বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

চীন: অপেশাদার নির্মাতার এক সংক্ষিপ্ত চলচ্চিত্র চীনের ইন্টারনেট সেন্সরশিপকে ব্যঙ্গ করছে

চীনের বিখ্যাত অপেশাদার চলচ্চিত্র নির্মাতা হু গে। তিনি সম্প্রতি চীনের ইন্টারনেট সেন্সরশিপ নিয়ে একটি ব্যঙ্গাত্মক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। সাত মিনিটের এই চলচ্চিত্রটির নাম, “প্রাণী জগৎ: গৃহপালিত প্রাণীর-বাসগৃহ”। এটি প্রাণী জগৎ ধরনের এক তথ্যচিত্রের মত চলচ্চিত্র। কয়েকদিনে এই চলচ্চিত্র শত শত হাজার হাজার দর্শককে আকৃষ্ট করেছে। এই চলচ্চিত্রটি সেই সমস্ত দর্শকদের জন্য যাদের তথাকথিত ‘গৃহপালিত প্রাণী’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়’, আসলে যারা চীনের এক কোটি নেট নাগরিক।

宅居动物的外形酷似人类,长着人类那样大大的眼睛和耳朵。他那奇特的生活方式至今还让人们叹为观止。表面上他们各自为阵、互不往来,但实际上他们通过一种叫网络的东西,互相联系。

গৃহপালিত প্রাণী ভাল্লুকের সাথে মানুষের মিল রয়েছে, যার বড় বড় চোখ ও কান মানুষের মত দেখতে। তাদের অনন্য জীবনযাত্রা এমনকি আজও মানুষকে মুগ্ধ করে। বাহ্যিকভাবে তারা আলাদা আলাদা ভাবে দৃশ্যমান হয় এবং একে অন্যের সাথে কোন ধরনের যোগাযোগ করে না। তবে তারা একে অন্যের সাথে কিছু একটার মাধ্যমে যোগাযোগ বজায় রাখে, যাকে বলা হচ্ছে ইন্টারনেট।

于其他动物而言,幽深的网络往往难以捉摸。这里充满的各种危险。在地球上,没有比神秘的互联网更可怕,更不利于生物生存的地方了。但是,对于宅居动物来说,这里,却是天堂。

অন্য প্রাণীর ক্ষেত্রে, ইন্টারনেট এক গভীর এবং তলাহীন এক এলাকা বলে বিবেচিত হয়, যা সকল ধরনের বিপদে পরিপূর্ণ। এই গ্রহে রহস্যপূর্ণ ইন্টারনেটের চেয়ে আর কোন কিছুই ভয়ংকর ও প্রাণঘাতী নয়। তবে গৃহপালিত প্রাণীর জন্য ইন্টারনেট যেন স্বর্গ।

এই চলচ্চিত্র ইন্টারনেটের বিভিন্ন সাধারণ ব্যবহারের দৃশ্য অঙ্কন করা হয়েছে। যেমন, এই চলচ্চিত্রে আমরা এক ‘গৃহপালিত মহিলা প্রাণীকে’ দেখতে পাই, যিনি খুব সাধারণভাবে সারাদিন তার কম্পিউটার ব্যবহার করে ব্যাক্তিগত পোশাক ব্যবসা পরিচালনা করে; এক পুরুষ ক্যামেরার সামনে শরীরের পেশী দেখিয়ে তার সম্ভাব্য প্রেমিকার সাথে ফষ্টিনষ্টি করে, এদিকে এক নগ্ন পুরুষ ইন্টারনেটে ঘুরে বেড়ানোর সময় কম্বলের মধ্যে নিজেকে জড়িয়ে রাখে।

এই চলচ্চিত্রে, মানবকে পিতার মত শাসক চরিত্র হিসেবে দেখান হয়েছে, যারা গৃহপালিত প্রজাতিগুলোর জন্য ইন্টারনেটে অস্বাস্থ্যকর উপাদান দুর করে তাদের রক্ষা করে।

曾有一度,网络上的色情,和不良信息,使他们的身心受到了伤害,但现在,他们受到了来自人类的无微不至的关怀和保护。

কোন এক সময় ইন্টারনেটে পর্নোগ্রাফি বা অশ্লীল ও অন্যান্য অস্বাস্থ্যকর তথ্যে ভরে গিয়েছিল, যা এইসব গৃহপালিত প্রাণীর শরীর এবং মনের ক্ষতি করছিল। কিন্তু এখন তারা মানব প্রজাতির কাছ থেকে সমন্বিত এবং সার্বজনীন যত্ন ও নিরাপত্তা লাভ করছে।

এই যত্ন ও নিরাপত্তার বিষয়টি প্রদর্শিত হয় তখন, যখন একটি গৃহপালিত পুরুষ প্রাণীর প্রায় কেঁদে ফেলার উপক্রম হয়, যখন তার উপভোগ্য চলচ্চিত্রের সংঘর্ষ পূর্ণ দৃশ্য বাধাগ্রস্ত হয়, যা হিরো নামের ছবি থেকে নেওয়া হয়েছিল, সে সময় পুরো পর্দা জুড়ে একটা সতর্ক বার্তা এসে হাজির হয়।

হান হান এক প্রচণ্ড জনপ্রিয় ব্লগার যে কর্তৃপক্ষের উপর করা বিভিন্ন রসালো মন্তব্যের কারণে বিখ্যাত। তিনি এই চলচ্চিত্রে পুরুষ গৃহপালিত প্রাণীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন, যে প্রাণীটি ‘মাথায় খালি চিন্তায় কাজ করে’ (কমপালসিভ থিঙ্কিং ডিসঅর্ডার) এমন অসুখে আক্রান্ত।

思考强迫症,是一种普遍存在于宅居动物中的疾病。这只雄性每天都要花大量的时间去思考各种各样的问题。这种病,不但具有极大的危害性,而且,还具有一定的传染性。因此,人类采取了一切可能的措施,来保护这些可爱的小动物。

চিন্তা মাথায় যন্ত্রণা দেয় (কমপালসিভ থিঙ্কিং ডিসঅর্ডার) এমন এক অসুখ যা গৃহপালিত প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়। যেমন, এই পুরুষ (হান) সারাদিন প্রচুর প্রশ্ন নিয়ে চিন্তা করে। কমপালসিভ থিঙ্কিং ডিসঅর্ডার বা চিন্তা করার মত অসুখ কেবল সবকিছুকে বেশ দুর্বলই করে দেয় না, একই সাথে তা প্রচণ্ড ছোঁয়াচে। এর ফলে, এই সমস্ত সুন্দর ছোট্ট প্রাণীদের এই রোগের হাত থেকে রক্ষা করার মানব জাতি জন্য সম্ভাব্য সকল উপায় প্রয়োগ করে।

এই চলচ্চিত্রে, আমরা দেখতে পাচ্ছি হান কেবল একটি ব্লগ লেখে শেষ করছে, কিন্তু তা “পর্যবেক্ষণের অধীনে রয়েছে” নামক অবস্থায় আটকে থাকে। কম্পিউটার নষ্ট না হওয়া পর্যন্ত এই অবস্থাই চলতে থাকে। অন্য যে সমস্ত গৃহপালিত পুরুষ রয়েছে, তাদের অবস্থা আরো খারাপ। আরেকজন একটা প্রবন্ধ লেখা শেষ করার সময়, সাধারণ পোশাকের একদল পুলিশ জোর করে তার কক্ষে প্রবেশ করে এবং তাকে উঠিয়ে নিয়ে যায়।

দি হোম-লিভিং এনিমেলের সাথে আরেক অপেশাদার পরিচালকের তৈরি করা এক চলচ্চিত্রের মিল রয়েছে। সম্প্রতি দা ওয়ার্ল্ড অফ ওয়ারক্রাফট গেমের উপর যে নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছে, দা ওয়ার অফ ইন্টারনেট অ্যাডিকশন নামক চলচ্চিত্রটি এই ঘটনাটিকে ছুঁয়ে গেছে। তবে অনেক লোকের কাছে এটি সাধারণ নিয়ন্ত্রণ প্রচেষ্টার এক শক্তিশালী সমালোচনা এবং এটি অন্তত লক্ষ লক্ষ দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। এখন পর্যন্ত এই দুটি চলচ্চিত্র কৌতূহলজনকভাবে ইন্টারনেট সেন্সরশিপের (নিষেধাজ্ঞার) হাত থেকে বেঁচে রয়েছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .