বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

সিঙাপুর: সুইস নাগরিককে ট্রেন ধ্বংসের অভিযোগে বেত্রাঘাত করা হবে

গত ২৫শে জুন, ২০১০, বত্রিশ বছর বয়সী অলিভার ফ্রিকারকে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড ও তিনটি বেত্রাঘাতের শাস্তি প্রদান করা হয়েছে সিঙাপুরের এক ট্রেন ডিপোতে অনধিকার প্রবেশ করে ট্রেনের বগিতে রং করার জন্যে। তিনি স্প্রে রঙ দিয়ে ট্রেনের দুটি বগিতে ‘ম্যাকয় বানোস’ শব্দ দুটি লিখেছেন যার ভিডিও অনলাইনে বহু প্রচারিত হয়েছে

তার সাথে তখন ব্রিট্রেনের লয়েড ডেন আলেকজান্ডার ছিলেন সাহায্যকারী হিসেবে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগে প্রকাশ যে এই ব্রিটিশ নাগরিক সিঙাপুরে মাত্র তিন দিনের জন্যে ছিলেন এবং দ্রুত ফিরে গেছেন। সিঙাপুর আলক্জান্ডারকে ফেরত দেবার কথা বলছে যে বর্তমানে হংকং আছে বলে অনেকে জানে।

আইন নিয়ে পর্যালোচনাকারী ব্লগার রাইট জুরিস লিখেছেন যে বিদেশিদের সেই দেশের আইনের প্রতি সম্মান জানান উচিৎ।

আমি যদিও বেত্রাঘাত, পাথর দিয়ে আঘাত বা এই প্রকারের শাস্তির পক্ষে নই, আমি বিশ্বাস করি যে এইসব হয়ত দরকার হয় মানুষ এবং সম্পদ রক্ষার্থে। অপরাধী (অপ্রাপ্তবয়স্ক বা পূর্ণবয়স্ক) অপরাধের শিকার নয়, অপরাধ করা তাদের সিদ্ধান্ত।

সিঙাপুরের আর্থ সামাজিক ব্লগার কার্স্টেন হান এই শাস্তির প্রকার সম্পর্কে নিন্দা জানিয়েছেন এই বলে যে এটি “খুবই খারাপ” এবং তিনি সিঙাপুরকে একটি নির্যাতনের আখড়া হিসেবে অভিহিত করেছেন:

এটি সত্যিই বমি উদ্রেককারী। আমি বিশ্বাস করতে পারছি না যে আমরা একটি ছোট অপরাধের জন্যে এরকম একটি বর্বর শাস্তি দিতে চাচ্ছি। এর জন্যে তো কারও শারীরিক ক্ষতি হয়নি (এবং জনসমক্ষে এটি হয় নি)। একে অতিরঞ্জিত করা হয়েছে। আমি বলছিনা যে সে বিদেশী তাই এমন বলছি। যে কারও জন্যেই এই শাস্তি বাড়াবাড়ির পর্যায়ে। এবং আমার খারাপ লাগছে এই ভেবে যে আমার দেশে কারও প্রতি এমন করল এবং একে দরকার মনে করল।

সিঙাপুরের ব্লগার রজার পোহ বেত্রাঘাতকে শয়তানী ও বর্বর কার্য হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং সিঙাপুরের বিনয়ী ও দেখভাল করার সমাজের আকাঙ্খাকে একহাত নিয়েছেন।

বেত্রাঘাতকে শয়তানী ও বর্বর কার্য এবং এর দাগ থেকে যায় মানুষের শরীরে। আধুনিক সভ্য সমাজে বেত্রাঘাতের কোন স্থান নেই। মাঝে মাঝেই সিঙাপুর ঘোষণা দেয় যে এটি আরও বিনয়ী ও দয়ালু সমাজ হতে চায়। আমরা যতদিন বেত্রাঘাতকে উপড়ে না ফেলছি এই আকাঙ্খা শুধুই কথা সর্বস্ব হয়ে থাকবে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .