বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মিশর: নাগলা এল এমামের প্রদর্শনীর সুরে কান পাতা

নাগলা এল এমাম, একজন আইনজীবী এবং একটি মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানের প্রধান। তাকে তখন প্রথম টিভিতে দেখা যায়, যখন তিনি নোহা রুশদির আইনজীবী বলে নিজেকে দাবি করেন। সে সময় যৌন হয়রানি দায়ে শরিফ গোম্মার তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০১ মিশরীয় পাউন্ড জরিমানা করা হয়, রাস্তায় নোহা রুশদিকে আঁকড়ে ধরার দায়ে তার এই শাস্তি হয়েছিল।

এই একই নাগলা এল এমাম হয়রান কারী শরিফের পক্ষে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, যখন ভদ্রমহিলা আবিষ্কার করেন নোহা রুশদি জাফায় জন্মগ্রহণ করেছে এবং সে ইজরায়েলি পাসপোর্ট বহন করে।

আমরা একই নাগলা এল এমামের কথা বলছি, যে আরব তরুণদের আহ্বান জানিয়েছিল ইজরায়েলি মেয়েদের যৌন হয়রানি ও ধর্ষণ করতে, এক ধরনের প্রতিরোধ হিসেবে।

নাগলা এল এমাম আবার সংবাদ শিরোনামে উঠে আসেন, যখন তিনি খ্রীষ্টান ধর্ম গ্রহণ করেন এবং তার নাম বদলে রাখেন ক্যাথরিন। হাজিনা ৩আলা মাসর (মিশরের জন্য বেদনার্ত) ব্লগ লিখেছে:

إرتفعت أصوات طيور الظلام هذه الأيام في مصر ضد كل من الدكتور سيد القمني والمحامية نجلاء (كاترين) الإمام. الأول بسبب حصوله علي جائزة الدولة التقديرية والثانية بسبب إعلان تحولها إلي المسيحية.
অন্ধকারের এক শক্তি ডা. সাইয়েদ এল কেয়ামানি ও আইনজীবী নাগলা (ক্যাথরিন) এল এমামের উপর ভয়ানক এক আক্রমণ শানিয়েছে, প্রথম জন রাষ্ট্রীয় পুরস্কারের কারণে এবং দ্বিতীয় জন খ্রীষ্টান ধর্ম গ্রহণ করার কারণে তাদের প্রতি এই আক্রমণ সংঘটিত হয়।

ভদ্রমহিলা বিস্মিত:

السؤال الذي نطرحة هنا لماذا كل هذا الهجوم وهل جائرة تقدر قيمتها بأقل من أربعين الف دولار أمريكي, وهل تحول محامية مصرية يستحق كل هذا الصخب والضجيج؟؟
এখন প্রশ্ন হচ্ছে: কেন এই সকল আক্রমণ? এমন এক পুরস্কার, যার মূল্য কম করে হলেও প্রায় ৪০,০০০ আমেরিকান ডলারের সমান এবং একজন আইনজীবির ধর্মান্তরিত হওয়া এ সকল উত্তেজনার দাবি রাখে?

তিনি উপসংহার টানছেন এভাবে:

الشئ الثاني أن جائزة الدولة وقيمتها المادية البسيطة لشخصية كالقمني, أو تحول محامية للمسيحية, الأمران في حد ذاتهما لايمثلا أية أهمية فقيمة الجائزة لا تهم طيور الظلام ولا تحول فرد مسلم للمسيحية سيهدم الإسلام أو ينتقص من عدد المسلمين. فهم يعلمون أن محاولاتهم سحب قيمة الجائزة من القمني ستفشل, وكذلك لا أمل لديهم في رجوع كاترين للإسلام مرة ثانية, القضية هي قضية تسير علي طريقة المثل الشعبي المصري “إضرب المربوط يخاف السايب”. فمع سيد القمني هم يرهبون الدولة أولا حتي لا تنتهج نهجا يشجع أمثال القمني من الليبراليين, … وكذلك كاترين فلو مرت مسألة تحولها للمسيحية مرور الكرام سيظهر كل يوم كاترين جديدة, ثم كيف تتجرأ وتعلن عن تحولها للمسيحية بهذا الشكل فمجرد الإعلان هو تحقير لهم وإستهتار بمكانتهم, بل هو الفجور بعينه من وجهة نظرهم.
এই পুরস্কার পাওয়া ও ধর্মান্তরিত হওয়ার কোন মূল্য নেই; অন্ধকারের শক্তির এই ধরনের পুরস্কারে অর্থ বিনিয়োগে কোন আগ্রহ নেই এবং তারা পরিপূর্ণভাবে বোঝে যে একজন মুসলিম কমে গেলে তা বিশেষ কোন পার্থক্য তৈরি করে না। তাদের সুনির্দিষ্ট আক্রমণের লক্ষ্য বস্তু কাপুরুষ যে কোন ব্যক্তি, যারা নিজেদের পথ অনুসরণ করতে ভয় পায়। তারা নিশ্চিত করে যে, রাষ্ট্র স্বাধীন চিন্তার কোন মানুষকে পুরস্কৃত করবে না এবং যে সমস্ত উদার ব্যক্তিরা তাদের চিন্তা নিজের মধ্যে রাখবে ও সেই সমস্ত ধর্মান্তরিত ব্যক্তি যারা তাদের গোপন কক্ষ ছেড়ে বাইরে আসবে না- তা না হলে আমাদের মাঝে শত শত কায়মানি ও লজ্জাহীন ধর্মান্তরিত ব্যক্তি থাকত।

নাগলা এল এমামের আইনজীবী তার হয়ে আবেদন না জানানো পর্যন্ত সে মিশর ত্যাগ করতে পারবে না। হাজিনা জানাচ্ছেন:

قال بيتر النجار محامى الحقوقية المتنصرة نجلاء الإمام إن اللواء حبيب العادلى وزير الداخلية سمح لموكلته بالسفر للخارج وأمر بإصدار جواز سفر جديد لها، رغم صدور قرار بمنعها من السفر خوفاً من هروبها للخارج. يذكر أن قرار منع نجلاء الإمام من السفر قد جاء بعد تعينها مديرة لفرع منظمة “حررنى يسوع” التى تدعو للتبشير فى مصر والتى أسسها المتنصر الدكتور محمد رحومة.
ধর্মান্তরিতার আইনজীবী পিটার এল নাগগার জানান যে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নতুন পাসপোর্ট হবার পর তার মক্কেল বিদেশে ভ্রমণ করতে পারবে। এর আগে নাগলা বিদেশ ভ্রমণ করতে অস্বীকার করেন এই ভয়ে যে, এতে তার পলায়নের খবর ছড়িয়ে পড়বে। তার মিশরের মাটি ছেড়ে চলে না যাবার সিদ্ধান্ত তৈরি হয় তখন, যখন সে মিশরের মিশনারী সংগঠন ‘যেশাশ লিবারেট মি’ বা ‘যিশু আমাকে মুক্ত কর’-এর প্রধান হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। এই সংগঠনটির স্থপতি মোহামেদ রাহউমা নামের এক ধর্মান্তরিত ব্যক্তি।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .