বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

দক্ষিণ এশিয়া: ২০০৯ সালের ঘটনাবলি ফিরে দেখা

২০০৯ সাল বিদায় নিয়েছে এবং এখন দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন ঘটনাবলিকে ফিরে দেখার সময় এসেছে। দুই খণ্ডের এই পর্যালোচনায় আমরা দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে যে সমস্ত প্রধান ঘটনা ঘটেছিল সেই সবকিছু বিষয়ের উপর আবার নজর দেব। এইসব সংবাদ অত্র অঞ্চলের নাগরিক সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। এর জন্য গ্লোবাল ভয়েসেস-এর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক লেখকদের অন্তর্দৃষ্টি এবং তাদের সারা বছরের কঠোর পরিশ্রমকে ধন্যবাদ।

এই বছরটি দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের লোকদের জন্য ছিল কঠিন এক বছর, কারণ বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দায় এই অঞ্চলের লোকেরাও আক্রান্ত হয়েছিল। জনসংখ্যাবহুল এই অঞ্চলের আয়ের একটা বড় অংশ আসে মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বের অন্য অঞ্চলে গিয়ে কাজ করা অভিবাসী শ্রমিকদের মাধ্যমে। এ বছর আমরা দেখতে পেয়েছি যে অনেক অভিবাসী শ্রমিক দেশে ফিরে এসেছে কারণ তারা হয় তাদের চাকুরি হারিয়েছে, নতুবা দেখতে পেয়েছে সে সব দেশে আর কাজের সুযোগ নেই। বিদ্যুৎ ছিল এই সমস্ত অঞ্চলের অনেক দেশের প্রধান সমস্যা, যার ফলে অনেক দেশেই বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা দিয়েছিল এবং এই সমস্ত দেশ প্রায়শ অন্ধকারে ডুবে থেকেছে

বাংলাদেশ

যদিও বাংলা ব্লগের ইতিহাস তুলনামূলক ভাবে সংক্ষিপ্ত, তবে এই ভাষার ব্লগাররা এক মাইলফলক অর্জন করেছে। এ বছর বাংলাভাষী ব্লগারদের লেখা ৫০ টি বই প্রকাশিত হয়েছে একুশে বইমেলাকে উদ্দেশ্য করে। আমরা প্রকাশ করেছি আরেকটি কৌতুহলজনক পোস্ট যাতে বিদেশী ব্লগারদের চোখে বাংলাদেশকে দেখা হয়েছে

২৫ ফেব্রুয়ারির সকালবেলা সংবাদ পাওয়া যায় যে বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর-আধাসামরিক সীমান্ত রক্ষী বাহিনী) -এর সদর দপ্তরে বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়েছে। গুজব এবং প্রচার মাধ্যমের মনোযোগের মাঝখানে সিটিজেন সাংবাদিকরা এই ঘটনার তাজা সংবাদ সংগ্রহে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং তারা এই ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে

সাতমসজিদ সড়ক, ৭/এ-এর সামনে এ্যাক এ্যাক কামান বসানো হয়েছে। ছবি দৃষ্টিপাতের সৌজন্যে এবং অনুমতিক্রমে ব্যবহার করা হয়েছে।

সাতমসজিদ সড়ক, ৭/এ-এর সামনে এ্যাক এ্যাক কামান বসানো হয়েছে। ছবি দৃষ্টিপাতের সৌজন্যে এবং অনুমতিক্রমে ব্যবহার করা হয়েছে।

এই বিদ্রোহ বেদনাদায়ক ভাবে শেষ হয়। বিদ্রোহ শেষে জানা যায়, এই ঘটনায় ১৪৮ জনের মত ব্যক্তি মারা গেছে বা নিখোঁজ রয়েছে, এদের মধ্যে অনেক সামরিক কর্মকর্তা ছিল। এই ঘটনা অনেক প্রশ্ন তৈরি করে, যার উত্তর পাওয়া যায়নি। মার্চ মাসে ইউটিউব এবং ফাইল শেয়ারিং সাইট বাংলাদেশে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল প্রধানমন্ত্রীর সাথে উত্তেজিত সামরিক কর্মকর্তাদের কথোপকথনের যে অডিও বা শ্রবণযোগ্য অংশ বাজারে ছড়িয়ে পড়ে যেন তা ছড়িয়ে না পরে। বিদ্রোহের পর প্রধানমন্ত্রী যখন সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করতে যান তখন তারা বিডিআর বিদ্রোহে গণহারে সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তা নিহত হবার ঘটনায় প্রতিবাদ জানায়।

বাংলাদেশ ও ভারতের নেটিজেনরা প্রস্তাবিত টিপাইমুখী বাঁধ নির্মাণের ফলে প্রকৃতিতে যে বিরুপ প্রভাব সৃষ্টি হবে সেটি বিশ্লেষণ করেছে। (বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকার কাছেই অবস্থিত) ভারতের টিপাইমুখী বাঁধ নির্মাণ স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য এক বিপর্যয় বয়ে আনবে। বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে অনলাইনে এক প্রচারণা চালু করা হয়েছিল। ব্লগাররা টিপাইমুখী বাঁধ নির্মাণ নিয়ে দু'টি দেশের মধ্যে আলোচনার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল এবং এর গোপন আলোচ্যসূচী নিয়ে নিজেরা আলোচনা করেছে।

নভেম্বরে বাংলাদেশের চীনা দুতাবাস ঢাকার স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে তিব্বত বিষয়ক এক ছবি প্রদর্শনী বন্ধ করার জন্য চাপ প্রয়োগ করে

ভুটান

ভুটান কি? এক দল ভুটানকে স্বর্গের কাছের এক অংশ বলে গৌরবান্বিত করে, আবার অন্যরা দাবি করে যে দেশটি নেপালী লোটসাম্পা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে বিতাড়িত করে জাতিগত শুদ্ধাভিযান চালাচ্ছে। আমাদের নতুন ভুটানী লেখক সোনাম অঙ্গমা ভুটানের নাগিরক মিডিয়াকে তুলে ধরে সত্যানুসন্ধানের চেষ্টা করেছেন।

ভুটানের প্রাকৃতিক দৃশ্য। ছবি ফ্লিকার ব্যবহারকারী জেমহুলট-এর সৌজন্যে পাওয়া। ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স এর অধীনে এটি ব্যবহার করা হয়েছে।

ভুটানের প্রাকৃতিক দৃশ্য। ছবি ফ্লিকার ব্যবহারকারী জেমহুলট-এর সৌজন্যে পাওয়া। ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স এর অধীনে এটি ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রকৃতপক্ষে ১৯৭২ সালে ভুটানে প্রথম গ্রস ন্যাশনাল হ্যাপিনেস [জিএনএইচ] বা সামষ্টিক সুখের ধারণার জন্মলাভ করে। তবে ভুটানী ব্লগারা তাদের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে জানাচ্ছে কি ভাবে এই ধারণা বর্তামেন ভুটান ছাড়া অন্যসব দেশে গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে

ভারত

নির্বাচন:

এ বছর ভারতের ১৫ তম লোক সভা (সংসদ) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। রাজনৈতিক প্রচারণা শুরু হবার সময় থেকে সিটিজেন সাংবাদিকরা এ কাজের সাথে জড়িয়ে ছিলেন। বেশ কৌতূহলজনকভাবে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো এই প্রখমবারের মত বিভিন্ন অনলাইন প্রচারণা ব্যবহার করে এবং ব্লগাররা এইসব প্রচারণার ব্যাপারে তাদের প্রতিক্রিয়া জানায় (বিজেপি, আইএনসি)

কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচারণার স্ক্রীনশট বিনোদন পূর্ণ ব্লগ বলিউডের ফ্রেমে দেখা যাচ্ছে।

কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচারণার স্ক্রীনশট বিনোদন পূর্ণ ব্লগ বলিউডের ফ্রেমে দেখা যাচ্ছে।

এই নির্বাচনকে বলা যেতে পারে ভারতের প্রথম ডিজিটাল নির্বাচন। ভারতের নির্বাচনের উপর গ্লোবাল ভয়েসেস বিশেষ সংবাদ প্রকাশ করে। এইসব প্রচারণা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যবচ্ছেদ করা হয়। যেমন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের দ্বারা নির্মিত সামাজিক সচেতনতামূলক প্রচারণার এবং কি ভাবে ভারতে নাগরিক সমাজের দলগুলো ভোটার নিবন্ধিকরণ ও স্বচ্ছ প্রচারণা জন্য ডিজিটাল উপাদানকে ব্যবহার করছে, সে সব বিষয় বিশ্লেষণ করা হয়
3400443177_2dd2bba65d

ব্লগাররা এই নির্বাচনের ফলাফল সম্বন্ধে ভবিষ্যৎ বাণী এবং জনমত বিশ্লেষণ করেছে। এই নির্বাচনে সেলিব্রেটি বা তারকারা কি ধরনের প্রভাব রেখেছে তার উপরও তারা বিশ্লেষণ করেছে। নির্বাচনে রাজনীতিবীদদের কালো টাকার উৎস নিয়েও তারা তদন্ত করেছে
black

এই বার অন্যকিছুর বাইরে আমরা দেখতে পেয়েছি, সিটিজেন বা নাগরিক দ্বারা- পরিচালিত নির্বাচন পর্যবেক্ষণ- নির্বাচনের ফলাফল, উসাহিদি ইঞ্জিনের ভিত্তিতে ওয়েবে ভোটের সংবাদ লাভ এবং অনলাইন নির্বাচনী সাইটের প্রাচুর্য।

vote_report_india_header

এই সমস্ত উপাদানে সজ্জিত হয়ে সিটিজেন সাংবাদিকরা মাসব্যাপী সময় ধরে চলা এই নির্বাচন খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করে এবং নির্বাচনের পরে তারা কম ভোট পড়া ও নির্বাচন নিয়ে চলা প্রচারণার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করে।

যখন নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়, তখন দেখা যায় যে ভোটাররা পরিবর্তনের বিপক্ষে ভোট প্রদান করেছে। ভারতীয় টুইটারস্ফেয়ারে উচ্চকণ্ঠে-এর উন্নয়ন ও ফলাফল প্রকাশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।

অনলাইন প্রচারণা:

এ বছর ভারতে সফলতার সাথে বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে অনলাইন প্রচারণা আরম্ভ করা হয়। বছরের শুরুতে অনেক ভারতীয় এই সংবাদে বিরক্ত হয় যে দক্ষিণ ভারতের কর্নাটক রাজ্যের মাঙ্গালোরে একদল তরুণীকে একটি শুড়িখানায় হিন্দু পরিষদের সদস্যরা আক্রমণ করে
এই ঘটনার জের ধরে শীঘ্রই ফেসবুকে একটি দল অনলাইন প্রচারণার উদ্যোগ নেয়। তারা চটপটে, সাহসী এক পরিকল্পনা তৈরি করে। দলটি রাম সেনা দলের কর্মীদের কাছে ভ্যালেন্টাইন বা ভালবাসা দিবস উপলক্ষে মেয়েদের পরিধেয় গোলাপি রঙের জাঙ্গিয়া পাঠায়। এই শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের নাম দেওয়া হয়েছিল ছিল ‘পিঙ্ক চাড্ডি” (গোলাপি রঙের নিম্নাঙ্গের অর্ন্তবাস বা জাঙ্গিয়া) প্রচারণা।

উপরের ভিডিও প্রদর্শন করছে স্তুপ করা মহিলাদের নিম্নাঙ্গের অর্ন্তবাস বা জাঙ্গিয়া এবং হিন্দু পরিষদকে পাঠানো প্রেমপত্রের দৃশ্য।

এই বছর প্রথম টেডইন্ডিয়া নামক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় এবং এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে ব্লগারদের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে তাদের কর্মকান্ড সম্বন্ধে পড়ুন

ted india

অন্যান্য উল্লেখযোগ্য অনলাইন প্রচারণার মধ্য ছিল সবেচেয়ে সেরা গাড়ি চালনা চ্যালেঞ্জ এবং গাছের চারা প্রকল্প নামক প্রচারণা।

মানবাধিকার এবং বাক স্বাধীনতা:

চৈতন্য কুন্টে এক ভারতীয় ব্লগার। বর্তমানে সে নেদারল্যান্ডে বাস করে। এক মহিলা টিভি সংবাদিকের সমালোচনা করায় তাকে আইনগত ভাবে চুপ করিয়ে দেবার হুমকি প্রদান করা হয়। কুন্টে অভিযোগ করেছিলেন এই সাংবাদিক মুম্বাই-এর সন্ত্রাসী হামলার সময় তার সংবাদে উত্তেজনা ছাড়ানোর কাজ করছিল।

ভারতের অতি ডানপন্থী একটি রাজনৈতিক দল শিব সেনা। তারা ১৯ বছরের এক ভারতীয় নেটিজেনের উপর মামলা করে। এই নেটিজেন এক সোশাল নেটওয়ার্ক সাইটে শিব সেনার সমালোচনা করেছিল।

ভারতের অঙ্গরাজ্য মনিপুরে এক উত্তেজনা দেখা দেয়, যখন এক ছবিতে আবিষ্কার হয় ২৭ বছরের এক নিরস্ত্র যুবককে ঘেরাও অবস্থায় পুলিশ গুলি করা হত্যা করেছে। রাজ্যে এবং প্রচার মাধ্যম এই ঘটনাকে উপেক্ষা করায় সিটিজেন সাংবাদিকরা তাদের সমালোচনা করে

অন্যদিকে একটি ঘটনায় ভারতে মানবাধিকারে জয় হয়েছে। ভারতীয় আদালত পুরুষ সমকামীতা কোন অপরাধ নয় বলে ঘোষণা করেছে। একজন ব্লগার রায় প্রদানের এই দিনটিকে ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসের অন্যতম এক দিন বলে ঘোষণা দিয়েছে।

সংস্কৃতি ও ধর্ম:

slumdog-millionaire-thumbভারত ভিত্তিক এক ব্রিটিশ ছবি স্লামডগ মিলিনিয়ার। এই ছবিটি নিয়ে ভারতীয় ব্লগে গুঞ্জন দেখা দেয়, যখন তা গোল্ডেন গ্লোব এবং অস্কার প্রতিযোগিতায় দশটি বিভাগে মনোনয়ন লাভ করে। যে ভাবে এই ছবিতে ভারতীয় বস্তির দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে এবং তা বিদেশীদের আকর্ষণ করার জন্য করা হয়েছে বলে এই ছবি নিয়ে ভারতে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এই বিতর্ক চলচ্চিত্রটির জন্য অস্কারের সেরা চলচ্চিত্রসহ আটটি বিভাগে পুরষ্কার জেতার পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।

এখানে দুর্গাপুজা এবং এর আচারকে ব্যাখ্যা করে একটি তথ্যমূলক পোস্ট রয়েছে।

দেবী দুর্গাকে আগামী বছরে আসার আমন্ত্রণ জানিয়ে বিদায় জানানো হচ্ছে। ছবি অপর্না রায়

দেবী দুর্গাকে আগামী বছরে আসার আমন্ত্রণ জানিয়ে বিদায় জানানো হচ্ছে। ছবি অপর্না রায়

এর পরবর্তী খণ্ডে মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলংকার ঘটনাবলির দিকে নজর দেওয়া হবে। দয়া করা আমাদের সাথে থাকুন।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .