বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

আমেরিকা মহাদেশ: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারী ইউনেস্কো বিশ্বের সবাইকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে আহ্বান জানায় আর সবাইকে ‘ভাষাগত আর সাংস্কৃতিক বহুমুখিতা আর বহুভাষাকে তুলে ধরার’ ক্ষেত্রে উদ্বুদ্ধ করে। ইউনেস্কোর ভূতপূর্ব মহা পরিচালক কোইচিরো মাতসুরা অনুসারে:

“… ভাষা সকল বৈচিত্রে মানুষের সৃজনশীলতার একটি অক্ষয় প্রকাশ। এটি যোগাযোগের উপায়, আমাদের ধারণা আর প্রতিফলনের নিমিত্ত, আমরা কিভাবে বিশ্বকে দেখি সেই অনুসারে আকার ধারণ করে আর অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎের মধ্যে যোগাযোগ গঠন করে। ভাষাসমূহ তাদের মধ্যে দেখা হওয়ার কিছু চিহ্ন বহন করে, যেসব বিভিন্ন সূত্র থেকে এদেরকে পাওয়া গেছে, প্রত্যেকটা তাদের নিজস্ব ইতিহাসসহ।“

সিডনির অ্যাশফিল্ডে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস মনুমেন্ট (শহীদ মিনার) এর সামনে উৎসব উদযাপন। ছবি তুলেছেন আনিসুর রহমান। উইকিমিডিয়া কমন্সের সৌজন্যে।

সিডনির অ্যাশফিল্ডে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস মনুমেন্ট (শহীদ মিনার) এর সামনে উৎসব উদযাপন। ছবি তুলেছেন আনিসুর রহমান। উইকিমিডিয়া কমন্সের সৌজন্যে।

সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের অনেক ভাষা যখন বিলুপ্তির পথে, এই দিন সবাইকে মাতৃভাষার গুরুত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আলোচনার মাধ্যমে যাতে যতদিন সম্ভব বিশ্ব সাংস্কৃতিক বৈচিত্র ধরে রাখা যায়। মাতসুরা অনুসারে এই প্রচেষ্টার মধ্যে রয়েছে কসোভোতে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় যা ‘বিভিন্ন স্কুল আর জাতির মধ্যে’ বেশ কিছু ছাত্র আদান প্রদান শুরু করেছে। ফিলিপাইন্সে রয়েছে কবিতা, উপজাতীয় গান, গল্প, নাটক আর ‘ভাষার মহাকাশে প্রত্যেক শব্দ একটা তারা’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন। এই উৎসব বাংলাদেশেও গুরুত্বপূর্ণ যেখানে ভাষাকে মর্যাদা দেবার এই দিনটি ১৯৫২ থেকে উদযাপিত হচ্ছে।

ডেভিড গ্যালিয়ানো অলিভিয়ারা তার ব্লগ ক্যাফে হিস্টোরিয়াতে এই ধারণাকে সমর্থন করেন:

Cada lengua refleja una visión única del mundo y una cultura compleja que refleja la forma en la que una comunidad ha resuelto sus problemas en su relación con el mundo, y en la que ha formulado su pensamiento, su sistema filosófico y el entendimiento del mundo que le rodea. Por eso, con la muerte y desaparición de una lengua, se pierde para siempre una parte insustituible de nuestro conocimiento del pensamiento y de la visión del mundo.

প্রত্যেক ভাষা বিশ্ব সম্পর্কে একটা আলাদা দৃষ্টিভঙ্গী আর জটিল সংস্কৃতি প্রকাশ করে যেখানে একটা সমাজ কিভাবে তাদের সমস্যার সমাধান করে সেটা দেখান হয় বিশ্বকে। এটা আরো দেখায় এইসব মানুষ কিভাবে তাদের চিন্তা, তাদের মনস্তাত্ত্বিক ব্যবস্থা আর তাদের পরিবেশ সম্পর্কে বিবেচনা গঠন করেছে। এই কারণে, একটি ভাষার মৃত্যুর সাথে, আমাদের জ্ঞান আর বিশ্ব সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির একটা অংশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যায়।

সাম্প্রতিক উন্মুক্ত আলোচনা যে ‘ভালো’ স্প্যানিশ কি:

“আমরা শেষে হেরে গেছি…আমরা শেষে জিতেছি… তারা সোনা নিয়েছে
আর সোনা রেখে গেছে…তারা সব নিয়েছে আর আমাদেরকে দিয়ে গেছে
সব …তারা আমাদেরকে শব্দ দিয়ে গেছে”

বেশীরভাগ স্প্যানিশ বলা লোক ল্যাটিন আমেরিকাতে বাস করেন; অন্য সব দেশের থেকে যেখানে স্প্যানিশ বলা লোক বেশী, কেবল মাত্র স্পেন আর ইকুয়েরেটিয়াল গিনি আমেরিকার বাইরে। এলাকায় অনেকের জন্য, স্প্যানিশ তাদের মাতৃভাষা স্পেনের সাথে দীর্ঘ ইতিহাসের ভিত্তিতে। তবে, স্প্যানিশ ভাষা দেশভেদে আলাদা হয়ে থাকে; যার ফলে উৎপত্তি, ধরণ আর স্টাইল নিয়ে আলোচনা আর বির্তক হয়ে থাকে সবসময়। সাকান্দো লা লেঙ্গুয়া ব্লগে, আমি এই ব্যাপারটা তুলে ধরতে চেয়েছি যে এইসব ভেদাভেদ এখন আলোচনার জন্য বেকার বিষয়:

Hace mucho que nos hemos dado cuenta de que el idioma más que algo abstracto pareciera más bien tomar la forma de un animal salvaje; y como tal, cambia, evoluciona y crece. ¿Se podrá dominar a este animal? Muy buena suerte a los que lo intenten. Una vez preso, cambiará de forma. Observar su belleza traerá seguramente muchos menos cotilleos bizantinos que determinar cuál es la exacta, o cuál es la “correcta” forma de hablar la lengua de Lorca, de las versiones y diversiones de Paz, de la hilarante modestia de Borges y de tantos otros que lo hablan y lo transforman hoy. El español que habla esta inmensa cantidad de gente no es, en efecto, el mismo.

দীর্ঘদিন হয়ে গেছে যে আমরা বুঝতে পারছি যে ভাষা, সম্পূর্ণ বিমূর্তের কিছু বেশী, আসলে হিংস্র প্রাণীর রুপ নেয়, আর তাই এটার পরিবর্তন হয় আর এটা বাড়ে। এই পশুকে কি পোষ মানানো যায়? যাদের সাহস আছে চেষ্টা করার তাদের জন্য শুভেচ্ছা! খাঁচার ভিতরে একবার ঢুকলে, এটা রুপ পরিবর্তন করবে। এটার সৌন্দর্য দেখা সময় ক্ষেপণ রোধের সব থেকে ভালো উপায় হবে চুলচেরা বিচার না করে যে কোনটা সব থেকে ভালো আর ভাষা বলার নির্ভুল উপায় হচ্ছে (ফ্রেডেরিকো গার্সিয়া) লোরকার ভাষা বলা, সেই ভাষা যেটা (অক্টাভিও) পাজ তার সংস্করণ আর গতি পরিবর্তনে দেখিয়েছেন যেখানে (জর্জ লুইস) বোর্হেস তার চালাক বিনয় দেখিয়েছেন। এটা একই ভাষা যা এতো মানুষ এখন ব্যবহার করে আর আজকে পরিবর্তন করে। এই বিশাল দলের মানুষ যে স্প্যানিশ বলে তা কিন্তু এক না।

একই ধরণের ধারনা সমর্থন করেছেন ভিভিয়ানা মেজেনেস- নর, যিনি লেক্সিওফিলিস ব্লগে অতিথি সম্পাদিকা হিসেবে লিখছেন:

Como cualquier otra lengua ampliamente hablada, el español no es uniforme; en cada país hispanohablante y en cada una de sus regiones, se le añaden sazones gramaticales que crean una colorida gama sociolingüística con rasgos léxicos únicos, además de agregarle diversidad a la pronunciación.

বিশদভাবে কথা বলা অন্য যে কোন ভাষার মতো, স্প্যানিশ একই রকম না। প্রত্যেক স্প্যানিশ বলা দেশ আর অঞ্চলে, নতুন ব্যাকরণগত জিনিষ যুক্ত হয়, আর এর ফলে বিশেষ আভিধানিক ব্যাতিক্রম সহ আর উচ্চারণের নতুন দিকসহ রঙ্গীন ভাষাগত ব্যাপার সৃষ্টি হয়।

ব্লগে অন্যান্য বিষয় যা আলোচিত হয়েছে তা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত স্প্যানিশ। আর্জেন্টিনা থেকে পেদ্রো ইয়ালারি তার ব্লগ দেল মিডিওতে লিখেছেন যুক্তরাষ্ট্রে স্প্যানিশ ভাষার উপরে নতুন একটা বিশ্বকোষ সম্পর্কে, যেটাকে দেশের ভিতরে এই ভাষা সম্পর্কে পড়ার ক্ষেত্রে একটা যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে তিনি মনে করেন। পেদ্রো তরুণদের প্রভাব আর এই বিবর্তন প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তির মাধ্যমে তাদের ভূমিকা নিয়ে পড়াশোনা করেছেন আর সংস্কৃতি, সাহিত্য আর মিডিয়ার মাধ্যমে ভাষার প্রসার করার ব্যাপারেও তার চিন্তা জানিয়েছেন:

Junto a los medios de comunicación, la producción cultural plasma el empuje del español en todos sus ámbitos: revistas literarias, cuentos, poesía, teatro, música…, toda manifestación artística es rastreada históricamente hasta nuestros días, según distintas nacionalidades y corrientes.

Ante el mundo de la novela, por ejemplo, Mercedes Cortazar y Eduardo Lago nos presentan una perspectiva complementaria, colocándonos respectivamente ante la pista de las posibilidades de la narrativa escrita en español en Estados Unidos, así como ante la existencia de multitud de escritores hispanos que se expresan en inglés.

প্রধান ধারার মিডিয়ার সাথে, সাংস্কৃতিক প্রযোজনা স্প্যানিশদের সম্পূর্ণ শক্তি সকল ক্ষেত্রে এখানে একত্র করেছে: শিক্ষাগত ম্যাগাজিন, ছোট গল্প, কবিতা, থিয়েটার আর সংগীত…সকল শৈল্পিক প্রকাশ ইতিহাস ধরে আমাদের সময় পর্যন্ত আনা হয়েছে, বিভিন্ন জাতীয়তা আর প্রচারণা অনুসারে।

শিক্ষার জগতে, উদাহরণস্বরূপ, মার্সিডিজ কোরটাজার ইয়ে এডুয়ারডো লাগো (অন্যান্য হিস্প্যানিক লেখকদের মধ্যে যারা নিজেকে ইংরেজীতে প্রকাশ করেন) একটা সৌজন্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গী দিয়েছেন আর যুক্তরাষ্ট্রে স্প্যানিশ প্রচারের সম্ভাব্যতা সম্পর্কে তার ধারণা দিয়েছেন।

স্পেনের একজন ব্লগার মানোলো পেরেজ, ফিলিপাইন্স থেকে যিনি লিখেন, মুগ্ধতা নিয়ে লক্ষ্য করেছেন তার ভাষার উপস্থিতি যেটাকে তিনি দূর দেশ মনে করেছেন সেখানেও:

Realmente el español nunca se ha ido de Filipinas, se habla poco pero permanece en las lenguas locales y, sobre todo, en la Historia y en los archivos de este país, en su literatura, etc. Más que de la vuelta del español hay que hablar de la vuelta de la enseñanza del español.

Este sigue siendo un país de sorpresas y para un español más.

স্প্যানিশ ভাষা ফিলিপাইন্স ছেড়ে কখনো যায়নি। এটা বিপুলভাবে ব্যবহৃত হয়না, কিন্তু স্থানীয় ভাষায় এটা এখনো দেখা যায়, আর সব থেকে বেশী দেশের ইতিহাস আর সাহিত্যে। স্প্যানিশের ফিরে আসার থেকেও বেশী, আমাদের শিক্ষাতে এই ভাষার ফিরে আসা আলোচনা করা উচিত।

এই দেশ বিস্ময়ে ভরা, একজন স্প্যানিশের জন্য যা আরো বেশী।

স্প্যানিশ ভাষার জয় আর নতুন বিশ্বে এর ‘পোষ্যকরণ’

ল্যাটিন আমেরিকার অন্যদের জন্য, তার মাতৃভাষা আপেক্ষিক। সালোন হোগারে করা এর সংক্ষিপ্ত এক ঐতিহাসিক পর্যালোচনায় সারসংক্ষেপ করা হয়েছে এই বিষয় নিয়ে যে স্প্যানিশ ভাষার প্রসার হয়েছে যেসব এলাকায় সেখানে ইতোমধ্যে আরো ভাষা উপস্থিত ছিল। আমেরিকাতে ভাষার ভিন্নতা বিশাল ছিল এবং আছে। কিছু লেখক বলেন যে এই এলাকা সব থেকে বেশী বিভক্ত, ভাষার দিক থেকে – একশোর বেশী ভাষাগত পরিবার নিয়ে, যার ভিতরে আবার ভাষার দশ বা শতাধিক উচ্চারণ আর উপভাষা আছে। তারপরেও আদিবাসীদের কাছ থেকে বেশ কিছু ভাষা এখনো বেঁচে আছে, স্প্যানিশে কথা বলা মানুষের সংখ্যা আর প্রভাব বিবেচনায় আনলে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হলো নাহুতাল, তায়নো, মায়া, কুয়েচাও, আয়মারা, গুয়ারানি আর মাপুচের মতো ভাষা।

১৪৯২ তে ক্রিস্টোফার কলম্বাস যখন আমেরিকাতে এসে পৌঁছান, স্প্যানিশ ভাষা তখনি ইবেরিয়ান পেনিন্সুলার অংশ হয়ে গিয়েছিল আর নতুন বিশ্বের দিকে এটার প্রক্রিয়া শুরু হয় ক্যাথোলিক চার্চের সংকর প্রজাতি আর প্রভাবের ফলে। মিশ্রণটা খুব জটিল ছিল, ভিন্নতার জন্য, কেবলমাত্র আদিবাসীরাই না, বরং দেশে যেসব স্প্যানিশ স্থায়ী হয়েছেন তাদের ক্ষেত্রেও।

অনেক দল তাদের নিজেদের ভাষা সংরক্ষণের চেষ্টা করছে, যেমন ইনফর্মাশিওন মাপুচে চিলি ব্লগ আদিবাসীদের ভাষা ধরে রাখার গুরুত্বের কথা বলেছে:

La oportunidad de utilizar y transmitir el pensamiento y tradiciones en sus lenguas originarias representa no sólo un derecho cultural, sino que una herramienta esencial para asegurar el conocimiento de los derechos humanos. Según datos de la UNESCO, el 90% de todas las lenguas del mundo desaparecerían en los próximos 100 años.

চিন্তা আর ঐতিহ্যকে নিজের ভাষায় জানানোর সুযোগ একটা গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ কেবল না, বরং মানবাধিকার পাওয়ার জরুরী একটা হাতিয়ার। ইউনেস্কো অনুসারে, বিশ্বের সকল ভাষার ৯০% পরবর্তী ১০০ বছরে হারিয়ে যাবে।

পরিবেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন এমন মেক্সিকান একটা দল তাদের এস্পাশিও ভার্দে ব্লগে একটি ভিডিও তুলে ধরেছেন যেখানে দেশটির ভাষাগত ঐশ্বর্য দেখান হয়েছে:

আর বলিভিয়ার এল আলতোতে বহুভাষী ব্লগারের দল জাকি আরুর মতো সমাজ ইন্টারনেটে আয়মারা ভাষাকে তুলে ধরার কাজে আছেন। এই দল তাদের নিজেদের ভাষার বিবর্তনকে রক্ষা করতে আন্তরিক। ভাষান্তরের কাজ আর তাদের নিজেদের ভাষাতে ব্লগ করে, জাকি আরু চাচ্ছে সাইবার স্পেসে আয়মারা ভাষার একটা অবদান রাখতে।

পরিশেষে, ইউনেস্কোর উদযাপনের লক্ষ্য হলো আন্ত:সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত প্রত্যেকটা ভাষাকে মূল্য দেয়া। যেহেতু নতুন চিন্তার আর বিশ্বকে বোঝার ক্ষেত্রে ভাষা সাংস্কৃতিক দরজা হিসাবে কাজ করে। এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে এই ধরণের প্রকাশের ব্যাপারটা সম্মান করে তুলে ধরা আর এমন একটা বিশ্বে তাদের স্থান করে দেয়া, যেখানে আগের থেকেও এখন বেশী, এখন প্রয়োজন চিন্তা, দৃষ্টি ভঙ্গী বিনিময় করে আন্ত:সাংস্কৃতিক সম্পর্ক গড়ে তোলা।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .