বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

মালাউই: চিফোন্ডুকে ম্যাডোনার দত্তক নেয়ার ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া

যে কখনো মালাউই সম্পর্কে শুনেনি, তারা আফ্রিকার এই দেশের নাম কেবলমাত্র ম্যাডোনার কারনে জানতে পেরেছে যার পুরো নাম আবার অনেকে জানে না।

মনে হচ্ছে যে সাধারণত অনেক মালাউইবাসী খুশি যে ম্যাডোনা মালাউইর গরিব বাচ্চাদের দত্তক নিতে পারছেন এই ভীতি সত্ত্বেও যে এই ধারার ফলে কি অরাজকতা তৈরি হতে পারে।

২০০৬ সালে যখন তিনি ডেভিড বান্ডাকে দত্তক নিতে প্রথম মালাউইতে আসেন, মিশ্র প্রতিক্রিয়া ছিল তখন। তার দত্তক বিষয়ক বির্তক যখন অবশেষে সমাপ্ত হলো, গুজব শোনা যেতে লাগল যে এই পপ তারকা মালাউইতে আর একটা বাচ্চা খুঁজছেন: এইবার একটি মেয়ে, চিফুন্ডো (মার্সি) জেমস।

ব্লগার রেক্স চিকোকো জানিয়েছেন যে ম্যডোনার জন্যে এবারের প্রক্রিয়া একটু কঠিন ছিল যেহেতু হাই কোর্টের জাজ এস্মে চোম্বো বলেছিলেন যে মালাউইর দেশের দত্তক আইন অনুসারে, ম্যাডোনা বাচ্চাটাকে নিয়ে যেতে পারবেন না যেহেতু তিনি মালাউইতে মাত্র ১৮ মাসের মতো বাস করেছে। তবে, সুপ্রিম কোর্টে একটি আপিল চিফোন্ডুকে করুণা পাইয়ে দিয়েছে এই যুক্তিতে যে বর্তমান বিশ্বে বসবাসের স্থান যে কোন দেশে হতে পারে যেহেতু একজনের একটার বেশী বাসা থাকতে পারে।

সুপ্রিম কোর্টের এই ধরনের আদেশের পরে অনেক প্রতিক্রিয়া আসছে আর অনেকে বির্তক আর আলোচনা করছেন মালাউইর কি হবে।

এরই মধ্যে চিফোন্ডু লন্ডনে পৌঁছেছে

ম্যাডোনার নতুন মেয়ে মালাউই থেকে ব্যক্তিগত বিমানে উড়ে এসেছে লন্ডনের পথে, দক্ষিণ আফ্রিকাভুক্ত এই দেশে ম্যাডোনার দত্তকের প্রক্রিয়ার সাথে পরিচিত বিমানবন্দরের একজন কর্মী শনিবার এটা জানিয়েছেন।

এই বিমানবন্দরের কর্মী, নাম না প্রকাশ করার শর্তে (কারন তার এ ব্যাপারে কথা বলার অনুমতি নেই) বলেছেন যে তিন বছরের চিফোন্ডু ‘মার্সি’ জেমস শুক্রবার রাতে লন্ডনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে, পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ আফ্রিকাতে একবার যাত্রাবিরতিসহ। এই মেয়ে হচ্ছে মালাউই থেকে দত্তক নেয়া ম্যাডোনার দ্বিতীয় বাচ্চা। কথিত আছে যে একজন ধাত্রি, বাচ্চাদের একজন নার্স আর তৃতীয় একজন সাহায্যকারী তার সাথে আছে।

একজন সাংবাদিক আর নিয়মিত ব্লগার কন্দোয়ানি মুন্থালি ম্যাডোনা সম্পর্কে লিখতে গিয়ে, দ্যা গার্ডিয়ানের রিপোর্টার জাক পেরেত্তির প্রতিবেদনে ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এই রিপোর্টে মালাউইকে বিদ্রুপ করা হয়েছে আর দ্যা মিররের একটি রিপোর্টে দাবী করা হয়েছে যে ম্যাডোনা মালাউইদের ১৯ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার ঘুষ দিয়েছেন এই বাচ্চাটা পেতে। খুবই বাজে রিপোর্ট।

জনাব পেরেত্তি মালাউইতে ফিরত আসলে তাকে আমাদের সাংবাদিকতার স্কুলে নিয়ে যাব যাতে তিনি ‘তথ্য’ রিপোর্ট করতে শেখেন, নিজের তৈরি না করে যা তিনি করেছেন। তিনি দাবি করেছেন মালাউইতে গণকবর আছে যেখানে প্রতিদিন আমরা তিনজন করে বাচ্চা কবর দেই, আমার মাথা।

মুন্থালি বলেছেন যে তিনি তার পোস্ট লিখেছেন ম্যাডোনার শেষ দত্তকের বিষয়ে সঠিক তথ্য দেবার জন্য ।

বির্তকের পরিপ্রেক্ষিতে আর একজন ব্লগার দাঘা বলেছেন যে তিনি বুঝতে পারেননি যে কেন ম্যাডোনাকে দ্বিতীয় বাচ্চা দেয়া হয়েছে।

কিছু মালাউইবাসী ম্যাডোনাকে ‘মা ডোনার’ (দানকারী মার) এর সাথে মিলিয়ে ফেলেছেন যার মানে তিনি সাহায্য দেন মালাউইর মানুষকে বিশেষ করে ভাগ্যবান কয়েকটা বাচ্চাকে যারা তার মালাউই রেইজিং প্রোজেক্টের মধ্যে আছে।

এটা জানানো দরকার যে মালাউইতে ম্যাডোনার বাচ্চা দত্তক নেয়া নিয়ে আরো প্রতিক্রিয়া আছে যা অনলাইনে নেই।

প্রতিক্রিয়া অনেক থাকলেও অনেক মালাউইবাসীর মনে যা আছে তা হলো মালাউইর সুপ্রিম কোর্টের আদেশের উপর ভিত্তি করে ম্যাডোনা বা অন্যান্য তারকারা মালাউইতে আসতে পারবেন কি না আরো বাচ্চা দত্তক নিতে।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .