বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ব্রাজিল: সমসাময়িক দাসত্ব প্রতিরোধ করা

ব্রাজিলের আখের গাছ কাটার শ্রমিক। ছবি তুলেছেন রিকার্ডো ফুনারি, অনুমতি নিয়ে ব্যবহৃত।

ব্রাজিলের আখের গাছ কাটার শ্রমিক। ছবি তুলেছেন রিকার্ডো ফুনারি, অনুমতি নিয়ে ব্যবহৃত।

ব্রাজিলে দাসত্ব আমলের কিছু ছিটে ফোঁটা এখনো রয়ে গেছে, বিশেষ করে উত্তর আর উত্তর-পূর্বের অংশে, আর এটা সবাই জানে। যদিও ১৮৮৮ সালে পৃথিবীর শেষ দেশ হিসেবে দাসত্ব নিষিদ্ধ করা হয়েছে সেখানে, দুর্গম এলাকাতে দেনার জন্য সাময়িক দাসত্ব এখনও দেখতে পাওয়া যায়। আর জোর করে শ্রম আদায়ের ঘটনাও চলছে সরকারের প্রতিকারের নানা চেষ্টা সত্ত্বেও, কারণ সেসব স্থানে বিচার ব্যবস্থার হাত ভৌগোলিক বাধার সম্মুখীন হয়।

তবে, যতবার এই ধরনের ঘটনা ঘটে সাও পাওলোতে, বিশেষ করে বৃহত্তর সাও পাওলো, এই সংবাদ ব্রাজিলের প্রধান সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় আসে। এটাই গত সপ্তাহে ঘটেছে, যখন মোগি গাউচু মিউনিসিপ্যালিটিতে সাও পাওলোর শ্রম অডিটররা শ্রম আইনজীবীদের সাথে মিলে ২০ জনকে দাসত্ব থেকে মুক্ত করেছেন (দুই জনের বয়স কম, মাত্র ১৭ বছর)। সাকামোতোর ব্লগ (পর্তুগীজ ভাষায়) এই ঘটনা জানিয়েছেন, আর এই পরিস্থিতির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন যে কম বয়সী দাসদের পরিত্যক্ত সরকারী স্কুলে রাখা হচ্ছে। এই ব্লগ দাসত্ব সংক্রান্ত আন্দোলনে বিশেষজ্ঞ আর পুরস্কার প্রাপ্ত রিপোর্টার ব্রাজিল ওয়েবসাইটের অংশ।

OK, isso já aconteceu outras centenas de vezes no Brasil, infelizmente. O absurdo da vez foi que o empregador alojou o pessoal em uma escola pública desativada, com fiação elétrica exposta e esgoto correndo a céu aberto. Mesmo depositando o pessoal nessas condições, disse que cobraria aluguel pela hospedagem.
A prefeitura havia feito um contrato com Pimenta para que ele usasse a casa dos fundos da escola em troca de manutenção do local. A escola Fazenda Graminha foi cedida pelo Estado para o município há nove anos. Agora, o contrato será cancelado e a prefeitura estuda entrar com um processo contra o empregador. O prédio foi lacrado e a secretaria fará um estudo sobre a possibilidade de reativar a escola. Incrível! Discute-se a “possibilidade”…

এটা ঠিক, দুর্ভাগ্যবশত: এমন ঘটনা ব্রাজিলে অনেক বার ঘটেছে। এই ঘটনার অদ্ভুত ব্যাপার হল যে মালিক দাসদেরকে পরিত্যক্ত স্কুলে রেখেছিল, খোলা ইলেক্ট্রিকের তার আর উন্মুক্ত বহমান নালার মধ্যে। সে জায়গার এমন খারাপ অবস্থা সত্ত্বেও, সে বলেছিল যে বাসস্থানের জন্য অর্থ নেবে।

মালিক পিমেন্টার সাথে নগর কর্তৃপক্ষ একটি চুক্তি করেছে মিউনিসিপ্যাল স্কুলের পিছনের বাড়িটি মেরামতের বিনিময়ে ব্যবহারের জন্য। নয় বছর আগে সরকার গ্রামিনহা ফার্ম স্কুলটির দায়িত্ব দেয় মিউনিসিপ্যালিটিকে। এখন চুক্তি বাতিল করা হবে আর নগর কর্তৃপক্ষ চিন্তা করছে মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করবে কিনা। বাড়িটি বন্ধ করা হয়েছে আর সচিবালয় স্কুল পুনরায় খোলার সম্ভাবনা বিবেচনা করছে। অদ্ভুত! তারা এখনো ‘সম্ভাবনা’র কথা চিন্তা করছে…

আখ শ্রমিকরা প্রচণ্ড রোদে চাষের জমির মধ্যে মধ্যাহ্নভোজন করছে, খাবার জন্যে প্লেট বা অন্য কোন সুবিধা নেই। ছবি: রিকার্ডো ফুনারী

আখ শ্রমিকরা প্রচণ্ড রোদে চাষের জমির মধ্যে মধ্যাহ্নভোজন করছে, খাবার জন্যে প্লেট বা অন্য কোন সুবিধা নেই। ছবি: রিকার্ডো ফুনারী

সাও পাওলোতে এই দাসত্বের ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিক আর জ্ঞানী-গুণী দ্বারা অতীতে আলোচিত ভাবনা গুলো উস্কিয়ে দেয় যেমন পারা স্টেট এর লুচিও ফ্লাভিও কোস্তা বলেছিলেন: দাসের শ্রম কি আমাজনের একটা অস্বাভাবিকতা? (পর্তুগীজ ভাষায়):

Desde 2003, 192 pessoas foram autuadas pelo Ministério do Trabalho e Emprego por submeter seus empregados a regime de trabalho análogo à escravidão. Mais de dois terços dessas empresas (147) atuam na Amazônia Legal. O campeão nacional do trabalho escravo é o Pará, com quase um quarto de todas as atuações, 52. As duas colocações seguintes nesse nefando ranking são ocupadas por Estados amazônicos: Tocantins (43) e Maranhão (32).
O que leva à concentração dos casos de exploração de mão-de-obra não é uma anomalia amazônica, mas o fato de a região constituir a área de expansão da fronteira econômica do Brasil. Há o pressuposto tácito (ou tático) de que o pioneiro não traz necessariamente consigo a contemporaneidade.

২০০৩ সাল থেকে, শ্রম ও কর্মশক্তি মন্ত্রণালয় দ্বারা ১৯২ জনের কথা জানানো হয়েছে যারা তাদের শ্রমিকদের দাসত্বে সমান পরিস্থিতিতে কাজ করতে বাধ্য করেছে। এই সব কোম্পানির দুই তৃতীয়াংশের বেশী (১৪৭) আমাজন বেসিন লিগাল আমাজনে কাজ করে। দাসত্ব শ্রমে জাতীয় ‘চ্যাম্পিয়ন’ হচ্ছে পারা স্টেট, যেখান থেকে রিপোর্টের এক চতুর্থাংশ অভিযোগ এসেছে, ৫২টা। এই কুখ্যাত তালিকার পরের দুই স্থানও অন্যান্য আমাজন রাষ্ট্রের দখলে: টোকান্টিন্স (৪৩) আর মারানহাও (৩২)।

খুব উঁচু পর্যায়ের শ্রমের শোষণের এই উদাহরণগুলো আমাজনের অস্বাভাবিকতা না, বরং এটা প্রমাণ করে যে এই এলাকা ব্রাজিলের অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের অগ্রভাগে আছে। একটা নীরব ধারণা আছে যে অগ্রযাত্রী সব সময়ে তার সাথে হালের মার্জিত অভ্যাস নিয়ে আসে না।

লুচিও ফ্লাবিও পিন্টো যা বোঝাতে চেয়েছেন তা হল ফ্রন্টিয়ার স্টেটগুলোতে দাসত্বের বেশী প্রবণতা সত্ত্বেও, অনুকূল অবস্থার কারনে (ভৌগোলিক ছাড়াও, তার কথা অনুসারে, সমকালীন অভ্যাস, বিচার, শিক্ষা ইত্যাদির অনুপস্থিতি), এটা অর্থনৈতিক এজেন্ট – কৃষক আর ব্যবসায়ীরা চালায়। এবং এর সূত্র ব্রাজিলের সব অংশ থেকে, সব সময়ে স্থানীয় এজেন্টের সাথে মিলে। তাহলে বলা যায় এইভাবে যে: ”পরিস্থিতি চোর তৈরি করে” (ব্রাজিলের জনপ্রিয় কথা) আর শ্রম শোষণের ক্ষেত্রে সুবিধাজনক অনেক পরিস্থিতিতে, ব্রাজিলের দাসত্বের ইতিহাস আবার নিজেকে তুলে ধরে। ঐসব স্টেটের বাইরের জায়গাগুলোতে অন্যান্য বিষয় এই ঘটনার জন্য দায়ী হয়ে থাকে, যেমন: খারাপ স্থানীয় প্রশাসন, অল্প অডিট, দুর্বল ট্রেড ইউনিয়ন, অভিবাসী কর্মী, দুর্বল আর ভুল তথ্য সম্বলিত জনগণ।

আখ শ্রমিকদের বাসস্থান: কোন খাবার পানি নেই, বিছানা নেই, বৈদ্যুতিক বাতি নেই, রান্নাঘর বা শৌচাগার নেই। ছবি: রিকার্ডো ফুনারী

আখ শ্রমিকদের বাসস্থান: কোন খাবার পানি নেই, বিছানা নেই, বৈদ্যুতিক বাতি নেই, রান্নাঘর বা শৌচাগার নেই। ছবি: রিকার্ডো ফুনারী

মোগি – গুয়াচুর ঘটনা একটাই না আর ব্রাজিলের ব্লগাররা লাগাতার রিপোর্ট করে যাচ্ছেন নগর আর গ্রাম্য উভয় জায়গায় সাও পাওলোর দাস শ্রমের ব্যাপারে। এই বছর এঞ্জোস এ গুইরিয়োস ব্লগ একটা পোস্ট করেছেন সাও পাওলো শহর থেকে ৭০ কিমি দূরে ভেভ্রুইভা মিউনিসিপ্যালিটির লেবুর বাগানে প্রকাশ্য দাস শ্রম আর শিশু শ্রমের ব্যাপারে:

Uma denúncia levou a polícia até a fazenda. Um lavrador estava na propriedade há quatro meses e conta que não recebeu nenhum pagamento. Os responsáveis pela contratação devem responder por exploração de trabalho infantil.
– Às vezes o povo dá um pouco de comida. Tem vez que nós não comemos, não almoçamos e nem jantamos.
Os funcionários contaram para os policiais que havia crianças trabalhando na colheita de limão. O Conselho Tutelar foi chamado e flagrou seis menores trabalhando no local. Um deles, um menino de 12 anos.
– Não tem luvas nem tinha equipamento, nem água. Eu ganho R$ 2 reais – diz o menino.
Uma adolescente conta que os patrões pediram para todos fugirem assim que ficaram sabendo que a polícia ia chegar.
– Nós dissemos que não fugiríamos – afirmou

অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই খামারে যায়। স্থানীয় একজন কর্মী ওই স্থানে চার মাস ধরে ছিল আর জানিয়েছে কিভাবে সে কোন বেতন পায়নি। তাকে নিয়োগের জন্য দায়ী লোকদের শিশুশ্রমের জন্যও দায়ী করা উচিৎ।

- কখনো তারা আমাদেরকে অল্প একটু খাবার দেয়। কখনো আমরা খাই না, দুপুর বা রাত্রে।

শ্রমিকরা পুলিশকে জানায় যে লেবু বাগানে বাচ্চারা কাজ করছে।

টিউটোরিয়াল কাউন্সিলকে ডাকা হয় আর তারা দেখতে পান যে ছয়টা শিশু মাঠে কাজ করছে। তাদের মধ্যে ১২ বছরের একটা বালক ছিল।

- কোন দস্তানা বা যন্ত্র নেই, এমনকি পানিও নেই। “আমি ২ রেয়াস ( প্রায় ১ ডলার) আয় করি”, বলেছে ছেলেটা।

একটা বালক তাদেরকে জানিয়েছে যে তাদের মালিক তাদেরকে বলেছিল পুলিশ আসছে শুনলে পালিয়ে যেতে।

- সে জানায়- আমরা বলেছি আমরা পালাবো না।

সাও পাওলো শহরে, নগরের কেন্দ্রস্থলে, দাস শ্রমের ঘটনার আর একটা রুপ আছে যার প্রতি আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ভেরদেফাতো ব্লগ:

O trabalho escravo urbano é menor se comparado ao do meio rural. A Polícia Federal, as Delegacias Regionais do Trabalho, o Ministério Público do Trabalho e o Ministério Público Federal já agem sobre o problema. Vale lembrar que a escravidão urbana é de outra natureza, com características próprias…O principal caso de escravidão urbana no Brasil é a dos imigrantes ilegais latino-americanos – com maior incidência para os bolivianos – nas oficinas de costura da região metropolitana de São Paulo. A solução passa pela regularização da situação desses imigrantes e a descriminalização de seu trabalho no Brasil.

গ্রাম্য এলাকা থেকে শহরে দাস শ্রম কম। ফেডারেল পলিসি, আঞ্চলিক শ্রম প্রতিনিধি, শম জনশক্তি মন্ত্রণালয় আর ফেডারেল পাবলিক মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে এই সমস্যা নিয়ে কাজ করেছে। এটা মনে রাখা দরকার যে শহরের দাসশ্রমের ধরণ অন্য, স্পষ্ট নির্দেশনাসহ- ব্রাজিলের শহরে দাস শ্রমের মূল কারন হলো সাও পাওলোর মেট্রোপলিটান এলাকার সেলাই কারখানায় কর্মরত বেআইনি ল্যাটিন আমেরিকার অভিবাসীরা- বিশেষ করে বলিভিয়াবাসী। সমাধান হচ্ছে এইসব অভিবাসীদের নিয়মিত করে ব্রাজিলে তাদের কাজকে অপরাধমুক্ত করা।
বন্দীদশা থেকে পালাতে সক্ষম একজন ইনফর্মার ব্রাজিলিয়ান পুলিশকে সেই জায়গায় নিয়ে গেছে যেখানে বেশ কিছু শ্রমিককে আটকে রাখা হয়েছে। ছবি: রিকার্ডো ফুনারী

বন্দীদশা থেকে পালাতে সক্ষম একজন ইনফর্মার ব্রাজিলিয়ান পুলিশকে সেই জায়গায় নিয়ে গেছে যেখানে বেশ কিছু শ্রমিককে আটকে রাখা হয়েছে। ছবি: রিকার্ডো ফুনারী

একই ব্লগ জানিয়েছে বলিভিয়ার এই অভিবাসীর ঘটনা, অনেকের মধ্যে একজন যে এমন পরিবেশে কাজ করছে:

Sentada há mais de 16 horas diante da máquina de costura, a mãe de Ramón tem pressa. Maria Diaz costura uma peça de roupa atrás da outra, intensamente. Ela tem uma agenda para cumprir. Só pára quando precisa comer ou ir ao banheiro. A mãe do pequeno Ramón é uma mulher exausta.

Desde que chegou ao Brasil, em 2003, trabalha do amanhecer até tarde da noite. Não tem carteira assinada, equipamento de proteção, assistência médica. Ela não existe nos registros de imigração. Oficialmente, o governo brasileiro não sabe de sua presença. Tampouco sua saída da Bolívia, em 2003, foi registrada pelo governo daquele país. Maria foi trazida para São Paulo por intermediários conhecidos como “coiotes”, que ganham dinheiro contrabandeando gente de um país para outro. Em São Paulo, pelo menos 100 mil bolivianos estão nessa situação.

সেলাই মেশিনের সামনে ১৬ ঘন্টার বেশী বসে থেকে, রামোনের মা তাড়াতে আছেন। মারিয়া ডায়েজ একটার পরে আর একটা কাপড় সেলাই করে যাচ্ছেন। তার একটা লক্ষ্য পূরণ করতে হবে। তিনি খাওয়ার বা টয়লেটে যাওয়ার জন্য কেবল থামছেন। ছোট্ট রামোনের মা ক্লান্ত একজন মহিলা।

২০০৩ সালে ব্রাজিলে আসার পর থেকে তিনি সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করেছেন। তার কাজের অনুমতি, সাবধানতার যন্ত্রপাতি বা চিকিৎসা সহায়তা নেই। অভিবাসন রেজিস্ট্রিতে তার অস্তিত্ব নেই। সরকারীভাবে, ব্রাজিলের সরকার তার অস্তিত্বের কথা জানেন না। ২০০৩ এ বলিভিয়া থেকে আসার সময়েও তার আসাটি রেজিস্টার করা ছিল না সেখানে। ‘কোয়োটেস’ নামের দালালরা মারিয়াকে সাও পাওলোতে এনেছে, এরা এক দেশ থেকে আরেক দেশে মানুষ পাচার করে অর্থ উপার্জন করে। সাও পাওলোতে, অন্তত ১০০,০০০ জন বলিভিয়াবাসী এই রকম পরিস্থিতিতে আছেন।

এক খামারে বন্দী একজন শ্রমিক তার প্রথম কর্ম অনুমতি পত্রের জন্যে ছবি তোলার আগে দাড়ি কামাচ্ছে। ছবি: রিকার্ডো ফুনারী

এক খামারে বন্দী একজন শ্রমিক তার প্রথম কর্ম অনুমতি পত্রের জন্যে ছবি তোলার আগে দাড়ি কামাচ্ছে। ছবি: রিকার্ডো ফুনারী

সাও পাওলো থেকে আরও উদাহরণ: কয়সাস দে সাও পাওলো ব্লগে পোস্ট করা হয়েছে সমাজবিদ আর মিউনিসিপাল এসেম্বলি সদস্য ফ্লোরিয়ানো পেসারোর একটা প্রতিবেদন যেটি পথ শিশুদের বিষয় আলোচনা করে। এরা তাদের বাবা মা দ্বারা কাজ করতে বাধ্য হয় – এটি দ্বৈত অপরাধের নিদর্শন – শিশু শ্রম আর দাস শ্রম:

O trabalho infantil nas ruas, no comércio e até dentro de casa resiste no Brasil urbano e rural. Manifesta-se em suas piores formas, com práticas análogas ao trabalho escravo: exploração sexual comercial, venda e tráfico de crianças para trabalho ou exploração sexual, uso de crianças no comércio de drogas. Estas práticas envolvem atividades criminosas que são ilícitas e que levam crianças e adolescentes à morte. Na cidade de São Paulo, de acordo com pesquisa da FIPE, de 2007, são pouco mais de mil crianças em trabalho infantil somente nas ruas.

রাস্তায়, দোকানে এমনকি বাড়িতেও শিশু শ্রম সহ্য করা হয় ব্রাজিলের নগর ও গ্রামাঞ্চলে। এটা খারাপরুপেও ধরা পড়ে – দাস শ্রম, বানিজ্যিক যৌন ব্যবসা, শিশু পাচার আর বিক্রি বা যৌন শোষণ, আর শিশুদের মাদক বিক্রিতে ব্যবহারের মাধ্যমে। এইসব অভ্যাসের সাথে অপরাধজনিত কাজ জড়িত যা বেআইনি আর এর ফলে শিশু ও তরুণরা মারাও যায়। এফআইপিএ গবেষণা অনুসারে, ২০০৭ সালে সাও পাওলো শহরে কেবলমাত্র রাস্তায় ১০০০ এরও বেশী শিশু শিশুশ্রমে নিয়োজিত।

গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইনের জন্য এই প্রতিবেদন লিখতে গিয়ে, আমি ভাবছিলাম যে এমন খারাপ খবর জানিয়ে বিশ্বে ব্রাজিলের ভাবমূর্তি খারাপ করছি কিনা, কিন্তু এডসন রড্রিক্সের এই আকর্ষণীয় ব্লগ আমাকে সাহায্য করেছে মনস্থির করতে। তিনি ব্রাজিলে দাস শ্রমের ১৫টা সত্য ও মিথ্যার তালিকা দিয়েছেন, যার মধ্যে একটা হলো আন্তর্জাতিক তথ্য প্রচার দাসশ্রমের ব্যাপারে যা আমাদের দেশকে ক্ষতি করছে কিনা তা:

12) Mentira: A divulgação internacional prejudica o comércio exterior e vai trazer prejuízo ao país. Verdade: Isso é uma falácia. Não erradicar o trabalho escravo é que prejudica a imagem do Brasil no exterior. As ameaças de restrições comerciais serão levadas a cabo se o país não fizer nada para resolver o problema. Que usamos trabalho escravo, isso é público e notório…A agricultura é fundamental para o desenvolvimento do país. Por isso mesmo, ele deve estar na linha de frente do combate ao trabalho escravo, identificando e isolando os empresários que agem criminalmente. Dessa forma, impede-se que uma atividade econômica inteira venha a ser prejudicada pelo comportamento de alguns poucos.

১২) মিথ্যা: আন্তর্জাতিকভাবে সংবাদ প্রচার দেশ আর বাণিজ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। সত্য: এটা মিথ্যাচার। দাসত্ব শেষ না করা ব্রাজিলের ভাবমূর্তি বিদেশে নষ্ট করছে। বলবৎ অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ভীতি কার্যকর করা হবে যদি এই দেশ এই সমস্যা নিরসনে পদক্ষেপ না নেয়। সাধারণ জ্ঞান হলো যে আমরা দাস শ্রম ব্যবহার করি,…কারন কৃষিকাজ আমাদের দেশের উন্নয়নের জন্য প্রাথমিক চাহিদা। সুনির্দিষ্ট এই কারনে, দাস শ্রম শেষ করার ব্যাপারটা সম্মুখভাগে থাকা উচিত, সেইসব ব্যবসায়ীকে চিহ্নিত করে আলাদা করা উচিৎ যারা অপরাধ কাজের সাথে যুক্ত। এইভাবে নিশ্চিত করা যায় যেন সমগ্র অর্থনীতি কয়েকজনের অপরাধমূলক কাজের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
কর্মের অনুমতি পত্র (ওয়ার্ক পার্মিট) দেয়া হচ্ছে গহীণ জঙ্গলে। ছবি তুলেছেন রিকার্ডো ফুনারী

কর্মের অনুমতি পত্র (ওয়ার্ক পার্মিট) দেয়া হচ্ছে গহীণ জঙ্গলে। ছবি তুলেছেন রিকার্ডো ফুনারী

তার কথা আমার নিজের করে, আমি পরিশেষে এই প্রতিবেদন শেষ করেছি এই বোধ থেকে যে দাস শ্রম একটা ব্রাজিলের একসময়কার আইনসিদ্ধ দাসত্বের পরিশিষ্ট আর যদি এই জিনিষ প্রতিকার করা না হয় এখুনি তবে সেটা চরম ভুল হবে।

—–
এই লেখার সাথে যে ছবিগুলো আছে তা রিও দে জেনিরোতে অবস্থিত ফটোসাংবাদিক রিকার্ডো ফুনারীর সৌজন্যে। এই সাংবাদিক দেশের সামাজিক অবিচারের বিষয়গুলো ছবির মাধ্যমে নথীভুক্ত ও বিতরণ করে সবার সম্মুখে তুলে ধরার কাজ করেন। তিনি তার কাজের মাধ্যমে যা দেখেছেন তা হল: “ব্রাজিলের দাসত্বের খপ্পরে পড়ার মূল কারন হলো দেনা- শ্রমিকদের শারীরিকভাবে কাজে নিযুক্ত করা যতক্ষণ না তারা তাদের দেনা শোধ করতে পারে। এই দেনায় বাধা প্রায় জুয়াচুরির মাধ্যমে হয়ে থাকে অথবা তাদের কাজের পরিবেশ দ্বারা প্ররোচিত হয়। এর ফলে আর্থিক কষ্ট বা খরার এলাকার শ্রমিকরা মৌখিক চুক্তিতে নিযুক্ত হন, আর এর পরে তাদেরকে ট্রাকে করে হাজার হাজার মাইল দূরের এলাকাতে কাজের জন্য আনা হয় বিপদজনক পরিস্থিতিতে। আগমনের পরে তাদেরকে যে লোভনীয় বেতনের কথা বলা হয়েছিল তা কমানো হয়, আর এর পরে তা কেটে নেয়া হয় আসা যাওয়ার খরচ, খাবার এমনকি কাজের সরঞ্জামের মূল্য হিসেবে। শ্রমিকরা প্রায় হাতে কোন টাকা পান না। সময়ের সাথে সাথে শ্রমিকের দেনা বাড়তেই থাকে যাতে তাদের চলে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা আর থাকে না।“ তার ফ্লিকার অ্যাকাউন্টে ব্রাজিলের সমসাময়িক দাসত্বের আরও ছবি পাওয়া যাবে।

দাত ভাঙ্গা এক শ্রমিক হাসিতে ভেঙ্গে পড়ছে যখন সে ন্যায্য বেতন পাচ্ছে। ছবি তুলেছেন রিকার্ডো ফুনারী

দাঁত ভাঙ্গা এক শ্রমিক হাসিতে ভেঙ্গে পড়ছে যখন সে ন্যায্য বেতন পাচ্ছে। ছবি তুলেছেন রিকার্ডো ফুনারী

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .