বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইকুয়েডর: শ্রম দিবসকে উদযাপন করতে সামাজিক দল মিছিল করেছে

শ্রমিক আর বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক দল একসাথে পহেলা মে আন্তর্জাতিক শ্রম দিবসে ইকুয়েডরে মিছিল করেছে। এই দিবসটির শুরু ১৮৮৬ সালের ৪ঠা মে শিকাগোর হে মার্কেট স্কোয়ারের ঘটনা থেকে। ইকুয়েডরব্যাপী বিভিন্ন সামাজিক দলের প্রতিনিধি আর কমিটি প্রতিবাদে রাস্তা দিয়ে হেঁটেছে। প্রেসিডেন্ট লিওনিডাস প্লাজা একটি আইন পাশ করেছিলেন এপ্রিল ২৩, ১৯১৫ সালে, যা প্রত্যেক পহেলা মের শ্রম দিবস উদযাপনকে সরকারী ছুটিতে পরিণত করে।

ইকুয়েডরে শ্রম দিবস বিক্ষোভের স্থানে পরিণত হয় আট ঘন্টার কাজের দিন প্রতিষ্ঠা আর ভালো কাজের পরিবেশের দাবী নিয়ে। যদিও শ্রমিকদের সংগ্রাম ৪০ ঘন্টা কাজের সময় নির্দিষ্ট করেছে, কিছু শ্রমিক এখনো তাদের অতিরিক্ত কাজের সময়ের জন্য অর্থ পাননি আর তাই তারা কাজের ভালো পরিবেশ আর ভালো বেতনের জন্য সংগ্রাম করতেই থাকেন। এই মে তারা সরকারকে এই সুযোগে মনে করিয়ে দিতে চান যে শ্রমিকরা এখনো পুরানো শ্রম আইন যা ১৯৩৮ এ সই করা হয় আর তার বিকল্পের কথা নিয়ে বিতর্ক করছেন।

ইকুয়েডরের রেলওয়ের কর্মীরা। ছবি তুলেছেন ফ্লিকার ব্যবহারকারী ফেরোকারিলেস দে ইকুয়েডর এম্প্রেসা পাব্লিকা ফিপ আর ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স এর আওতায় প্রকাশিত।

টুইটার ব্যবহারকারী রোসা মারিয়া টোরেস (@রোসামারিয়াটোরেস) রাজধানীর তিনটা মিছিলেরই ছবি নিতে পেরেছিলেন আর বলেছেন যে ওই দিন তিনটা মিছিল হয়েছে। সরকারের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদের আয়োজন করেছে ইকুয়েডরের প্রধান শ্রম সংস্থা , বিভিন্ন সামাজিক দলের সমন্বয়ে গঠিত ফুট (সম্মিলিত শ্রম ফ্রন্ট) আর তৃতীয়ত সরকারের আয়োজনে একটা।

ভোসেস দেল সুর ব্লগের পাবলো আর্চিনিগাস ব্যাখ্যা করেছেন কেন তিনি মনে করেন ইকুয়েডরের শ্রম প্রচারণা বিভক্ত। তিনি এটাকে ‘শ্রম নমনীয়তা’ হিসাবে দেখেছেন যা এর পতনের জন্য দায়ী:

Hoy nuevamente fueron masas caminando sin conciencia política, sin motivación rebelde, sin sentido de clase; simplemente fue una demostración más del grado de desmovilización que sufre el movimiento obrero en nuestro país.

(…)

Este primero de mayo entonces nos deja muchos sinsabores, dudas, y preocupación por el nivel de organización de la clase trabajadora; deja la percepción de que las relaciones capitalistas de producción, contrarias a los intereses de de la clase trabajadora, están incólumes, vigentes; y que con los niveles de conciencia y de movilización de las masas de trabajadores, tienen todas las condiciones necesarias para seguir gozando de buena salud.

আজকে, কেবল জনতা হাঁটছিল যাদের মধ্যে কোন রাজনৈতিক সচেতনতা ছিলনা, বিদ্রোহীদের মতো কোন প্রেরণা ছাড়া, শ্রেনীর চিন্তা ছাড়া, এটা আমাদের দেশে শ্রমিকদের প্রচারণা যে সমস্যায় ভুগে তার নিদর্শন।

(…)

এই পহেলা মে আমাদের অনেককে খারাপ অনুভূতি, সন্দেহ আর উৎকণ্ঠার মধ্যে রেখেছে শ্রমিক শ্রেনীর সংগঠনের মান নিয়ে, এই ধারনা ছেড়ে দিয়ে যে, উৎপাদনের সাথে বাজার অর্থনীতির সম্পর্ক শ্রমিক শ্রেনীর স্বার্থের পরিপন্থী হওয়ার পরিবর্তে একসাথে, সমকালীন আছে, আর এই পর্যায়ের সচেতনতা আর কার্যকারিতার ফলে শ্রমিকদের মধ্যে, তাদের সুস্বাস্থ্যের সাথে কাজ করে যাওয়ার প্রযোজনীয় সকল পরিবেশ আছে।.

সব মিলিয়ে সরকারী কর্মকর্তা, শিক্ষক, তৃনমূল সংস্থা, আদিবাসী সংগঠন, ইউনিয়ন, সাংস্কৃতিক দল আর পেনশনভোগীরা শ্রম দিবসে বেশী অধিকারের জন্য সংগ্রাম করেই যাচ্ছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .