বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ভেনেজুয়েলা: ওয়েব ভিডিও নাগরিকদের ভোট দেবার জন্য উৎসাহিত করছে

২৬ সেপ্টম্বর ২০১০, তারিখে ভেনেজুয়েলা জাতীয় পরিষদ নির্বাচনের জন্য ভোট প্রদান করেছে। এক কক্ষবিশিষ্ট আইন পরিষদ মূলত কংগ্রেসের বিকল্প হবে এবং অনলাইনে ডজন ডজন জনতা নাগরিকদের ভোট প্রদান করার আহ্বান জানানোর জন্য নানা ভিডিও তৈরি করেছে এবং একই কাজের জন্য তারা পুরোনো ভিডিওকে আবার নতুন করে সাজিয়ে তৈরি করছে (রিমিক্স করেছে)।

লোস হেরমানস ইলেকট্রোডাস বা নির্বাচনী ভ্রাতৃত্ব, চারটি ভিডিওর এক ধারাবাহিক (সিরিজ) তৈরি করেছে, যেগুলো দেশটির বিভিন্ন পরিস্থিতি তুলে ধরেছে, এগুলোকে গানে রুপান্তরিত করে ভোটের গুরুত্ব সম্বন্ধে বলা হচ্ছে, যা কিনা সংঘর্ষ, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, অর্থনীতি এবং খাদ্য ঘাটতির মত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবার জন্য ভোট প্রদানের আহ্বান জানাচ্ছে। তাদের সাম্প্রতিকতম ভিডিও নিরাপত্তাহীনতা, খুনখারাবি এবং অপহরণের মত ঘটনাকে বিষয় বানিয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে ভেনেজুয়েলায় প্রভাব তৈরি করছে এবং এটিকে জনপ্রিয় রেগ্গি সুরে এবং আকর্ষণীয় নাচিয়ে বালিকাদের নাচের মাধ্যমে পুনরায় মিশ্রিত করা তৈরি করা হয়েছে, যেটি এই বার্তা প্রদান করছে যে পরিস্থিতি উন্নত করার জন্য আপনার ভোট প্রদান করা দরকার:

কিউটালেভা২০১০ (এখানে যা আছে তা স্প্যানিশ ভাষায়) নামক ভিডিও নিরাপত্তাহীনতার মত একই বিষয়ের অন্ধকার দিক তুলে ধরেছে। অপহরণের শিকার এক ব্যক্তিকে সারারাত ধরে নির্যাতন করা হয়, তার ব্যাংকে রাখা সকল টাকা নিয়ে নেওয়ার জন্য। এর জন্য তাকে সারা শহর ঘোরানো হয় এবং শেষে তাকে একটি ভোট কেন্দ্রের সামনে ফেলে রেখে যাওয়া হয়: ভিডিওতে দর্শকদের প্রশ্ন করা হয়, যদি নিরাপত্তাহীনতার মত বিষয়ও আপনাকে ভোট দেওয়াতে না পারে, তাহলে আর কোন ঘটনা আপনাকে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যাবে?

ভোটো জোভেনের একটি ভিন্নধর্মী প্রচারণা রয়েছে, এটি উৎসাহ প্রদান করছে, সরকার বা বিরোধী যে পক্ষেই আপনার অবস্থান হোক না কেন, ভোট প্রদান করা প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। কাজেই তারা ২৬ তারিখে ভোট দেবার জন্য ২৬টি যুক্তি প্রদান করেছে:

পরবর্তী ভিডিও ভেনেজুয়েলা বাসীদের বিবেচনা করতে বলেছে যেন তারা ভোট দেয় অথবা তারা তাদের ভোট আবর্জনার বাক্সে ফেলে দেয়। তারা এ ক্ষেত্রে স্প্যানিশ ভাষার শব্দ ভোটার এবং বোটার নিয়ে খেলা করেছে। স্প্যানিশ ভাষায় “ভোটার” মানে ভোট দেওয়া এবং “বোটার” মানে ছুড়ে ফেলে দেওয়া:

অন্য এক ভিডিও শিরোনাম ভেনেজুয়েলায় ভোট প্রদান করার কারণ (রিজন টু ভোট ইন ভেনেজুয়েলা) বিশেষ একদল প্রার্থীকে সমর্থন করছে, যেমন পরবর্তী ভিডিওটি দি ডেমোক্রাটিক অলটারনেটিভ এর সমর্থনকে তৈরি করা, যেটি ভোটারদের আহ্বান জানাচ্ছে, ভেনেজুয়েলা যেন কিউবার পদক্ষেপ অনুসরণ না করে:

কেবল যে মৌলিক ভিডিওতে এসব বিষয় দেখা গেছে তা নয়, তার সাথে পুরোনো বিষয়কে নতুন সাজে তৈরি করা ভিডিও (রিমিক্স ভিডিও) রয়েছে। যেমন এটি যুক্তরাষ্ট্রের ভোট নিবন্ধন প্রচারণা অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছে। ভিডিওতে কথাগুলো একই রয়েছে, কিন্তু এই কথাগুলোর অনুবাদের শিরোনামে (সাবটাইটেল) ভেনেজুয়েলার বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটেছে: ভোটার হবার জন্য দ্রুত নিবন্ধন করার বদলে লোকজন যেন ভোট সম্বন্ধে জ্ঞাত হয়, তার তার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে এবং তাদেরকে কার্টেলেরা ইলেকটোরাল ব্লগের দিকে নির্দেশ করছে।

এই সমস্ত প্রচারণার উদ্দেশ্য হচ্ছে তরুণের অনাগ্রহের বিষয়কে উন্নত করা, যারা অনলাইন প্রচার মাধ্যমের মূল ভোক্তা: এই ভিডিও অনুসারে ২০০০ সালের সংসদ নির্বাচনে প্রায় ৭৫ শতাংশ তরুণ ভোটার ভোট প্রদান করেনি। আশা করা যায় এ বছর অনুপস্থিতির হার অনেক কমে আসবে।

ভেনেজুয়েলার পতাকার থাম্বনেইল ছবি আলেজান্দ্রো আন্দ্রেস আলারকনেরসিসি এট্রিবিউশন লাইসেন্সে আওতায় তা ব্যবহার করা হয়েছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .