বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

হন্ডুরাস: ভিডিওর মাধ্যমে রাজনৈতিক অবস্থা বোঝানোর চেষ্টা

হন্ডুরাসে সাম্প্রতিক বিভ্রান্তকর ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে দেশের জনগণ এখনও বুঝে উঠতে পারেনি যে আসলে কি ঘটেছে, যেমনটি আমাদের আগের পোস্টে আমরা আলোচনা করেছি। এই দেশটির নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি জেলায়াকে সেনাবাহিনী কর্তৃক রাতের পোশাকে কোস্টা রিকা পাঠিয়ে দেয়া হয় এবং মিশেলেত্তিকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়েছে, যিনি ক্ষমতায় এসেই পরিস্থিতি শান্ত রাখার জন্যে কার্ফিউ জারী করেছেন। কিছু অধিবাসী ভিডিও ব্যবহার করে তাদের মতামত প্রকাশের চেষ্টা করছেন, আমার সেরকম কয়েকটি প্রচেষ্টাকে তুলে ধরব। নীচের ছবিটি সাম্প্রতিক গোলযোগের উপর ছবির একটি সেটের অংশ যা ২৮শে জুনের ঘটনার পর বিএলএলকিউ২১ কর্তৃক ফ্লিকারে আপলোড করা হয়।


ছবি বিএলএলকিউ২১ এর সৌজন্যে এবং ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স এর আওতায় ব্যবহৃত।

প্রথম ভিডিওটি ইংরেজী ভাষায়, যা প্রকাশের পর মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারের মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। এই ভিডিওটি ব্যাখ্যা করে যে কেন সাম্প্রতিক ঘটনাবলীকে সামরিক অভ্যুত্থান বলা যাবে না।

পরবর্তী ভিডিওতে এর সম্পূর্ণ বিপরীত ধর্মী এক মতামত দেখা যায়, যা বর্ণনা করে যে এটি সত্যিই একটি অভ্যুত্থানের ঘটনা। নীচের উদ্ধৃতিগুলো এই ভিডিওর কথাবার্তা থেকে নেয়া হয়েছে।

২৮শে জুন রবিবার। সাংবিধানিক নির্দেশ ভঙ্গ করে রাষ্ট্রপতি হোজে মানুয়েল জেলায়া রোজালেসকে অপহরণ করে দেশ থেকে বের করে দেয়া হয়।

তথ্যের অবাধ প্রবাহকে বাধা দেয়া হয়েছে, বিদ্যুৎ বন্ধ রাখা হয়েছিল, টেলিফোন, ইন্টারনেট এমনকি সব জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক নিউজ চ্যানেল ব্লগ করা হয়েছে। সব ধরনের সংবাদ মাধ্যমকেই বাধা দেয়া হয়েছে।

তারা অভ্যুত্থান সমর্থনকারী প্রচারমাধ্যম দ্বারা সংবাদ নিয়ন্ত্রণ করেছে।

বিভিন্ন সংগঠন, বুদ্ধিজীবিরা, সমকামী অধিকারের দল, শিক্ষকদের সংগঠন, নারীবাদী দল এবং অন্যান্যেরা সরকারী অফিসের সামনে আইনের শাষন রক্ষার জন্যে আন্দোলন করেছে।

সারাদেশেরই নারীপুরুষ অভ্যুত্থান সমর্থনকারী ন্যাশনাল কংগ্রেসের সদস্য এবং সেনাবাহিনীর কাছ থেকে আইনের শাষন রক্ষার চেষ্টা করেছে।

সকল নীপিড়ন রুখে.. আইনের শাষন প্রতিষ্ঠায় আসুন তৎপর হই।

এটি ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, এটি সামরিক অভ্যত্থান!

এর পরের ভিডিও দেখাচ্ছে ২৮শে জুন ক্ষমতার পরিবর্তনের পর বেশ কিছু
সংঘাত, যদিও বর্তমান সরকারের ভাষ্যমতে পরিস্থিতি শান্ত আছে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .