বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইজরায়েল: বিশ্বকাপে লাভ-খেলায় ফিরে যাওয়া

গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইনের প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আমি আপনাদের সামনে বিশ্বকাপ উপলক্ষে ইজরায়েলি ব্লগস্ফেয়ারের কিছু লেখা তুলে ধরতে চাই। এক্ষেত্রে আমি সামান্য দ্বিধায় রয়েছি, কারণ এখানে আপনারা দেখতে পাবেন বেশিরভাগ ইজরায়েলি ব্লগার এখন বিশ্বকাপের খেলা দেখতে ব্যস্ত, যাতে তারা এই বিষয়টি নিয়ে ব্লগ করতে পারে। এই সব লেখার নমুনা হিসেবে আপনাদের সামনে আমি তিনটি লেখা তুলে ধরতে চাই।

সংস্কৃতিগত দৃষ্টিভঙ্গি

ছবির কৃতিত্ব: ফ্লিকারের মাধ্যমে পাওয়া মার্কোপ_ডোমজ-এর


প্রথমেই রয়েছে ইজরায়েলিটি ব্লগের ডেভিডের লেখা। সে নিজেকে সেই এক শতাংশ ইজরায়েলি পুরুষ জনগোষ্ঠীর মধ্যে গণ্য করে, যারা বিশ্বকাপের খেলা দেখছে না এবং এ কারণেই এই উত্তেজনা সম্বন্ধে সে সংবাদ প্রদান করতে সক্ষম হচ্ছে। সে লিখেছে:

““১৯৭০ সাল বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে প্রথম অংশ নেবার পর থেকে ইজরায়েল নামের যে দেশটি এখন পর্যন্ত আর কোন বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের বৈতরণী পার হতে পারেনি, সেই দেশটি বিশ্বকাপের সময় উন্মাদ হয়ে যায়। রেস্তরাঁ এবং শুঁড়িখানাগুলো বিশেষ সুবিধা প্রদান করে এবং সেগুলো সমর্থকদের ভিড়ে জনাকীর্ণ হয়ে যায়। যদি আপনি খেলা চলাকালীন সময় এলাকায় বের হয়, তা হলে আপনি শুনতে ভুভুজেলার বিরক্তিকর শব্দ। ভুভুজেলা, দক্ষিণ আফ্রিকার আওয়াজ তৈরিকারী উপাদান যার দেখতে ট্রাম্পেটের মত, সমর্থকরা প্রতিটি খেলার সময় এই যন্ত্রটি বাজিয়ে থাকে, এবারের বিশ্বকাপে রাস্তায় বের হলেই শুনবেন প্রতিবেশীদের প্রতিটি বাড়ির টিভি থেকে ভুভুজেলার আওয়াজ বের হচ্ছে…

ইজরায়েলে এমনকি যে সমস্ত লোক সাধারণত ফুটবল খেলা দেখে না, তারা বিশ্বকাপের সময় এই উত্তেজনায় যোগ দেয়। অনেকে তাদের আদিবাস যে দেশে ছিল সেই দেশ বা প্রিয় দেশের খেলা দেখার জন্য সময়সূচি তৈরি করে। এখন বিষয় হচ্ছে ইজরায়েলিরা কোন দেশটিকে সমর্থন করবে। জেরুজালেম পোস্টের সাংবাদিক জিল হফম্যান খানিকটা শ্রদ্ধা প্রদর্শন ছাড়াই অংশগ্রহণকারী ৩২ টি দেশের উপর আলোকপাত করেছেন এবং ইজরায়েল এবং ইহুদিদের প্রতি তাদের অশ্রদ্ধার কথা উল্লেখ করছেন, তার জিহ্বাকে সংযত করার আগে তিনি উপসংহার টানেন, কেবল যে সমস্ত দল ইজরায়েলি নাগরিকদের সমর্থনের যোগ্য সেগুলো হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, হল্যান্ড ও ডেনমার্ক।”

ডেভিড উপসংহার টেনেছেন:

“যদি সকলেই একটি বিষয় খুব পছন্দ করে, তা হলে তার মধ্যে কোন একটা ভুল থাকতে পারে। আমি ২০১৯ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করব, যখন ইজরায়েল আবার বিশ্বকাপে প্রবেশ করতে সক্ষম হবে”।

আমাদের দ্বিতীয় সংস্কৃতিক দূত (লেখক) বেনিজি লোভিট, যিনি লেখা পোস্ট করেন ব্লগ হোয়াট ওয়ার জোনস-এ ???, যে আমাদের কাজে খুব বেশি অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করেনি। (সম্ভবত সে খেলা দেখতে বসে গিয়েছিল) সে কেবল এই শিরোনামে একটি লেখা পোস্ট করেছে:

“যদি যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপ জয় করে, তা হলে আমি আমার প্রথম সন্তানের নাম রাখবো ভুভুজেলা”।

আমার প্রিয় পাঠকবৃন্দ, যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন করা বা না করার ক্ষেত্রে আপনারা স্বাধীন। তবে আমি পরবর্তী নয় মাস আপনাদের তাজা সংবাদ প্রদান করতে থাকব, লোভিট তার কথা অনুযায়ী কাজ করছে কি না।

এবং আঞ্চলিক সংঘাতের মালমশলা ছাড়া খেলা ও বিনোদন মধুর হবে কি?

এলডার অফ জিয়ন এই সংবাদের উপর প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করেছে যে বিশ্বকাপের সংবাদ হিব্রু এবং আরবী ভাষায় প্রকাশ করা হবে। তিনি প্যালেস্টাইন টুডের একটি সংবাদের কথা উল্লেখ করে লেখেন [আরবী ভাষায়]:

“গাজাবাসীরা এক উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে, যাতে তারা বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখতে পারে। বিশ্বকাপের খেলা সম্প্রচারের সময় আল জাজিরার ছবি ঠিকমত আসছে না এবং বিশ্বকাপ দেখার জন্য তাদের বেশ টাকা দিতে হচ্ছে। এই প্রবন্ধ থেকে ঠিক পরিষ্কার হচ্ছে না গাজাবাসীদের এই পরিমাণ টাকা প্রদান করার সামর্থ্য রয়েছে কি না, অথবা তারা টাকা প্রদান করতে অনিচ্ছুক কি না, তবে তারা খেলা দেখার জন্য বিকল্প উপায়গুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করছ…।

এই সংবাদ এরপর উল্লেখ করে “ক্ষমতা অধিকার করার” বিষয়টি, যেখানে হিব্রু ভাষার সাথে আরবী ভাষায়ও বিনে পয়সায় বিশ্বকাপের সংবাদ সরবরাহ করা হচ্ছে। এই সমস্ত অনুষ্ঠান প্রচার করার জন্য তারা অভিজ্ঞ ক্রীড়া বিশ্লেষকদের ভাড়া করছে।

কিন্তু এই কাজের প্রশংসা করার বদলে উক্ত প্রবন্ধটি বলছে যে, এই কাজ করা হচ্ছে যাতে আরব দর্শকদের দৃষ্টি আল জাজিরা থেকে সরে যায়”!

…ইজরায়েল যা করছে, হয়ত ব্যক্তিগতভাবে আরবরা তার প্রশংসা এবং শ্রদ্ধা করে কিন্তু এখানে সংস্কৃতির এমন একটা মানদণ্ড তৈরি হয়েছে যাতে, এই বিষয়টি কল্পনা করা যায় না যে, এই ব্যাক্তিগত প্রশংসা জনসম্মুখে কখনো প্রকাশ করা হবে।

[উল্লিখিত প্রবন্ধের লিঙ্কের জন্য, দয়া করে মূল ব্লগ পোস্টটি দেখুন]

ইজরায়েলের ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাস।

ব্লগ অফ জিয়ন-এ ম্যাটজিউ ২০০৮ সালে লম্বা লেথায় ২০১০ বিশ্বকাপের উৎসবের বিষয় নিয়ে পোস্ট করেন, সে সময় তিনি আমাদের এক ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করেন। তিনি আমাদের জানান ১৯৭০ সালে মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ছিল ইজরায়েল প্রথম এবং এখন পর্যন্ত অংশগ্রহণ করা একমাত্র বিশ্বকাপ, কিন্তু সেবার তারা প্রখম পর্বে পরাজিত হয়। ২০০৬ সালে জার্মান বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে ইজরায়েলের দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলার কাছাকাছি চলে আসে। কিন্তু সেবারও দলটি চূড়ান্ত পর্বে উত্তীর্ণ হতে ব্যর

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .