বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ভিডিও: বিশ্ব বার্লিন প্রাচীর পতনের দিনটিকে স্মরণ করছে

বার্লিন প্রাচীর, ছবি নাতালি মেইনোর

বার্লিন প্রাচীর, ছবি নাতালি মেইনোর

আজ বার্লিন প্রাচীর পতনের ২০তম বার্ষিকী। বার্লিন প্রাচীর ছিল এমন এক নিরাপত্তা দেওয়াল, যা একসময় পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানীকে দু’টি অংশে বিভক্ত করে রেখেছিল। আজ আমরা সারা বিশ্বের এমন কিছু ভিডিও দেখাব যা আজকের এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণ করে রাখার জন্য ওয়েব সাইটে উঠানো হয়েছে এবং এইসব ভিডিও বোঝাতে চাইছে যে এই রকম প্রাচীর কেবল জার্মানীকে বিভক্ত করে রাখে নি, সারা বিশ্বকে বিভক্ত করে রেখেছে।

জার্মানীতে বেশ কিছু বিশাল আকৃতির ডোমিনো (চেপ্টাকৃত এক ধরনের কাঠের কাঠামো যা সাধারণত খেলার জন্য বানানো হয়) বানানো হয়েছে যা ফোম বা বিশেষ রাবারের তৈরি। এগুলো একটির পর একটি ফেলার আয়োজন করা হয়েছে দিবসটির উদযাপনের জন্য অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে। এর এক প্রতীকী মানে রয়েছে, যার অর্থ হল শীতল যুদ্ধ শেষ হয়েছে। নো কমেন্ট টিভির এই ভিডিওটি বেশ কিছু ডোমিনো দেখাচ্ছে যেগুলো জার্মানীর শিশু এবং ডোমিনো শিল্পী নিজে রং করেছে, যারা অন্য এক এলাকায় বাস করে, যেখানে বিভক্তির রেখা এবং প্রাচীর এখনো রয়ে গেছে। অন্য ভিডিওটি এখানে সংযুক্ত করা যাচ্ছে না, কিন্তু আপনি এই লিঙ্ক ক্লিক করে দেখতে পাবেন কি ভাবে একটি ডোমিনো অন্যে ডোমিনোর গায়ে পড়ছে, যা ইউটিউবের পাতায় দেখা যাবে।

কলম্বিয়ায় ছাত্ররা একটি শক্ত সিমেন্টের টুকরো ভেঙ্গে বার্লিন প্রাচীর পতনের দৃশ্যটি পুনরায় তৈরি করেছে।

জার্মানীর ডোমিনো ভক্ত এনোডোমিনো২০০৭ তার নিজের তৈরি ডোমিনো দিয়ে একটি ভিডিও দৃশ্য উঠিয়ে দিয়েছেন যা বার্লিন প্রাচীর পতন দিবস উপলক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে এবং ডোমিনোকে ধাক্কা মেরে শুরু হওয়া বিশেষ উৎসব তার দশ বছর পূর্তি উদযাপন করল।

যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ ছাত্ররা বার্লিন প্রাচীরের মত দেখতে এক প্রাচীর তৈরি করেছে, যার উপর ইচ্ছে করলে লেখা যাবে, মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির জন্য এই প্রাচীর তৈরি করা হয়েছে।

মেক্সিকোর ভারিনভিএক্সএক্স আরেকটি দেওয়ালের ভিডিও জমা দিয়েছে। এই দেওয়াল এখনো দাঁড়িয়ে আছে: এটা বার্লিন প্রাচীর নয়, এটা প্যালেস্টাইনের কোন প্রাচীর নয়, এটি যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকোর সীমানা প্রাচীর, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক লজ্জা:

ক্রিস্টা স্কেলার মেক্সিকো-যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা নির্ধারক দেওয়ালকে বার্লিন প্রাচীরের সাথে তুলনা করেছেন। তিনি কেবল অভিবাসী মানুষদের দৃষ্টিতে এই তুলনা করেন নি, একই সাথে তিনি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের দৃষ্টিকোণ থেকেও তা বিচার করেছেন:

জিয়াশেরে তার এই পরীক্ষা মূলক তথ্যচিত্রে অন্য এক দেওয়ালের কথা তুলে ধরছেন যা এই তথ্যচিত্রে দাঁড়িয়ে রয়েছে, যে দেওয়াল আয়ারল্যান্ডের মানুষের মাঝে অবস্থিত:

সর্বশেষ এই ভিডিওটি দুই বছরের পুরোনো, কিন্তু এখনো তা এই বার্লিন প্রাচীরের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক এক বিষয়। এডামাফ্লিমমেকার সাইপ্রাসের উত্তর ও দক্ষিণ নিকোশিয়ায় যে দেওয়াল অবস্থিত তার উভয় পারের তরুণদের সাক্ষাৎকার নিয়েছে। এই দেওয়াল একটি গ্রীণ জোন বা আন্তর্জাতিক সীমানা রেখা, যেখানে জাতি সংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী বা ব্লু হেলমেট দল পাহারা দেয়। এই সীমানা তুর্কি ও গ্রীক সাইপ্রিয়টকে বিভক্ত করে রেখেছে। এ কারণে নিকোশিয়া বিশ্বের সর্বশেষ রাজধানী হিসেবে পরিচিত যা দু'টি অংশে বিভক্ত

ছবি নাতালি মেইনোরের সৌজন্য পাওয়া এবং পোস্টে তা ক্রিয়েটিভ কমন্স এট্রিবিউশন লাইসেন্স-এর আওতায় ব্যবহার করা হয়েছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .