বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

গ্লোবাল ভয়েস মেন্টরস-এর তাজা সংবাদ: জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করা

gc-300x85
গ্লোবাল চেঞ্জ, একটি শিক্ষামূলক কর্মসূচি যা এমএস এ্যাকশন এইড ডেনমার্ক পরিচালনা করে, যার লক্ষ্যে বৈশ্বিক স্তরে শিক্ষার মাধ্যমে তরুণদের যোগাযোগ , নতুন প্রচার মাধ্যমে ও সৃষ্টি শীল সংগঠক হিসেবে তৈরি করার জন্য সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন সম্বন্ধে শিক্ষা প্রদান করা। তাদের সাহায্য করেছে গ্লোবাল ভয়েসেসের ৩১ জন সদস্য। তারা প্রত্যেকে একজন ড্যানিশ অথবা আফ্রিকার কোন ছাত্রের সাথে জুটি বেঁধেছে, তারা তাদের সঙ্গীদের প্রযুক্তিগত ও মানবীয় দিক থেকে ব্লগিংকে আরো পরিচিত করানোর ক্ষেত্রে সাহায্য করেছে।

ভার্চুয়াল বা ইন্টারনেট জগতের দীক্ষাগুরু হবার চ্যালেঞ্জ

প্রাথমিক যোগাযোগ তৈরির প্রক্রিয়া ছিল মেন্টর বা দীক্ষাগুরু ও মেন্টিজ বা দীক্ষা নেওয়া শিষ্যের মধ্যে ইমেইল আদানপ্রদান, যা প্রায় দুই সপ্তাহ আগে শুরু হয়, উভয়ের মধ্যে বেশ কিছু ইতিবাচক যোগাযোগ ঘটে এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হতে থাকে। অনেক দীক্ষাগুরু জিমেইল, টুইটার, আরএসএস ফিড, স্কাইপ, ফেসবুক, ইনস্ট্যান্ট মেসেজ বা তাৎক্ষনিক মেসেজ প্রদান, ভিডিও যুক্ত করা, লিঙ্ক প্রদান করা, ফ্লিকার ও ক্রিয়েটিভ কমন্স ইত্যাদির মধ্যে প্রযুক্তিগত বিষয়ে উপদেশ প্রদান করে এবং তারা তাদের কাছে এই বিষয়ে মেন্টিজ নিউ ব্লগ বা দীক্ষা নেওয়া ছাত্রদের নতুন তৈরি করা ব্লগে বিভিন্ন মন্তব্যও করেছে।

তবে, সম্প্রতি দীক্ষাগুরুদের অনলাইনে আইআরসি চ্যাট মিটিং বা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তারা এই বিষয়ের উন্নতির জন্য এক আলোচনা করে, অনেকে এর মধ্যে চিন্তিত যে প্রশিক্ষণার্থীরা অনলাইনের জগৎে সতর্কতার সাথে পা ফেলছে, এবং এ রকম সীমাবদ্ধ সময়ের মধ্যে এই সমস্ত কর্মকাণ্ড সমাপ্ত করা, নতুন প্রযুক্তি শেখা এবং একই সময় কোপেনহেগেন জলবায়ু সম্মেলন সম্বন্ধে ধারণা লাভ করা ও পরিকল্পনা করার কারণে সকলেই ইমেইলের ও চ্যাটের মাধ্যমে তাদের দীক্ষাগুরুদের সাথে প্রতিদিন যোগাযোগে এতটা আগ্রহী হচ্ছে না।

নতুন ব্লগারদের জন্য উপাদান

এর ফলে দীক্ষাগুরুরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, তারা তাদের শিষ্যদের আরো ইতিবাচকভাবে উৎসাহিত করবে, যাতে তারা ব্লগিং এর অর্থ এবং ব্লগ করার উৎসাহ খুঁজে পায়, তথ্য ভাগাভাগি করা ও অনলাইন সম্প্রদায় গঠন করার ক্ষেত্রে, যার দ্বারা তারা কিছু পরিবর্তন সাধন করতে পারে বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যখন এই দীক্ষা প্রদানের জন্য আর তিন থেকে চার সপ্তাহ বাকী রয়েছে, দীক্ষাগুরুরা ব্লগ মেমো বা চিঠি প্রদানের বিষয় নিয়ে আলোচনা করছে এবং নতুন ব্লগার যারা কি বিষয় নিয়ে লিখবে তা নিশ্চিত হতে পারছে না, তাদের যে সমস্ত বিষয় নিয়ে লেখা যায় সে সম্বন্ধে ধারণা দিচ্ছে।

তাদের শিষ্যদের আরো ভালভাবে শেখানোর জন্য তারা বিভিন্ন উপাদান উইকি পেজ বা উইকিপিডিয়ার পাতায় জড়ো করছে। এবং এর জন্য তারা একটি সম্মিলিত বা গ্রুপ ইমেইল তৈরি করেছে। যার মধ্যে বিভিন্ন নোট বা তথ্য মূলক উপাদান যুক্ত করা হয়েছে।খুব সহজ ইংরেজীতে সাধারণ ধারণায়, ধারাবাহিক কিছু ভিডিও রাখা হয়েছে যার মধ্যে রয়েছে যেমন, “ সহজ ইংরেজীতে ব্লগ করা” এবং “সাধারণ ইংরেজীতে টু্ইটার করা“; পরিবেশকে ঠিক রাখার ব্যাপারে কিছু প্রবন্ধ; টুইটারে পরিবেশ সাংবাদিকদের মধ্যে কয়েকজনের নামের তালিকা; কি ভাবে ব্লগ করতে হবে এই নিয়ে সিলউইয়া প্রিসলির নতুন চালু করা ব্লগ; কি ভাবে ব্লগ করতে হয়, এবং দিয়োগোর উৎসাহজনক দিক নির্দেশনা ।

মেন্টিজ বা শিষ্যদের ব্লগ

যারা ব্লগ সম্বন্ধে ধারণা নিচ্ছে সেই সব মেন্টিজরা পরিবেশ পরিবর্তন এবং তাকে প্রতিরোধ করা বিষয়ে বেশ কিছু কৌতূহলী এবং উপাদানপূর্ণ পোস্ট লিখেছে। নীচের বিষয়গুলো ৩১ জন মেন্টিজ বা প্রশিক্ষনার্থীদের মধ্যে কয়েকজনের লেখার উল্লেখযোগ্য অংশ তুলে ধরা হয়েছে।

আনলু কৃত্রিম সবুজ বিপ্লব সম্বন্ধে প্রশ্ন তুলেছে। ক্যাসপার লিখেছে ব্যক্তি মনোভাবের সীমাবদ্ধতা সম্বন্ধে এবং যৌথ বিকল্পের সমস্যা নিয়েজোসেফিন একটা চিন্তামূলক প্রবন্ধ লিখেছে, যা পরিবেশ বান্ধব খাবারের ধারণা দেয়।

মেন্টি বা প্রশিক্ষণার্থী অরভিড এবং প্রশিক্ষক রেনাটা আভিলা একসাথে তাদের অভিজ্ঞতা সবার সাথে ভাগাভাগি করে নিয়েছে এবং ভেতরের বিষয়গুলো, যখন রেনাটা ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র ভ্রমণ করেনরি ব্লগ করেছেন পরিবেশ বিষয়ে বেসরকারী ও মাঠ পর্যায়ের স্তরে কি ঘটছে তা নিয়ে, যেখানে সে বেশ কিছু বেসরকারী প্রতিষ্ঠান গ্রীনপিস ও পিপল ক্লাইমেট এ্যাকশন এর কাজ তুলে ধরে।

সিনে, জলবায়ু পরিবর্তন ও ব্যক্তিগত দায়িত্ব নিয়ে যে গুঞ্জন তার উপর আলোকপাত করেন। সিমনয়র লিখেন, কেন পরিবর্তন নেতাদের পরিবর্তে সাধারণ মানুষদের কাছ থেকে আসতে হবে সে সম্বন্ধে।

মেন্টিজ বা প্রশিক্ষণার্থীরা এই বিষয়টি কোপেনহেগেনের কেন্দ্রে পরিবেশ পরিবর্তন বিষয়ে আভাজ গ্লোবাল ওয়েক আপ কল নামক অনুষ্ঠানের জন্য সংগঠিত করেছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .