বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

অ্যাঙ্গোলা: একদা রোক সান্তেইরোতে

লুয়ান্ডাতে বড় বাজার। ছবি তুলেছেন ফ্লিকার ব্যবহারকারী বিরামিরেজ৩৭

লুয়ান্ডাতে বড় বাজার। ছবি তুলেছেন ফ্লিকার ব্যবহারকারী বিরামিরেজ৩৭, ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় প্রকাশিত।

বিখ্যার ব্রাজিলের সোপ অপেরা (যা নাটক পাগল অ্যাঙ্গোলাবাসীদের কাছে খুব জনপ্রিয় ছিল) থেকে আসা নাম রোক সান্তেইরো বাজার আফ্রিকার সব থেকে বড় খোলা বাজার হিসাবে বিখ্যাত। এই বাজারে প্রতিদিন হাজার হাজার ডলারের লেনদেন হয়, আর কল্পনায় ধারণক্ষম সকল জিনিষের কেনাবেচার প্রধান স্থান হিসাবে গন্য হয়। সৌভাগ্য বা দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই বাজারের আয়ু কমে গেছে। লুয়ান্ডার সরকার পরিকল্পনা নিয়েছে এই বাজার সাম্বিজাঙ্গা থেকে পাঙ্গুইলা অঞ্চলে সরানোর, যা লুয়ান্ডার ৩০ কিমি উত্তরে অবস্থিত। স্থানান্তরের তারিখ এখনো ঠিক হয়নি।

১৯৮০র দশকে রোক সান্তেইরো বাজার বর্তমান স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়, যে সময়ে দেশটা যুদ্ধ বিক্ষত ছিল আর বস্তুসামগ্রী দুর্লভ ছিল। প্রাথমিকভাবে বোয়া ভিস্তা বাজারের মতো ডিজাইন করা এই বাণিজ্যিক এলাকা হয়ত একমাত্র স্থান ছিল যেখানে সব কিছু অল্প হলেও পাওয়া যেত- যদিও লুকানো অবস্থায়, যার মধ্যে বন্দুক আর হাতিয়ার পাচার হতো – এছাড়া প্রাপ্তবয়স্ক আর শিশু যৌন সেবা পাওয়া যেত।

বর্তমানে, রোক সান্তেইরো বাজার অ্যাঙ্গোলার অনেক পরিবারের বেঁচে থাকার উপায়। একই সময়ে, এই বাজার অপরাধীদের তীর্থস্থান যারা এই বাণিজ্যিক এলাকার বদনাম এনেছে।

অ্যাঙ্গোলা ড্রপস ব্লগের ব্রাজিলিয়ান ব্লগার পুরোনো একটি প্রতিবেদনে এই বাজারের বর্ণনা দিয়েছেন [পর্তুগীজ ভাষায়]:

Fui com dois colegas brasileiros e um angolano ao mercado do Roque Santeiro que tem a fama de ser o maior do mundo. São 500 campos de futebol numa área de um quilómetro de comprimento por 500 metros de largura, que abriga cinco mil vendedores. A infra-estrutura é mínima: em todas as “lojas” o chão é o barro nu e o máximo de cobertura são telhas gastas de zinco ou mais comumente, lona. Obviamente vende-se de tudo. Logo na chegada passámos por géneros alimentícios de vegetais comercializados directamente sobre panos no chão, a enlatados, caldo de carne, maionese e alimentos prontos, principalmente banana da terra na grelha. Se o Roque Santeiro é um grande centro comercial a céu aberto, não poderia faltar o cinema. O complexo tem duas salas, erguidas com madeira e restos de lona e com capacidade para umas 50 pessoas cada. Em cartaz, Sete Vidas com Will Smith, exibido numa televisão de 29 polegadas colocada numa mesa alta. O barracão é adequadamente escuro e os espectadores vêem o filme em bancos de madeira sem encosto.

দুইজন ব্রাজিলের আর একজন অ্যাঙ্গোলার সহকর্মীর সাথে আমি রোক সান্তেইরো বাজারে গিয়েছিলাম, যেটা বিশ্বের সব থেকে বড় বাজার হিসাবে খ্যাত। এটি এক কিলোমিটার আর দেড় কিলোমিটার মাপের একটি এলাকায় ৫০০ ফুটবল মাঠের সমান যেখানে ৫০০০ বিক্রেতা বসে। অবকাঠামো খুবই কম: প্রত্যেক দোকানে মাটির মেঝে, আর সব থেকে ভালো ছাঁদ পুরানো টিনের শিটের, কিন্তু বেশীরভাগ হচ্ছে ছাউনি। অবশ্যই যে কোন কিছু এখানে বিক্রি হয়। ঠিক প্রবেশের মুখে তরকারি মাটিতে কাপড় বিছিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে, ক্যানের খাবার, গরুর মাংসের স্টু, ম্যায়োনেজ আর তৈরি খাবার মূলত ঝলসানো স্থানীয় কলা পাওয়া যাচ্ছে। আর যেহেতু রোক সান্তেইরো বাজার বড় খোলা বাজার, এখানে অবশ্যই সিনেমা হলের অভাব থাকতে পারে না। সিনেমা হলটি দুই কামরার যা কাঠ আর ছাউনি দিয়ে তৈরি, যেখানে প্রত্যেকটি রুমে ৫০ জন করে বসতে পারে। এখন উইলস স্মিথের সেভেন পাউন্ডস দেখাচ্ছে উঁচু একটি টেবিলে ২৯ ইঞ্চি স্ক্রিন বসিয়ে। বিরাট তাঁবু যথেষ্ট অন্ধকার, আর সবাই পিছন ছাড়া কাঠের বেঞ্চে বসে দেখেন।
রোক সান্তেইরো বাজার। ছবি তুলেছেন মেনিনা দে অ্যাঙ্গোলা।

রোক সান্তেইরো বাজার। ছবি তুলেছেন মেনিনা দে অ্যাঙ্গোলা।

শহরব্যাপী উন্নয়ন যেটা আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ছে তার বদৌলতে, রোক সান্তেইরো বাজার নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করছে যেটি স্বাভাবিকভাবে যেসব বিক্রেতা প্রতিদিন সেখানে তাদের জিনিষ বেচতে যায় তাদের ক্ষুব্ধ করছে। বাজারটিকে শহরের আর এক স্থানে সরানোর সরকারী চিন্তার পিছনের কারন হচ্ছে লুয়ান্ডা শহরকে স্বীকৃতি দেয়া, এটিকে আরো আধুনিক বানানো আর তার নাগরিকদের জন্য আরো নিরাপদ করা। মেনিনা দে এঙ্গোলা ব্লগের লেখক পরিস্থিতি এইভাবে দেখছেন:

O mercado mais famoso do mundo vai acabar. Finalmente o governo vai transferir todos os vendedores para a Panguila, numa área organizada, com restaurantes, bancos e o mais importante condições sanitárias adequadas. Essa transferência faz parte do programa do governo de requalificação do Sambizanga que vai transformar o perigoso e violento bairro num moderno distrito comercial e residencial, com muitos prédios modernos e caríssimos.

বিশ্বের সব থেকে জনপ্রিয় বাজার শেষ হয়ে যাচ্ছে। পরিশেষে সরকার সকল বিক্রেতাকে পাঙ্গিলাতে সরাবেন যেটি সুসংঘবদ্ধ এলাকা যেখানে রেস্টুরেন্ট, ব্যাঙ্ক আর সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ যথাযথ পয়োনিষ্কাশনের ব্যবস্থা আছে। এই সরকারী স্থানান্তর প্রোগ্রামের অংশ সাম্বিজাঙ্গাতেও পরিবর্তন আনা, যেটা এই বিপদজনক আর ভয়ঙ্কর এলাকাকে আধুনিক বাণিজ্যিক এলাকায় পরিণত করবে বেশ অনেক আধুনিক আর খুব দামি বাড়ি দিয়ে।
রোক সান্তেইরো বাজারে অ্যাঙ্গোলার নারী। ছবি তুলেছেন ইয়ান বোয়েচাট, ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় প্রকাশিত।

রোক সান্তেইরো বাজারে অ্যাঙ্গোলার নারী। ছবি তুলেছেন ইয়ান বোয়েচাট, ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের আওতায় প্রকাশিত।

মোররো দা মায়াইঙ্গা [মাইয়াঙ্গা পাহাড়ী এলাকা, পর্তুগীজ ভাষায়] ব্লগের লেখক কিছু সম্ভাব্য ঘটনার কথা তালিকা করেছেন জনপ্রিয় এই বাজার বন্ধের কারনে যা ঘটতে পারে:

mais miséria/exclusão social/mais zunga/caos urbano/mais delinquência/criminalidade/violência/mais instabilidade/insegurança/e mais um espaço de especulação imobiliária.

আরো কষ্ট/ সামাজিকভাবে একঘরে করা, আরো রাস্তায় ডাকাডাকি/ শহুরে গন্ডগোল/ আরো দুস্কৃতি/অপরাধ/মারামারি, আরো স্থায়ীত্ব হীনতা, আর রিয়াল এস্টেট নিয়ে চিন্তার আরো সুযোগ।

পোস্টের শেষে ব্লগার সাবধান করে দিয়েছেন:

পরে (কেবল) পুলিশ নিজেকে দায়িত্ব থেকে আলাদা করে নেয়না।

কথিত আধুনিক স্থানে যাওয়ার ব্যাপারে বিক্রেতার পরিষ্কার বিরক্তি সত্ত্বেও বাজার প্রশাসক মনে করেন এই স্থানান্তর শান্তিপূর্ন হবে।

নতুন বাজার যে স্থানে স্থাপিত হবে সেটা দেখার জন্য, যান: http://www.youtube.com/watch?v=sq1n72IYnzI

এই প্রতিবেদন ভাষান্তর করেছেন মেলিসা মান।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .