বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মালাউই: খেলাধুলা আর বিস্ময়কর উইন্ডমিল বালক

সাধারণভাবে মালাউই ব্লগ জগৎ চুপচাপ থাকলেও, গত মাসে মালাউইতে অনেক ঘটনা ঘটেছে আর তা ব্লগে এসেছে।

অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে মালাউই ১-১ গোলে ড্র করেছে ভীতিকর আইভরি কোস্টের ফুটবল দলের সাথে যাদের রয়েছে চেলসির খেলোয়াড় দিদিয়ের দ্রগবা। মালাউইর কামুজু স্টেডিয়ামে এই খেলা অনুষ্ঠিত হয়। বুকারু থান্দি আইভরি কোস্টের ফুটবল দলের বিরুদ্ধে মালাউইর কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসা করে একটি পোস্ট করেছেন।

সেখানে তিনি লিখেছেন:

আইভরি কোস্টের ফুটবল দলের সাথে ড্র করার জন্য অভিনন্দন। খুব ভালো হয়েছে। ফ্লেমস ওইই, ইনেন্সো ওইই!

আগের একটা পোস্টে, তিনি মালাউইর বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসকমের গুরুত্বহীনভাবে কাজ করার জন্য দু:খ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি মাত্র ২ শতাংশ মালাউইবাসী বিদ্যুৎ পান এই রিপোর্ট বিশ্বাস করতে চান নি (সত্যি হচ্ছে ৮ শতাংশ)। এর পরে তিনি এক মালাউই তরুণ সম্পর্কে খুব উদ্দীপক একটা গল্পের কথা জানান। ২১ বছরের উইলিয়াম কামকোয়াম্বা প্রায় সাত বছর আগে একটা উইন্ডমিল তৈরি করেছিল- সেটি নিয়ে সম্প্রতি একটা বই প্রকাশিত হয়েছে।

বই এর নাম যে ছেলে বায়ুকে লাগাম পরিয়েছিল

সে যে উইন্ডমিল বানিয়েছিল সেটা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হত যাতে বাতি জ্বালানো আর বাড়িতে রেডিও চালানো যেত। উইলিয়াম পাদপ্রদীপে আসে প্রায় তিন বছর আগে যখন দৈনিক টাইমসের একজন সাংবাদিক মালাউর রাজধানী থেকে ১৫০ কিলোমিটার উত্তরে কাসুঙ্গুতে এসে তার এই গল্প টা সংগ্রহ করেন। এখন সে আফ্রিকা লিডারশিপ একাডেমির একজন ছাত্র। উইলিয়াম মালাউইকে গর্বিত করে বার বার শিরোনামে এসেছে আর অনলাইনে তাকে আরও বেশী পাওয়া যাচ্ছে।

এনদাঘা এই ছেলের সাথে তার ব্যক্তিগত কথোপকথন তুলে ধরেছেন:

তার সাথে কথা বলার সময় আমি মালাউই আর এর বাইরে বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রে নতুন কিছু করার তার তাড়নাটা বুঝতে পারছিলাম। সে কম সুবিধাভোগীদের জন্য ভাবে বিশেষ করে তার পরিবার আর অনেক মালাউইবাসী যে কষ্ট করে সেই গল্প তুলে ধরে। সে একজন তরুণ যে যে কোন পরিস্থিতিতে পরিবর্তন দেখার জন্য বদ্ধ পরিকর। আমার কাছে মনে হয়েছে যে সে যত প্রচারণা পাবে, মালাউইর শক্তি খাত নিয়ে তার ক্ষোভ তত বাড়ছে। সঠিক সময় আসলে, অবশ্যই সে অনেক বড় কিছু করবে।

তাই ব্লগ জগৎ চুপ থাকলেও, অনেক কিছু হচ্ছে আর বিশ্ব কথা বলছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .