বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইরান: প্রতিবাদকারীরা আবারও ইসলামিক সরকারের বিরুদ্ধাচরণ করেছে

গত বৃহস্পতিবার হাজারো প্রতিবাদকারী তেহরানের রাস্তায় রাস্তায় প্রতিবাদ করেছে “স্বৈরাচার নিপাত যাক” বলে এবং “আল্লাহু আকবার” ধ্বণি দিয়ে। গত ১২ই জুনের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিরুদ্ধে অব্যাহত প্রতিবাদের বিরুদ্ধে সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই তাদের এই সমাবেশ ছিল।

এই সমাবেশ আরও স্মরণ করে ইসলামিক রিপাবলিকের সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্রদের সেই প্রতিবাদের দশ বছর যেখানে একজন ছাত্র মারা গিয়েছিল, অনেকে আহত হয়েছিল এবং বহু গ্রেফতার হয়েছিল।

ইরানী নাগরিকরা আবারও সারা বিশ্বকে ভিডিও এবং ছবি প্রকাশের মাধ্যমে পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেছে, যেমন উপরের ছবিটি।

নীচের ভিডিওতে তেহরানের লোকেরা “আল্লাহু আকবার” বলে চিৎকার করছে:

এখানে, জনগণ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনীর ছেলে মোজতাবা খামেনীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে। কিছু রিপোর্ট অনুসারে তিনি বাসিজ প্যারামিলিটারী ফোর্সের নিয়ন্ত্রণকারী যারা সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিবাদকারীদের উপর নির্যাতন চালিয়েছে।

এবং এখানে, একজন প্রতিবাদকারী ইরানের বিরোধী দলীয় নেতা মীর হোসাইন মুসাভীর নামে স্লোগান দিচ্ছে।

ব্লগার আখারোজামান লিখেছে যে ভালি আসর স্ট্রীটে নিরাপত্তা রক্ষীরা একটি বাসের ভিতর কাঁদানে গ্যাস মেরেছে।

বেশ কিছু ব্লগার যেমন দ্যা গড দ্যাট ফেইলড বিবিসির ফার্সী বিভাগের টিভির সমালোচনা করেছে তেহরানের প্রতিবাদ সমাবেশগুলি সঠিকভাবে উপস্থাপন না করার জন্যে।

মাই.অপেরা বলেছে যে বিবিসি এবং অন্যান্য মূলধারার মিডিয়া ইরানী প্রতিবাদ আন্দোলনকে কোন সাহায্য করতে পারবে না কারন কারন তারা এক চোখে প্রতিবাদকারীদের দিকে দেখে এবং অন্য চোখে ইরানে সরকারের প্রতিশ্রুতিতে আমল দেয়।

2 টি মন্তব্য

আলোচনায় যোগ দিন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .