,৭৩১টি ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের মধ্যে ১৬,৬৯১টি (৮৯ শতাংশ) ভোট গ্রহণের জন্য নিশ্চিতভাবে তৈরি ছিল।

নিরাপত্তার হুমকি এবং উদ্বেগ সত্ত্বেও সারা দেশের সকল ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে শত শত আফগান ভোট দেবার জন্য দাঁড়িয়ে ছিল।

টোলোনিউজ.কম সংবাদ প্রদান করেছে যে দ্বিতীয় দফা আফগান সংসদ নির্বাচন শনিবারে সকাল ৭ টায় সময় শুরু হয় এবং শেষ হয় বিকেল ৪ টায়:

আফগান রাষ্ট্রপতি হামিদ কারজাই কাবুলের কাবুলের এক উচ্চ বিদ্যালয়ে অবস্থিত এক ভোট কেন্দ্রে তার ভোটটি প্রদান করেন এবং তিনি সকল আফগানবাসীর প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং তাদের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট প্রদান করে।

মুজাফফার আলি একজন আফগান চিত্রগ্রাহক, যিনি ভোটের উপর তোলা তার সাম্প্রতিকতম ছবিগুলো প্রদর্শন করছেন এবং সে বিষয়ে মন্তব্য করছেন:

বামিয়ান এবং অন্য সকল হাজারা জাতি অধ্যুষিত এলাকায় ভোট দেবার জন্য মানুষের লম্বা লাইন দেখা গেছে। দেশের অন্য সব এলাকার মতই, এই সমস্ত লোকেরা নিরাপত্তা বিষয়ে কোন সমস্যার মুখোমুখি হয়নি।

ইউনেস এনতেজার একজন আফগান ব্লগার, তিনি লিখেছেন [ফরাসী]:

আজ আমি আমার পছন্দের প্রার্থীর জন্য ভোট প্রদান করলাম এবং আমার বাবা তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিল। আমাদের পরিবারে ৮ জন ভোটার রয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত আমাদের প্রতিবেশী এবং তার স্ত্রী অশিক্ষিত এবং যদিও আমি তাদের প্রচুর উৎসাহ প্রদান করেছি, তারপরেও তারা কখনোই কোন নির্বাচনে ভোট দিকে যায়নি।

হেরাতপেপার.কম পশ্চিম আফগানিস্তানের একটি অনলাইন ভিত্তিক সংবাদপত্র। পত্রিকাটি সংবাদ প্রকাশ করেছে [ফার্সী ভাষায়] যে হেরাতে বড় ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে ভোট গ্রহণ বেশ করা হয়েছে:

ড: দাউদ সাবা, হেরাতের গর্ভনর। তিনি বলেন: একটি উন্মুক্ত, স্বচ্ছ এবং নিরাপদ নির্বাচনের জন্য আমাদের নিরাপত্তা কর্মীরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে।

দৌলতশাহ পয়েশ, যিনি এখন ভারতে, তিনি মনে করেন [ফরাসী ভাষায়] যদি তিনি আফগানিস্তানে থাকতেন তাহলে ভোটটা দিতে পারতেন:

আজ যদি আমি সেখানে থাকতে পারতাম। আমি হয়ত কারো জন্য ভোট দিতে পারতাম অথবা যদি আমি নিজেই প্রার্থী হতাম তাহলে আমি নিজের জন্য ভোট দিতে পারতাম। এই নির্বাচনে অনেক প্রার্থী ছিল এবং আমিও তাদের মধ্যে একজন হতে পারতাম। তবে অন্তত, আমি আমার পছন্দের প্রার্থীর জন্য ভোট দিতাম। ৬০০ থেকে ৭০০ জন প্রার্থীর মধ্যে থেকে পছন্দের প্রার্থী বেছে নেওয়া বেশ কঠিন কাজ!

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .