বন্ধ করুন

আমাদের স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় কাজ করে যাচ্ছে বিশ্বের কোনা থেকে না বলা গল্পগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে। তবে আপনাদের সাহায্য ছাড়া আমরা তা পারব না। আমাদের সম্পাদনা, প্রযুক্তি এবং প্রচারণা দলগুলোকে সুষ্ঠুভাবে চলতে সহায়তার জন্যে আপনারা আপনাদের দানের অংশ থেকে কিছু গ্লোবাল ভয়েসেসকে দিতে পারেন।

সাহায্য করুন

উপরের ভাষাগুলো দেখছেন? আমরা গ্লোবাল ভয়েসেস এর গল্পগুলো অনুবাদ করেছি অনেক ভাষায় যাতে বিশ্বজুড়ে মানুষ এগুলো সহজে পড়তে পারে।

আরও জানুন লিঙ্গুয়া অনুবাদ  »

ইরান: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর প্রতিবাদের ঝড়

demo1
তেহরান, মাশহাহাদ এবং ইরানের আরো অনেক শহরে হাজার হাজার লোক প্রতিবাদ বিক্ষোভ প্রদর্শন করে শুক্রবারে দেশটির রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মাহমুদ আহমাদিনেজাদ নিজেকে বিজয়ী দাবী করার প্রতিবাদে। এই নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দুইজন সংস্কারপন্থী প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা বলছে যে নির্বাচনে কারচুপি করা হয়েছে।

মীর হোসেন মুসাভি, নির্বাচনে আহমাদিনেজাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। তিনি বলেন “বিশ্বাসহীন নির্বাচন পর্যবেক্ষণের” মাধ্যমে আসা এই ফলাফল “ইরানের শাসনব্যবস্থার দুর্বল ভিত্তি যা দুর্বল সংবিধানকে শুদ্ধ বলে গণ্য করে” এবং “কর্তৃত্বশালী কর্তৃপক্ষ ও স্বৈরতান্ত্রিক শাসককে” পবিত্র বলে গন্য করে। ইউটিউবে ইরানের বেশ কয়েকটি শহরের রাস্তায় বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ প্রদর্শনের ছবি তুলে দেওয়া হয়েছে।

তেহরানের ভালিআসর রাস্তায় এক প্রতিবাদের সময় হাজার হাজার প্রতিবাদকারী আহমাদিনেজাদ সরকারের বিরু্দ্ধে বিক্ষোভ প্রর্দশন করে ও স্লোগান দেয়।

এখানে লোকজন স্লোগান দিচ্ছিল, মুসাভি আমার ভোট ফিরিয়ে দাও!

নিরাপত্তা বাহিনী প্রতিবাদকারীদের দমন করছে:

মাশহাহাদ শহরে এক প্রতিবাদ মিছিল চলার সময় প্রতিবাদকারীরা নিরপত্তা বাহিনীকে বলছে, তাদের সমর্থন করার জন্য [তাদের দমন করার বদলে]:

গোহমার আশহেগাহনে বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করেছে যেখানে দেখা যাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী প্রতিবাদকারীদের আঘাত করছে (একেবারে উপরের ছবি দেখুন)। ব্লগার লিখছেন [ফার্সী ভাষায়] রাস্তায় বা প্রতিবাদে সামিল না হবার একটা ভালো অজুহাত হতে পারে নিরাপত্তা বাহিনীর এই দমন, ‘আমরা এই সকল দু:খে কি করতে পারি’? তিনি বলেন কারোবি এবং মৌসাভি [দুজন সংস্কারপন্থী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ছিলেন] দেশটির অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে চেয়েছিল, তারা তা এখনই শুরু করতে পারে।

বলজিরান লিখেছেন [ফার্সী ভাষায়] যে ইরানের নেতা আলি খামেনিই, এক অভ্যুথানের মধ্যে দিয়ে এমনকি প্রেসিডেন্ট হবার আগেই মুসাভিকে সরিয়ে ফেললো এবং তার জায়গায় আহমাদিনেজাদকে বসালো…। তিনি লিখছেন, “এই শাসনের যেটুকু বৈধতা ছিল তাও সে হারালো”।

মেহেরদাদ টুইটারে লিখেছেন, ইরানের নেতারা প্রদর্শন করলো, তারা ইরানের জনগণের বিপক্ষে। এখন যে কোন রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিতে পারবে।

মেহরি৯১২টুইটারে বলছেন, “আজ রাতে ইরান যদি ঘুমিয়ে পড়ে, তাহলে সে চিরতরে ঘুমিয়ে পড়বে”।

আলোচনা শুরু করুন

লেখকেরা, অনুগ্রহ করে লগ ইন »

নীতিমালা

  • অনুগ্রহ করে অপরের মন্তব্যকে শ্রদ্ধা করুন. যেসব মন্তব্যে গালাগালি, ঘৃণা, অবিবেচনা প্রসূত ব্যক্তিগত আক্রমণ থাকবে সেগুলো প্রকাশের অনুমতি দেয়া হবে না .