বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান: ‘ওশ হত্যাকান্ডের’ প্রাথমিক সংবাদ

২০১০ সালের ১০ই জুন ফেরঘানা ভ্যালির কিরগিজ অংশের মধ্যে স্থানীয় কিরগিজ আর উজবেক বাসিন্দার মধ্যে জাতিগত সংঘর্ষ পুরো দস্তুর হত্যাযজ্ঞে পরিণত হয় আর কিরগিজস্তানবাসী উজবেকদের আরো পলায়নের ঘটনা ঘটে। মনে হচ্ছে কিরগিজ সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র সংঘাত উস্কিয়ে দিয়েছে এই অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করার জন্য। অন্যদিকে দুই মাস আগে কিরগিজস্তানের বৈপ্লবিক ঘটনার সাথে এর সম্পর্ক থাকতে পারে। যদিও এটা পরিষ্কার যে অপরাধীরা উস্কিয়ে দিলেও এই সংঘাতের জড় অনেক গভীরে।

ওশের শহরতলিতে শরণার্থীরা, সূত্র: http://diesel.elcat.kg

ওশের শহরতলিতে শরণার্থীরা, সূত্র: http://diesel.elcat.kg

পাহাড় দিয়ে ঘেরা ফেরঘানা ভ্যালি মধ্য এশিয়ার একটা জনবহুল এলাকা যেখানে বিশ্বের একটা খুব জটিল জাতিগত জনসমষ্টি বাস করে। সেখানে পেনিসিলভেনিয়ার সমান এলাকায় ১১ মিলিয়ন লোকের বাস। নতুন প্রতিষ্ঠিত প্রজাতন্ত্র উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান আর কিরগিজস্তানের মানচিত্র সোভিয়েত সময়ে স্ট্যালিনের কর্মকর্তারা একেঁছিলেন, আর তারা সমাধানের থেকে বেশী সমস্যা রেখে দেন যখন তারা অনেক কিরগিজ গ্রাম আর শহর উজবেক দিকে রেখে দেন আর এর উল্টোটাও করেন। সেখানে এখন দারিদ্রতা, গ্রামীণ সমস্যা আর উচ্চ মাত্রার বেকারত্ব পুরো পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ করে।

কিরগিজস্তানের দ্বিতীয় বৃহৎ শহর ওশে পরিস্থিতি আরও জটিল, যেহেতু তার জনসংখ্যার একটা বড় অংশ হচ্ছে (ছিল) উজবেক। ১৯৯০ সালের ওশ রায়টের সময়ে একই ধরনের পরিস্থিতিতে কিরগিজ আর উজবেকদের মধ্যকার বিবাদকে সামনে চলে এসেছিল, যার ফলে ৩০০ জনের বেশী নিহত আর ১০০০ জন আহত হয়।

গত তিনদিনের সংঘাতে কি ঘটেছে সে সম্পর্কে তথ্য কম আছে, যেহেতু শহরে প্রায় কোন বিদ্যুত নেই। তবে, ব্লগাররা অনেক খবর ওয়েবে পাঠাচ্ছেন। আমেরিকায় অবস্থিত ইয়েলেনা স্কোচিলো (এলজে ব্লগিং প্লাটফর্ম ব্যবহারকারী মরিরে) ২০১০ সালের এপ্রিলে কিরগিজস্তান বিদ্রোহের সময়ে মূল সংবাদগুলো একত্রিত করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তিনি স্বীকার করেছেন, নির্ভরযোগ্য তথ্যের সূত্র খুব কম:

Эмоций просто через край, но я понимаю и разделяю страх беззащитных людей…Что известно точно: пожар в микрорайоне Черемушки и одиночные пожары по городу. Много провокаторов. Жители постоянно слышат выстрелы. Позвольте привести одну цитату, которая отражает общую картину и вы поймете, почему я не хочу вести time line. Я знаю этого человека лично и могу полагаться на его данные.
“… мне позвонил и спросил: “…, значит нам никто не поможет?”. никому не пожелю такого. я чуствовала себя как собака….я их встретила у туберкулезного диспансера. я села за руль и всем кричала. что он кыргыз. нам с трудом удалось его вывезти из этого района.по улице шли около 20 солдат, а за ними шла толпа молодых и не молодых людей кыргызской национальности. я тоже незнаю, что делать. “

অনুভূতি জোরালো, কিন্তু প্রতিরোধ হীন মানুষের অনুভূতি আমি বুঝি…যা আসলেই জানা আছে: চেরেমুস্কি জেলায় আগুন লেগেছে আর শহরের চারিদিকে আগুন। উস্কিয়ে দেয়ার মতো অনেকে আছেন। লাগাতার মানুষের চিৎকার শোনা যাচ্ছে। একটা উদাহরণ দেই, যা পুরো পরিস্থিতি বোঝাবে আর আপনারা বুঝতে পারবেন আমি কেন কোন নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিচ্ছি না। আমি লেখককে চিনি আর জানি তার তথ্যের উপরে আমি নির্ভর করতে পারি।

“ …সে আমাকে ডেকে বলেছে: ‘তাহলে আমাদের কেউ সাহায্য করবে না?’ আমি কারো জন্য এটা চাইব না। নিজেকে কুকুরের মতো লাগছিল…তার সাথে যক্ষা হাসপাতালের কাছে আমার দেখা হয়েছে। আমি গাড়ি চালাতে চালাতে চিৎকার করে বলছিলাম যে সে একজন কিরগিজ। অনেক কষ্ট করে তাকে ওই জেলা থেকে বের করতে পেরেছি। রাস্তায় প্রায় ২০ জন সৈনিক আর তাদের পিছনে তরুণদের দল আর খুব তরুণ না এমন কিরগিজ গোত্রের লোক। আমি জানিনা কি করতে হবে।”

নিউইউরেশিয়া.নেট প্রধান ইংরেজী ভাষায় খবরের সূত্রে পরিণত হয়েছিল যা ছবি, ভিডিও আর এখানে কি ঘটছে তার সর্বশেষ সংবাদ জানাচ্ছিল। মিল.ডাব্লুএমএস.কেজি (Mil.wms.kg) ব্লগ ছবি পোস্ট করেছে। কিরগিজস্তানে অবস্থিত ব্লগার শেরবতো এই ঘটনার ছবি প্রকাশ করেছেন। কিরগিজ সরকারী প্রেস এজেন্সি আকিপ্রেস.ওআরজি আর ক্লুপ.কেজি ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ জানিয়েছে (এখানে আর এখানে পাওয়া যাবে)। ফোরাম ব্যবহারকারী ডিজেল.এল্কাট.কেজি (diesel.elcat.kg) শরণার্থীদের ভিড়ের ছবি দিয়েছেন

১৩ই জুন সংঘাত অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছিল, যখন কিরগিজ আর উজবেকপন্থী অ্যাকাউন্ট খোলা হতে থাকে। (একই সময়ে দেশে কড়া ইন্টারনেট বিরোধী নিয়মের জন্য কম উজবেক ওয়েবসাইট দেখা যায়)। বেশ কয়েকটা কিরগিজ ওয়েবসাইট বন্ধ হয়ে যায়। রেগিস্তান.নেট, যেখানে ঘটনা আলোচনা করা হয়েছিল, বন্ধ হয়ে যায়, সম্ভবত ডিগ প্রতিক্রিয়ার জন্য। উজবেক ইউটিউব ব্যবহারকারী সেভোশ ৬ মিনিটের একটা গুগল মানচিত্র ভিডিও পরিবেশন করেছেন। যদিও এটা তথ্যের একটি মূল্যবান সূত্র, এই ভিডিওটি পক্ষপাতমূলক একটি চিত্র দেখায়।

টুইটার ট্যাগ #ওশ, #উজবেক্স, #জা (দ্বিতীয় শহর জালালাবাদ বোঝাতে, যেখানে সংঘর্ষ হয়েছে) আর #ফ্রিকেজি (#freekg) এই ঘটনা নিয়ে টুইটগুলো চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .